ক্রাইম প্রতিবেদক: সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সাংবাদিক সম্মেলন অনুস্টিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন শহিদুল্লাহ চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারী স্থানীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সাতকানিয়া উপজেলার ১৩ নং বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের মনােনীত আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হই। আমার মরহুম পিতা আব্দুস ছাত্তার চৌধুরী দুঃসময়ে অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আওয়ামীলীগকে সংঘটিত করেছেন। বিগত ৫ বছর আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী চেয়ারম্যান হওয়ার পর এলাকায় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ও কিশাের গ্যাং এর মাধ্যমে নিজস্ব বলয় সৃষ্টি করে এলাকায় সন্ত্রাস এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ জনগণকে জিম্মি করে বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতি, জায়গা দখল, সাঙ্গু নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বিভিন্ন ধরণের অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। তিনি বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দীর্ঘ ৬ বছর সাধারণ সম্পাদক ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালনকালীন তাঁর সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছি।
May be an image of one or more people, people standing, people walking, crowd and road
স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন শহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকার মনােনয়ন না পেয়ে একান্তই বাজালিয়া ইউনিয়নের জনগণের ইচ্ছায় স্বতন্ত্র প্রার্থীতা ঘােষণা করি। উক্ত প্রার্থীতা ঘােষণার পর হতে আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মাতাল তাপস কান্তি দত্ত আমাকে জিম্মি করে রেখে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের জন্য রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চাপ দিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ২২ জানুয়ারি প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিভিন্নভাবে আমাকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের চাপ দিলে ও এলাকার আপামর জনসাধারণ বাজালিয়া স্টেশনে রাস্তায় নেমে পড়েন। তাঁরা আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার মেনে নিবেনা বলে বিক্ষোভ করেন। জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমি আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করলে আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী কিশোর গ্যাং লিডার তাপস কান্তি দত্ত সরাসরি তার ব্যবহৃত মােবাইল হতে এলাকার নিরীহ মানুষদের প্রাণে হত্যার হুমকি সহ নানাধরণের হুমকি দিয়ে আসছে এবং  ওইদিন দিবাগত রাত ৩.০৫ ঘটিকার সময় তাপস দত্তের বাড়িতে হামলা করেছেন বলে উল্লেখ করে আমিসহ ৫৮ জন ( লুলা, লেঙ্গা, আতুরসহ) নিরীহ এলাকাবাসিকে আসামী করে একটি মিথ্যা ও বানােয়াট মামলা সৃজন করেন। যাহা সাতকানিয়া থানার মামলা নং- ২২(০১)২০২২ ইং। অথচ উক্ত তারিখ ও সময়ে এলাকায় কোন ধরণের ঘটনা ঘটে নাই এবং এবং রাত ৩টায় কোন মানুষও জমায়েত হয় নাই। উক্ত দিনে অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি বিকাল অনুমান ৫টায় আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী তাপস কান্তি দত্ত ২০-৩০ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীসহ বাজালিয়াস্থ বুড়ির দোকান এলাকায় এসে নিরীহ মানুষদের এলােপাথারী মারধর করে। সেই সময় স্থানীয় দোকানদার স্বপন, তপন, ফল ব্যবসায়ী মুজিব, প্রবীন শিক্ষক হৃদয় রঞ্জন সহ আরও অনেককে শারীরিকভাবে মারধরসহ লাঞ্ছিত করে এবং বুড়ির দোকান এলাকার সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।
তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মাতাল ও ভূমিদস্যু তাপস কান্তি দত্ত বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে জনগণের ভােটাধিকার কেড়ে নিবে এবং ভােটের দিন এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করবেন। এছাড়া তিনি আমাকে ও আমার অনুসারীদের ফাঁসানাের জন্য তার নির্বাচনী অফিসে রাতের আঁধারে অগ্নিসংযােগ ও ভাংচুর করবেন এবং বাজালিয়ায় দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে শান্তিপ্রিয় হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্দিরে নিজেরাই অগ্নিসংযােগ ও ভাংচুর করে আমি সহ আমার সমর্থিত এলাকার নিরীহ লােকজনকে আসামী করার পাঁয়তারা করছে এবং প্রকাশ্যে আস্ফালন করছে।এই বিষয়ে আমি অবগত হয়ে আমার পক্ষে গতকাল ২৬ জানুয়ারি আমার এলাকার নুর মােহাম্মদ এর মাধ্যমে সাতকানিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে উক্ত বিষয়ে থানাকে অবহিত করি বর্তমানে তাঁর হাঁকাবকা ও প্রতিনিয়ত হুমকির কারণে এলাকার সাধারণ ও নিরীহ মানুষজন চরম উৎকণ্ঠতায় দিনাতিপাত করছে।
তার এই সমস্ত হিংসাত্বক ও ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সজাগ দৃষ্টি রেখে আসন্ন ৭ই ফেব্রুয়ারী একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনের জোরালাে ভূমিকা প্রত্যাশা করছি। একইসাথে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম চৌধূরী, তৌফিকুল ইসলাম চৌধূরী, আসলাম উদ্দীন, সামসুল ইসলাম ,শওকত ওসমান চৌধূরী, মোঃ সাইফুদ্দীন, মোঃ এমদাদউল্লা, লোকমান হাকিম,মহসিন চৌধূরী, আবদুল কুদ্দুস চৌধূরী, আরফাত হোসেন, এডভোকেট রিয়াদ চৌধূরী, এডভোকেট খোকন, আবদুল মোমিন, আবদুল মন্নানসহ বাজালিয়া ইউনিয়নের শতাধিক প্রবীন গ্রামবাসি।
ক্রাইম প্রতিবেদক: সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সাংবাদিক সম্মেলন অনুস্টিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন শহিদুল্লাহ চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারী স্থানীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সাতকানিয়া উপজেলার ১৩ নং বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের মনােনীত আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হই। আমার মরহুম পিতা আব্দুস ছাত্তার চৌধুরী দুঃসময়ে অত্র ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আওয়ামীলীগকে সংঘটিত করেছেন। বিগত ৫ বছর আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী চেয়ারম্যান হওয়ার পর এলাকায় একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ও কিশাের গ্যাং এর মাধ্যমে নিজস্ব বলয় সৃষ্টি করে এলাকায় সন্ত্রাস এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ জনগণকে জিম্মি করে বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতি, জায়গা দখল, সাঙ্গু নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বিভিন্ন ধরণের অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। তিনি বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দীর্ঘ ৬ বছর সাধারণ সম্পাদক ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালনকালীন তাঁর সমস্ত অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছি।
May be an image of one or more people, people standing, people walking, crowd and road
স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন শহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকার মনােনয়ন না পেয়ে একান্তই বাজালিয়া ইউনিয়নের জনগণের ইচ্ছায় স্বতন্ত্র প্রার্থীতা ঘােষণা করি। উক্ত প্রার্থীতা ঘােষণার পর হতে আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মাতাল তাপস কান্তি দত্ত আমাকে জিম্মি করে রেখে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের জন্য রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চাপ দিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত ২২ জানুয়ারি প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিভিন্নভাবে আমাকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের চাপ দিলে ও এলাকার আপামর জনসাধারণ বাজালিয়া স্টেশনে রাস্তায় নেমে পড়েন। তাঁরা আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার মেনে নিবেনা বলে বিক্ষোভ করেন। জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমি আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করলে আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী কিশোর গ্যাং লিডার তাপস কান্তি দত্ত সরাসরি তার ব্যবহৃত মােবাইল হতে এলাকার নিরীহ মানুষদের প্রাণে হত্যার হুমকি সহ নানাধরণের হুমকি দিয়ে আসছে এবং  ওইদিন দিবাগত রাত ৩.০৫ ঘটিকার সময় তাপস দত্তের বাড়িতে হামলা করেছেন বলে উল্লেখ করে আমিসহ ৫৮ জন ( লুলা, লেঙ্গা, আতুরসহ) নিরীহ এলাকাবাসিকে আসামী করে একটি মিথ্যা ও বানােয়াট মামলা সৃজন করেন। যাহা সাতকানিয়া থানার মামলা নং- ২২(০১)২০২২ ইং। অথচ উক্ত তারিখ ও সময়ে এলাকায় কোন ধরণের ঘটনা ঘটে নাই এবং এবং রাত ৩টায় কোন মানুষও জমায়েত হয় নাই। উক্ত দিনে অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি বিকাল অনুমান ৫টায় আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী তাপস কান্তি দত্ত ২০-৩০ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীসহ বাজালিয়াস্থ বুড়ির দোকান এলাকায় এসে নিরীহ মানুষদের এলােপাথারী মারধর করে। সেই সময় স্থানীয় দোকানদার স্বপন, তপন, ফল ব্যবসায়ী মুজিব, প্রবীন শিক্ষক হৃদয় রঞ্জন সহ আরও অনেককে শারীরিকভাবে মারধরসহ লাঞ্ছিত করে এবং বুড়ির দোকান এলাকার সকল দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।
তিনি বলেন, আমার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মাতাল ও ভূমিদস্যু তাপস কান্তি দত্ত বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে জনগণের ভােটাধিকার কেড়ে নিবে এবং ভােটের দিন এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করবেন। এছাড়া তিনি আমাকে ও আমার অনুসারীদের ফাঁসানাের জন্য তার নির্বাচনী অফিসে রাতের আঁধারে অগ্নিসংযােগ ও ভাংচুর করবেন এবং বাজালিয়ায় দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে শান্তিপ্রিয় হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্দিরে নিজেরাই অগ্নিসংযােগ ও ভাংচুর করে আমি সহ আমার সমর্থিত এলাকার নিরীহ লােকজনকে আসামী করার পাঁয়তারা করছে এবং প্রকাশ্যে আস্ফালন করছে।এই বিষয়ে আমি অবগত হয়ে আমার পক্ষে গতকাল ২৬ জানুয়ারি আমার এলাকার নুর মােহাম্মদ এর মাধ্যমে সাতকানিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে উক্ত বিষয়ে থানাকে অবহিত করি বর্তমানে তাঁর হাঁকাবকা ও প্রতিনিয়ত হুমকির কারণে এলাকার সাধারণ ও নিরীহ মানুষজন চরম উৎকণ্ঠতায় দিনাতিপাত করছে।
তার এই সমস্ত হিংসাত্বক ও ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সজাগ দৃষ্টি রেখে আসন্ন ৭ই ফেব্রুয়ারী একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনের জোরালাে ভূমিকা প্রত্যাশা করছি। একইসাথে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম চৌধূরী, তৌফিকুল ইসলাম চৌধূরী, আসলাম উদ্দীন, সামসুল ইসলাম ,শওকত ওসমান চৌধূরী, মোঃ সাইফুদ্দীন, মোঃ এমদাদউল্লা, লোকমান হাকিম,মহসিন চৌধূরী, আবদুল কুদ্দুস চৌধূরী, আরফাত হোসেন, এডভোকেট রিয়াদ চৌধূরী, এডভোকেট খোকন, আবদুল মোমিন, আবদুল মন্নানসহ বাজালিয়া ইউনিয়নের শতাধিক প্রবীন গ্রামবাসি।