চন্দনাইশ প্রতিনিধি: চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ৯নং ওয়ার্ডের ৪১নং লট এলাহাবাদ পুটিছড়ি ফার্ম এলাকার নিরহ মানুষ মাদকসেবী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, লম্পট, নারী লোভী হারুনুর মোহাম্মদ মাসুদ (৩৫) গং এর বিরুদ্ধে গত সোমবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকালে দোহাজারী পৌরসভা সদরের কুটুমবাড়ি রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে বুলবুল আক্তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

তিনি বলেন, হাশিমপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর হাশিমপুর ছৈয়দাবাদ এলাকার হারুনুর মোহাম্মদ মাসুদ (৩৫), একজন মাদকসেবী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, লম্পট, নারী লোভী লোক হয়। পক্ষান্তরে আমরা কাঞ্চনাবাদ ৯নং ওয়ার্ডের ৪১নং লট এলাহাবাদ পুটিছড়ি ফার্ম এলাকার নিরহ মানুষ হই। দীর্ঘ ৭/৮ বছর যাবত উক্ত এলাকার শতাধিক অভাবগ্রস্থ পরিবার মাদকসেবী মাসুদের নির্যাতন, মারধর, মহিলাদের উত্তাক্তসহ নানা নির্যাতনের স্বীকার হয়ে আসছি। দীর্ঘ ২ বছর যাবত মাদক সম্রাট মাসুদ ৪১ নং লট এলাহাবাদ পুটিফার্ম এলাকার বুলবুল আক্তার (২১)কে নানা সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কু-প্রস্তাবে বুলবুল আক্তার রাজি না হওয়ার প্রেক্ষিতে বুলবুল আক্তারের স্বামীকে মাসুদ বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিলে গত দেড় বছর যাবত বুলবুল আকতারের স্বামী বাড়ীতে মাসুদের ভয়ে আসছেন না। এদিকে বুলুবুল আক্তার ১কন্যা নিয়ে দিনমজুরী কাজ করে সুখে-দুঃখে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু মাসুদ নানা সময় মদ খেয়ে তার বাড়ীতে গিয়ে উক্তাক্ত করে আসছেন।

বুলবুল আক্তার লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় ধারালো ছুরি নিয়ে মদ খেয়ে আমার বাড়ীতে গিয়ে আমাকে ডাকাডাকি করে ঘরের দরজা ভেঙ্গে তুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে এলাকার মানুষের প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যায়। সম্প্রতি মুজিব (৪৪), পিতা-শরীফ আলীর জায়গা ক্রয়-বিক্রয় করতে গেলে মাসুদ মুজিবের কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা না দিলে ৮ গন্ডা জায়গা বিভিন্ন প্রজাতির ২ লাখ টাকার গাছসহ দখল করে নেয় মাসুদ। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিলে কাজ হয়নি। একই সাথে বিধবা শামসুর নাহার ১টি ছেলে ১টি মেয়ে নিয়ে বসবাস করছেন সেখানে গিয়ে মাসুদ ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। দাবীকৃত টাকার ২০ হাজার টাকা দেওয়ার পর বাকী ২০ হাজার টাকা দিতে না পারায় তার বাড়ীতে গিয়ে হুমকি ও নির্যাতন চালালে শামসুর নাহার বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়।

তিনি আরো জানান, গত ৩০ নভেম্বর নিজের বাড়ীতে মোঃ শাহাজাহান ফজরের নামাজ পড়তে জায়নামাজে দাঁড়ালে সেখান থেকে মদ খেয়ে মাতলামী করে নামাজ থেকে বাহিরে নিয়ে গিয়ে মারধরের চেষ্টা করে। এছাড়া এলাকার মানুষকে পাহাড়ারে মাটি কাটাসহ বিভিন্ন কাজে নিয়ে গিয়ে তাদের টাকা দেন না । টাকা চাইলে তাদের বাড়ীতে গিয়ে মারধর ও হুমকি-ধুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া মাসুদ, চাঁদাবাজ,সন্ত্রাস, নারীদের উত্তাক্তসহ নানা অপরাধের কাজ করে গেলে পুলিশ কোন ভুমিকা নিচ্ছে না। এ নিয়ে এলাকার মানুষ থানায় অভিযোগ দিলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। তাছাড়া নির্বিচারের দিনের পর দিন পাহাড় কেটে ইটভাটায় সরবরাহ করলেও তার বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না। মাসুদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ট হয়ে কোথাও বিচার না পেয়ে এলাকাবাসী নিরুপায় হয়ে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।

এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চান মিয়া, তৈয়ব আলী, আলী হোসেন, নুরুল আলম, মুজিবুর রহমান, ইসলাম মিয়া, বজল আহমদ, রহিমা বেগম, বুলবুল আক্তার, রুবি আক্তার প্রমুখ।

চন্দনাইশ প্রতিনিধি: চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ৯নং ওয়ার্ডের ৪১নং লট এলাহাবাদ পুটিছড়ি ফার্ম এলাকার নিরহ মানুষ মাদকসেবী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, লম্পট, নারী লোভী হারুনুর মোহাম্মদ মাসুদ (৩৫) গং এর বিরুদ্ধে গত সোমবার (০৪ ডিসেম্বর) বিকালে দোহাজারী পৌরসভা সদরের কুটুমবাড়ি রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে বুলবুল আক্তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

তিনি বলেন, হাশিমপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর হাশিমপুর ছৈয়দাবাদ এলাকার হারুনুর মোহাম্মদ মাসুদ (৩৫), একজন মাদকসেবী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, লম্পট, নারী লোভী লোক হয়। পক্ষান্তরে আমরা কাঞ্চনাবাদ ৯নং ওয়ার্ডের ৪১নং লট এলাহাবাদ পুটিছড়ি ফার্ম এলাকার নিরহ মানুষ হই। দীর্ঘ ৭/৮ বছর যাবত উক্ত এলাকার শতাধিক অভাবগ্রস্থ পরিবার মাদকসেবী মাসুদের নির্যাতন, মারধর, মহিলাদের উত্তাক্তসহ নানা নির্যাতনের স্বীকার হয়ে আসছি। দীর্ঘ ২ বছর যাবত মাদক সম্রাট মাসুদ ৪১ নং লট এলাহাবাদ পুটিফার্ম এলাকার বুলবুল আক্তার (২১)কে নানা সময় কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কু-প্রস্তাবে বুলবুল আক্তার রাজি না হওয়ার প্রেক্ষিতে বুলবুল আক্তারের স্বামীকে মাসুদ বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দিলে গত দেড় বছর যাবত বুলবুল আকতারের স্বামী বাড়ীতে মাসুদের ভয়ে আসছেন না। এদিকে বুলুবুল আক্তার ১কন্যা নিয়ে দিনমজুরী কাজ করে সুখে-দুঃখে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু মাসুদ নানা সময় মদ খেয়ে তার বাড়ীতে গিয়ে উক্তাক্ত করে আসছেন।

বুলবুল আক্তার লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় ধারালো ছুরি নিয়ে মদ খেয়ে আমার বাড়ীতে গিয়ে আমাকে ডাকাডাকি করে ঘরের দরজা ভেঙ্গে তুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে এলাকার মানুষের প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে যায়। সম্প্রতি মুজিব (৪৪), পিতা-শরীফ আলীর জায়গা ক্রয়-বিক্রয় করতে গেলে মাসুদ মুজিবের কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা না দিলে ৮ গন্ডা জায়গা বিভিন্ন প্রজাতির ২ লাখ টাকার গাছসহ দখল করে নেয় মাসুদ। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিলে কাজ হয়নি। একই সাথে বিধবা শামসুর নাহার ১টি ছেলে ১টি মেয়ে নিয়ে বসবাস করছেন সেখানে গিয়ে মাসুদ ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। দাবীকৃত টাকার ২০ হাজার টাকা দেওয়ার পর বাকী ২০ হাজার টাকা দিতে না পারায় তার বাড়ীতে গিয়ে হুমকি ও নির্যাতন চালালে শামসুর নাহার বাড়ী ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়।

তিনি আরো জানান, গত ৩০ নভেম্বর নিজের বাড়ীতে মোঃ শাহাজাহান ফজরের নামাজ পড়তে জায়নামাজে দাঁড়ালে সেখান থেকে মদ খেয়ে মাতলামী করে নামাজ থেকে বাহিরে নিয়ে গিয়ে মারধরের চেষ্টা করে। এছাড়া এলাকার মানুষকে পাহাড়ারে মাটি কাটাসহ বিভিন্ন কাজে নিয়ে গিয়ে তাদের টাকা দেন না । টাকা চাইলে তাদের বাড়ীতে গিয়ে মারধর ও হুমকি-ধুমকি দিচ্ছেন। এছাড়া মাসুদ, চাঁদাবাজ,সন্ত্রাস, নারীদের উত্তাক্তসহ নানা অপরাধের কাজ করে গেলে পুলিশ কোন ভুমিকা নিচ্ছে না। এ নিয়ে এলাকার মানুষ থানায় অভিযোগ দিলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। তাছাড়া নির্বিচারের দিনের পর দিন পাহাড় কেটে ইটভাটায় সরবরাহ করলেও তার বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না। মাসুদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ট হয়ে কোথাও বিচার না পেয়ে এলাকাবাসী নিরুপায় হয়ে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।

এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চান মিয়া, তৈয়ব আলী, আলী হোসেন, নুরুল আলম, মুজিবুর রহমান, ইসলাম মিয়া, বজল আহমদ, রহিমা বেগম, বুলবুল আক্তার, রুবি আক্তার প্রমুখ।