লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া: বঙ্গোপসাগরে নির্বিচারে চলছে জলদস্যুতা। জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গেলেই সর্বস্বই হারিয়ে উপকূলে ফিরে আসতে হচ্ছে। জেলেরা উপকূল হতে প্রস্তুতি নিয়ে সাগরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না, পাশাপাশি অনেক জেলেরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছে। আবার ট্রলার মালিকগণ সুদি মহাজনের ঋণের দাদনের বোঝা নিয়ে আত্নগোপনে চলে গেছে।

সম্প্রতি কুতুবদিয়া উপকূলের শত শত মাছ ধরার ট্রলার সাগরে নির্বিচারে জলদস্যুদের গণডাকাতির কবলে পড়ার কথা এলাকায় এবং আইনশৃংখলা বাহিনী নিকট বলে বেড়াচ্ছেন বলে দাবী করেন কুতুবদিয়া উপজেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নার আবেদীন।

তিনি আরো জানান,চলতি মাসের ৭ জানুয়ারী সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আইনশৃংখলা বাহিনীর ব্যস্ততা দেখে জলদস্যুরা দল বেঁধে ভারি অস্ত্র নিয়ে সাগরে নেমে জলদস্যুতা শুরু করেছে। বিগত এক সপ্তাহে সাগরে শতাধিক মাছ ধরার ট্রলার ডাকাতির খবর পাওয়া গেছে। জলদস্যুরা মাছ,জাল,ডিজেলসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ খবরে সুত্র ধরে কুতুবদিয়া থানা পুলিশ,বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাগরে এবং উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০/২৫ জন জলদস্যুকে আটক করেন।

জলদস্যুদের কবলে পড়া জেলে আবুল কাসেম জানান, এখনো সাগরে জলদস্যুরা নির্বিচারে ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি করে যাচ্ছে। আইনশৃংখলা বাহিনী র‍্যাব অভিযান চালিয়ে কক্সবাজার অংশের মহেশখালী চ্যানেল ও বাঁকখালী নদীর মোহনা থেকে অভিযান চালিয়ে ৬ জলদস্যুকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি আগ্নেয়স্ত্র, ৩টি ধারালো অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বেশকিছু মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-কুতুবদিয়া লেমশিখালীর মাহমুদ উল্লাহর ছেলে মো. বাদশা, একই ইউনিয়নের মুসালিয়া শিকদার পাড়ার রহিম উল্লাহর ছেলে মো. মারুফুল ইসলাম, একই উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের জুলেখা বিবির পাড়ার মো. ইসমাইলের ছেলে রায়হান উদ্দিন, সাহারুম শিকদার পাড়ার মো. ইউনুসের ছেলে মো. রাফি, পেচারপাড়ার মৃত কবির আহমদের ছেলে এরশাদুল ইসলাম ও চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার নারিকেলতলার (সেইলর কলোনী) আবু বক্করের ছেলে মো. আল-আমিন।

এসব জলদস্যুদের আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা গডফাদাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান আটক হওয়ার পর গা ডাকা দিয়ে লুকিয়ে আছে।

লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া: বঙ্গোপসাগরে নির্বিচারে চলছে জলদস্যুতা। জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গেলেই সর্বস্বই হারিয়ে উপকূলে ফিরে আসতে হচ্ছে। জেলেরা উপকূল হতে প্রস্তুতি নিয়ে সাগরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না, পাশাপাশি অনেক জেলেরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছে। আবার ট্রলার মালিকগণ সুদি মহাজনের ঋণের দাদনের বোঝা নিয়ে আত্নগোপনে চলে গেছে।

সম্প্রতি কুতুবদিয়া উপকূলের শত শত মাছ ধরার ট্রলার সাগরে নির্বিচারে জলদস্যুদের গণডাকাতির কবলে পড়ার কথা এলাকায় এবং আইনশৃংখলা বাহিনী নিকট বলে বেড়াচ্ছেন বলে দাবী করেন কুতুবদিয়া উপজেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নার আবেদীন।

তিনি আরো জানান,চলতি মাসের ৭ জানুয়ারী সারা দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আইনশৃংখলা বাহিনীর ব্যস্ততা দেখে জলদস্যুরা দল বেঁধে ভারি অস্ত্র নিয়ে সাগরে নেমে জলদস্যুতা শুরু করেছে। বিগত এক সপ্তাহে সাগরে শতাধিক মাছ ধরার ট্রলার ডাকাতির খবর পাওয়া গেছে। জলদস্যুরা মাছ,জাল,ডিজেলসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ খবরে সুত্র ধরে কুতুবদিয়া থানা পুলিশ,বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাগরে এবং উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০/২৫ জন জলদস্যুকে আটক করেন।

জলদস্যুদের কবলে পড়া জেলে আবুল কাসেম জানান, এখনো সাগরে জলদস্যুরা নির্বিচারে ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি করে যাচ্ছে। আইনশৃংখলা বাহিনী র‍্যাব অভিযান চালিয়ে কক্সবাজার অংশের মহেশখালী চ্যানেল ও বাঁকখালী নদীর মোহনা থেকে অভিযান চালিয়ে ৬ জলদস্যুকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি আগ্নেয়স্ত্র, ৩টি ধারালো অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বেশকিছু মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-কুতুবদিয়া লেমশিখালীর মাহমুদ উল্লাহর ছেলে মো. বাদশা, একই ইউনিয়নের মুসালিয়া শিকদার পাড়ার রহিম উল্লাহর ছেলে মো. মারুফুল ইসলাম, একই উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের জুলেখা বিবির পাড়ার মো. ইসমাইলের ছেলে রায়হান উদ্দিন, সাহারুম শিকদার পাড়ার মো. ইউনুসের ছেলে মো. রাফি, পেচারপাড়ার মৃত কবির আহমদের ছেলে এরশাদুল ইসলাম ও চট্টগ্রামের ইপিজেড থানার নারিকেলতলার (সেইলর কলোনী) আবু বক্করের ছেলে মো. আল-আমিন।

এসব জলদস্যুদের আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা গডফাদাররা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান আটক হওয়ার পর গা ডাকা দিয়ে লুকিয়ে আছে।