মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার কয়েকজন নিরীহ লোকের নামে মিথ্যা মামলা সাঁজিয়ে হয়রানী ও ষড়যেন্ত্রর চেষ্টা করছে স্থানীয় একটি মামলাবাজ চক্রের কুপরামর্শে সবজি বিক্রেতার পরিবার। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, চলতি মাসের ১৬ মার্চ বিকালে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং বাজারের জাহাঙ্গীরের দোকানের সামনে ঊনছিপ্রাং রইক্ষ্যং শিয়াইল্যা পাড়ার মৃত কাদির হোছনের ছেলে মোক্তার আহমদ (৫৩) খিরা, বেগুন, বাঙ্গি, ধনিয়াপাতাসহ বিভিন্ন সবজি বিক্রি করছিল। এসময় স্থানীয় মৃত মৌলভী রশিদ আহমদের পুত্র আজিজুর রহমান বাদশা সবজি কিনতে গেলে সবজি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে দু’জনের মধ্যে দরকষাকষি নিয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। ক্রেতার সাথে কথা কাটাকাটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে সবজি বিক্রেতা উগ্র মেজাজী মোক্তার বিষয়টি তার নিকটাত্নীয় মৃত আব্দুল হালিমের পুত্র কলিমুল্লাহ কালুকে বিচার দেয়। তারা উভয়ের মধ্যে তা নিয়ে তর্কের সৃষ্টি হলে কালু ক্ষুদ্ধ হয়ে মোক্তারকে দু’টি থাপ্পড় দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। ঘটনার পর সবজি বিক্রেতা মোক্তার এমনিতে মৃগরোগী তার উপর কালুর তাপ্পড়ে-অভিমানে চরমভাবে ক্ষুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে সে ইফতারের সময় বাজারে দিলদারের দোকানে ইফতার করে এবং বিভিন্ন জনের কাছে সালিশ দিয়ে বাজারেই অবস্থান করে। রাত ৯ টারদিকে সবজি বিক্রেতা মোক্তার বাজারের দোকানের সামনে শুয়ে থাকলে স্থানীয় লোকজন তাকে বাড়িতে পৌছে দেয়।

জানা যায়, ১৭মার্চ ভোররাত ২টারদিকে হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাং রইক্ষ্যং শিয়াইল্যা পাড়ার কাদির হোছনের পুত্র মোক্তার আহমদ (৫৬) নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে মারা যান। এলাকার লোকজনের ধারণা, সবজি বিক্রেতা অতিরিক্ত ক্ষোভে হয়তো স্ট্রোক করেছে অথবা মৃগরোগে মারা গেছে বলে মনে করেন। পরে টেকনাফ থানার নির্দেশে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মো: শাহাদাত সিরাজী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।

এদিকে স্থানীয় একটি মামলাবাজ চক্রের কুপরামর্শে মোক্তারের পরিবারের লোকজন একই এলাকার মরহুম মৌলভী রশিদ আহমদের পুত্র আজিজুর রহমান বাদশার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাঁজিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানীর ষড়যন্ত্র করছে। সবজি বিক্রতার মৃত্যুর ঘটনায় বাদশার কোন সম্পৃক্ততা না থাকলেও মামলাবাজ চক্র ঘটনার রং ছিটিয়ে মিথ্যা মামলা করার জন্য নানান ধরনের অপচেষ্টা শুরু করেছে বলে এলাকাবাসীদের সূত্রে জানা গেছে। তবে, সবজি বিক্রেতার পরিবারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তারা বক্তব্য দেয়নি।

এ বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মোঃ শাহাদাৎ সিরাজী বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করেছেন। তবে মরদেহের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো: ওসমান গণি জানান, সবজি বিক্রেতার মৃত্যুর ঘটনায় ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার কয়েকজন নিরীহ লোকের নামে মিথ্যা মামলা সাঁজিয়ে হয়রানী ও ষড়যেন্ত্রর চেষ্টা করছে স্থানীয় একটি মামলাবাজ চক্রের কুপরামর্শে সবজি বিক্রেতার পরিবার। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, চলতি মাসের ১৬ মার্চ বিকালে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনচিপ্রাং বাজারের জাহাঙ্গীরের দোকানের সামনে ঊনছিপ্রাং রইক্ষ্যং শিয়াইল্যা পাড়ার মৃত কাদির হোছনের ছেলে মোক্তার আহমদ (৫৩) খিরা, বেগুন, বাঙ্গি, ধনিয়াপাতাসহ বিভিন্ন সবজি বিক্রি করছিল। এসময় স্থানীয় মৃত মৌলভী রশিদ আহমদের পুত্র আজিজুর রহমান বাদশা সবজি কিনতে গেলে সবজি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে দু’জনের মধ্যে দরকষাকষি নিয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। ক্রেতার সাথে কথা কাটাকাটি নিয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে সবজি বিক্রেতা উগ্র মেজাজী মোক্তার বিষয়টি তার নিকটাত্নীয় মৃত আব্দুল হালিমের পুত্র কলিমুল্লাহ কালুকে বিচার দেয়। তারা উভয়ের মধ্যে তা নিয়ে তর্কের সৃষ্টি হলে কালু ক্ষুদ্ধ হয়ে মোক্তারকে দু’টি থাপ্পড় দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। ঘটনার পর সবজি বিক্রেতা মোক্তার এমনিতে মৃগরোগী তার উপর কালুর তাপ্পড়ে-অভিমানে চরমভাবে ক্ষুদ্ধ হয়ে পড়ে। পরে সে ইফতারের সময় বাজারে দিলদারের দোকানে ইফতার করে এবং বিভিন্ন জনের কাছে সালিশ দিয়ে বাজারেই অবস্থান করে। রাত ৯ টারদিকে সবজি বিক্রেতা মোক্তার বাজারের দোকানের সামনে শুয়ে থাকলে স্থানীয় লোকজন তাকে বাড়িতে পৌছে দেয়।

জানা যায়, ১৭মার্চ ভোররাত ২টারদিকে হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাং রইক্ষ্যং শিয়াইল্যা পাড়ার কাদির হোছনের পুত্র মোক্তার আহমদ (৫৬) নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে মারা যান। এলাকার লোকজনের ধারণা, সবজি বিক্রেতা অতিরিক্ত ক্ষোভে হয়তো স্ট্রোক করেছে অথবা মৃগরোগে মারা গেছে বলে মনে করেন। পরে টেকনাফ থানার নির্দেশে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মো: শাহাদাত সিরাজী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।

এদিকে স্থানীয় একটি মামলাবাজ চক্রের কুপরামর্শে মোক্তারের পরিবারের লোকজন একই এলাকার মরহুম মৌলভী রশিদ আহমদের পুত্র আজিজুর রহমান বাদশার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাঁজিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানীর ষড়যন্ত্র করছে। সবজি বিক্রতার মৃত্যুর ঘটনায় বাদশার কোন সম্পৃক্ততা না থাকলেও মামলাবাজ চক্র ঘটনার রং ছিটিয়ে মিথ্যা মামলা করার জন্য নানান ধরনের অপচেষ্টা শুরু করেছে বলে এলাকাবাসীদের সূত্রে জানা গেছে। তবে, সবজি বিক্রেতার পরিবারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তারা বক্তব্য দেয়নি।

এ বিষয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মোঃ শাহাদাৎ সিরাজী বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করেছেন। তবে মরদেহের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো: ওসমান গণি জানান, সবজি বিক্রেতার মৃত্যুর ঘটনায় ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।