পেকুয়া প্রতিনিধি: কক্সবাজার জেলার চকরিয়া-পেকুয়ার সীমান্ত এলাকার একটি নির্জনস্থানে দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি ধারালো ছুরিকাঘাতে মোঃ জিহাদ (১৮) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে স্থানীয়রা আটকের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (০১ডিসেম্বর) রাত ৮ দিকে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার সীমান্ত কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনার পশ্চিমে বাঘগুজারা এলাকার নির্জন স্থানে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর জিহাদ পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. বাচ্চুর ছেলে।

এদিকে স্থানীয় জনতা কর্তৃক আটককৃত সন্দেহভাজন যুবকের নাম মো. সোহান (২৫)। তিনি কোনাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়া গ্রামের দলিলুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ড়ের নারী সদস্য বকুল আকতার জানান- ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে আটককৃত সোহান পেশায় ইজিবাইক (টমটম) চালক।

চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত বিষয়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয় জনতা সোহান নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশে দিয়েছে।

ওসি আরো জানান- ছুরিকাহত জিহাদকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পেকুয়া প্রতিনিধি: কক্সবাজার জেলার চকরিয়া-পেকুয়ার সীমান্ত এলাকার একটি নির্জনস্থানে দুর্বৃত্তদের উপর্যুপরি ধারালো ছুরিকাঘাতে মোঃ জিহাদ (১৮) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে স্থানীয়রা আটকের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (০১ডিসেম্বর) রাত ৮ দিকে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার সীমান্ত কোনাখালী ইউনিয়নের মরংঘোনার পশ্চিমে বাঘগুজারা এলাকার নির্জন স্থানে এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোর জিহাদ পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মো. বাচ্চুর ছেলে।

এদিকে স্থানীয় জনতা কর্তৃক আটককৃত সন্দেহভাজন যুবকের নাম মো. সোহান (২৫)। তিনি কোনাখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়া গ্রামের দলিলুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ড়ের নারী সদস্য বকুল আকতার জানান- ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে আটককৃত সোহান পেশায় ইজিবাইক (টমটম) চালক।

চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত বিষয়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্থানীয় জনতা সোহান নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশে দিয়েছে।

ওসি আরো জানান- ছুরিকাহত জিহাদকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।