চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়ায় মহিষ চুরি মামলার গ্রেফতারীপরোয়ানাভুক্ত আসামি সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইনকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় এসআইসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন, চকরিয়া থানার এসআই আল ফোরকান ও কনস্টেবল ছাদরুল আমিন। এসময় হামলায় জড়িত অভিযোগে পাঁচব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।পুলিশের কাজে বাঁধা ও হামলার ঘটনায় এসআই আল ফোরকান বাদি হয়ে মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় নিয়মিত টহলে বের হয় থানা পুলিশের একটি টিম। রাত ৮টার দিকে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের বাড়িতে যায় পুলিশ। পুলিশ ঘরের দরজা খুলতে বললে নবী হোছাইন মোবাইলে তার বাড়ির পার্শবর্তী লোকজনকে পুলিশের উপর হামলার নির্দেশ দেন। পরক্ষণে অনুমাানিক ৭০-৮০ জন নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে অস্ত্র গুলি কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিত অনূকুলে না থাকায় পুলিশ পিছু হটে। বিষয়টি অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করলে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে হামলায় জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার পাঁচব্যক্তি হলেন, সাহারবলি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কোরালখালী গ্রামের টুক্কু মিয়ার ছেলে আরমান হোসেন (১৯), মোস্তফা কামাল (২৫), একই এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে নুরশেদুল ইসলাম ছোটন (২০), শিব্বির আহমদের ছেলে জয়নাল উদ্দিন (৪২) ও সোনা মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (৪৫)।

চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের বিরুদ্ধে চকরিয়া ও মহেশখালী থানায় দুটি মহিষ চুরির মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। সোমবার রাতে ওয়ারেন্ট তামিল করতে গেলে নবী হোছাইন ও তার সহযোগিরা পুলিশের উপর হামলা করে। হামলায় জড়িত অভিযোগে পাঁচব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি পুলিশ এসল্ট মামলা হয়। ওই মামলায় এজাহারনামীয় ২৪ জনসহ অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে জনকে আসামী করা হয়েছে।

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়ায় মহিষ চুরি মামলার গ্রেফতারীপরোয়ানাভুক্ত আসামি সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইনকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় এসআইসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়। সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন, চকরিয়া থানার এসআই আল ফোরকান ও কনস্টেবল ছাদরুল আমিন। এসময় হামলায় জড়িত অভিযোগে পাঁচব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।পুলিশের কাজে বাঁধা ও হামলার ঘটনায় এসআই আল ফোরকান বাদি হয়ে মামলা করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় নিয়মিত টহলে বের হয় থানা পুলিশের একটি টিম। রাত ৮টার দিকে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের বাড়িতে যায় পুলিশ। পুলিশ ঘরের দরজা খুলতে বললে নবী হোছাইন মোবাইলে তার বাড়ির পার্শবর্তী লোকজনকে পুলিশের উপর হামলার নির্দেশ দেন। পরক্ষণে অনুমাানিক ৭০-৮০ জন নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে পুলিশের উপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে অস্ত্র গুলি কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে। পরিস্থিত অনূকুলে না থাকায় পুলিশ পিছু হটে। বিষয়টি অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করলে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে হামলায় জড়িত ৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার পাঁচব্যক্তি হলেন, সাহারবলি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কোরালখালী গ্রামের টুক্কু মিয়ার ছেলে আরমান হোসেন (১৯), মোস্তফা কামাল (২৫), একই এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে নুরশেদুল ইসলাম ছোটন (২০), শিব্বির আহমদের ছেলে জয়নাল উদ্দিন (৪২) ও সোনা মিয়ার ছেলে আমির হোসেন (৪৫)।

চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবী হোছাইনের বিরুদ্ধে চকরিয়া ও মহেশখালী থানায় দুটি মহিষ চুরির মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। সোমবার রাতে ওয়ারেন্ট তামিল করতে গেলে নবী হোছাইন ও তার সহযোগিরা পুলিশের উপর হামলা করে। হামলায় জড়িত অভিযোগে পাঁচব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় একটি পুলিশ এসল্ট মামলা হয়। ওই মামলায় এজাহারনামীয় ২৪ জনসহ অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে জনকে আসামী করা হয়েছে।