দি ক্রাইম ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার জাতীয় পার্টিকে সারা দেশের ২৬টি আসন ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আসনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং বোয়ালখালী আসন দুটিও রয়েছে।

জাতীয় পার্টির সাথে জোটগতভাবে নির্বাচনের জন্য আসন সমঝোতা হওয়ার পর ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত নির্বাচন কমিশন সচিব বরাবরে এক চিঠির মাধ্যমে জাতীয় পার্টিকে যেসব আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে সেই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি অবহিত করা হয়। এই চিঠির মাধ্যমে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং বোয়ালখালী আসনসহ সারা দেশের ২৬টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার হয়ে যায়। এর আগে চট্টগ্রাম–৫ (হাটহাজারী) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালামকে। অপরদিকে চট্টগ্রাম–৮ আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদকে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কমিশনে দেয়া এক চিঠির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ২৬ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এতে কপাল পুড়েছে চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমএ সালাম ও চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী) আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদের।

হাটহাজারীতে এবারও এম এ সালামের স্থলে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবং এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে। অপরদিকে চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে নোমান আল মাহমুদের স্থলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠকে সমর্থন দেয়া হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম–৫ (হাটহাজারী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম এ সালামের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হলেও এই আসনে আওয়ামী লীগের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচনী মাঠে রয়ে গেছেন। শেষ মুহূর্তে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি) চাপে পড়তে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাজান চৌধুরীর।

এদিকে চট্টগ্রাম–৮ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নোমান আল মাহমুদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হলেও এই আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। আবদুচ ছালামের পাশাপাশি এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং আ জ ম নাছিরের উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী বিজয় কিষাণ চৌধুরী।

দি ক্রাইম ডেস্ক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার জাতীয় পার্টিকে সারা দেশের ২৬টি আসন ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আসনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং বোয়ালখালী আসন দুটিও রয়েছে।

জাতীয় পার্টির সাথে জোটগতভাবে নির্বাচনের জন্য আসন সমঝোতা হওয়ার পর ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত নির্বাচন কমিশন সচিব বরাবরে এক চিঠির মাধ্যমে জাতীয় পার্টিকে যেসব আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে সেই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি অবহিত করা হয়। এই চিঠির মাধ্যমে চট্টগ্রামের হাটহাজারী এবং বোয়ালখালী আসনসহ সারা দেশের ২৬টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার হয়ে যায়। এর আগে চট্টগ্রাম–৫ (হাটহাজারী) আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালামকে। অপরদিকে চট্টগ্রাম–৮ আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন দিয়েছিল এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদকে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কমিশনে দেয়া এক চিঠির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ২৬ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এতে কপাল পুড়েছে চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এমএ সালাম ও চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী) আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদের।

হাটহাজারীতে এবারও এম এ সালামের স্থলে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন জানানো হয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এবং এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে। অপরদিকে চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে নোমান আল মাহমুদের স্থলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠকে সমর্থন দেয়া হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম–৫ (হাটহাজারী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম এ সালামের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হলেও এই আসনে আওয়ামী লীগের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী নির্বাচনী মাঠে রয়ে গেছেন। শেষ মুহূর্তে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি) চাপে পড়তে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাজান চৌধুরীর।

এদিকে চট্টগ্রাম–৮ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নোমান আল মাহমুদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হলেও এই আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। আবদুচ ছালামের পাশাপাশি এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং আ জ ম নাছিরের উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী বিজয় কিষাণ চৌধুরী।