মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে গত এক মাস ধরে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতা! প্রকাশ্যে নদী থেকে বালু উত্তোলন করলেও স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনক কারণে বালু উত্তোলন বন্ধে কোন ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উজানটিয়ার রুপালী বাজার এলাকায় ৬৪/২বি পোল্ডারের পানি উন্নয়নের বেড়িবাঁধ ও মানুষের ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অচিরেই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে সামনের বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকায় আবারো পাউবোর বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, গত এক মাস ধরে উজানটিয়া ইউনিয়নের পুর্ব দিকে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর উজানটিয়ার রুপালী বাজার পয়েন্টে নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি মো: কাফি চৌধুরী।
খাল কিংবা নদী থেকে বালি উত্তোলনের নিয়ম না থাকলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বেচা-বিক্রিতে জড়িত রয়েছে ছাত্রলীগ নেতা কাফি। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন করলেও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় একমাস ধরে চলছে এই বালু উত্তোলন। যার ফলে নদী ভাঙনের শংঙ্কায় রয়েছে নদীর পাড়ে অবস্থিত শতাধিক পরিবার। নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে। স্থানীয়রা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধে জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।
নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে জানতে ছাত্রলীগ নেতা কাফির সাথে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।




