হাটহাজারী প্রতিনিধি: ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে সরকার। বিপুল ঋণের বোঝা নিয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলেও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম থেকে একচুলও সরে আসেনি। প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একের পর এক সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

আজ বুধবার(১৭ জুন) হাটহাজারী উপজেলার গুমান মর্দন ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে বোতাম চেপে হাটহাজারী গুমান মর্দন ইউনিয়নের উপকারভোগীগণকে ফ্যামিলি কার্ডের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু দালান-কোঠা, রাস্তা-ঘাট কিংবা অবকাঠামো নির্মাণ করলেই একটি দেশ উন্নত হয় না। দেশের সুবিধাবঞ্চিত, নিম্নআয়ের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। সেই লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিতসহ ধর্মীয় ব্যক্তির ভাতা, ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া সম্মানী এবং বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস, বাংলাদেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসতে হবে। এই মূলধারায় নিয়ে আসতে সরকার মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের যে স্বপ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া লালন করেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে। আমরা সবাই মিলে কাজ করব, দেশ গড়ব, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নিজেদের নিয়োজিত রাখব।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ – উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ – উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক আল আমিন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

হাটহাজারী প্রতিনিধি: ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে সরকার। বিপুল ঋণের বোঝা নিয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলেও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম থেকে একচুলও সরে আসেনি। প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের চাপ থাকা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একের পর এক সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

আজ বুধবার(১৭ জুন) হাটহাজারী উপজেলার গুমান মর্দন ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে বোতাম চেপে হাটহাজারী গুমান মর্দন ইউনিয়নের উপকারভোগীগণকে ফ্যামিলি কার্ডের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু দালান-কোঠা, রাস্তা-ঘাট কিংবা অবকাঠামো নির্মাণ করলেই একটি দেশ উন্নত হয় না। দেশের সুবিধাবঞ্চিত, নিম্নআয়ের ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। সেই লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিতসহ ধর্মীয় ব্যক্তির ভাতা, ক্রীড়াবিদদের ক্রীড়া সম্মানী এবং বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বাস, বাংলাদেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসতে হবে। এই মূলধারায় নিয়ে আসতে সরকার মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের যে স্বপ্ন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া লালন করেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আরো এগিয়ে যাবে। আমরা সবাই মিলে কাজ করব, দেশ গড়ব, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নিজেদের নিয়োজিত রাখব।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ – উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ – উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক আল আমিন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সুবিধাবঞ্চিত নারী, শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।