সাতকানিয়া প্রতিনিধি: বাজালিয়া আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য, বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক এবং বাজালিয়ার গণমানুষের নেতা জননেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ চৌধুরীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (০১ ডিসেম্বর)দুপুরে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণকারী আবদু শুক্কুর ছোটবেলায় সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জন্মগ্রহন করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস শুরু করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম নগরীর শুলকবহর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিল। ইউনিয়ন নির্বাচনের দিন চেয়ারম্যান তাপস দত্তের পক্ষ হয়ে শতাধিক ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে ব্যালেট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বাজালিয়া ইউনিয়নে আসেন বলে দেশের একটি প্রথম শ্রেণির পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

গত মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাতে ওই প্রভাবশালী আ’লীগ নেতার ইন্ধনে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাসা হতে এলিট ফোর্স তাকে গ্রেফতার করে সাতকানীয়া পুলিশের নিকট সোপার্দ করে। সাতকানীয়া পুলিশ পরের দিন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের নিকট তাকে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে আছে।

সুত্রে জানা গেছে, সাতকানিয়ায় অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে সহিংস ঘটনা চলাকালে নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান তাপস দত্তের ভাড়াট্যা সন্ত্রাসী আব্দুর শুক্কুর স্টোক করে বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পিছনের রাস্তায় মৃত্যুবরণ করেন। যা চমেক হাসপাতালের ফরেনসিক রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনায় তৎসময়ে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক, বাজালিয়ার গণমানুষের নেতা জননেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ চৌধুরীকে ১নং বিবাদী করে আরো সরকারী কর্মচারীসহ ১০/১৫ জন স্থানীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে জনৈক প্রভাবশালী আ’লীগ নেতার প্ররোচনায় সাতকানিয়া থানায় মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই সময়ে অপরাপর নেতাকর্মী নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেলেও জননেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পন করেনি।

সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন শহিদুল্লাহ চৌধুরীর সাংবাদিক সম্মেলন

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/news/5920/

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন স্বাধীনতা পরবর্তী শহিদুল্লাহ চৌধুরীর পিতা বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৮৭ সালে শহীদুল্লাহ চৌধুরী বাজালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম।

বিক্ষোভ মিছিলে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, ইউপি সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি মো.ইসহাক, ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলেমান বাঁশি, আওয়ামীলীগ নেতা নুর মোহাম্মদ যুবলীগ নেতা মো. হেলাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের গণ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদ হোসেন শাব্বির, বাজালিয়া কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, মো. সাকিব, আরাফাত হোসেনসহ বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

সাতকানিয়া প্রতিনিধি: বাজালিয়া আওয়ামী পরিবারের অভিভাবক, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য, বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক এবং বাজালিয়ার গণমানুষের নেতা জননেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ চৌধুরীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (০১ ডিসেম্বর)দুপুরে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণকারী আবদু শুক্কুর ছোটবেলায় সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জন্মগ্রহন করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস শুরু করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রাম নগরীর শুলকবহর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিল। ইউনিয়ন নির্বাচনের দিন চেয়ারম্যান তাপস দত্তের পক্ষ হয়ে শতাধিক ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে ব্যালেট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বাজালিয়া ইউনিয়নে আসেন বলে দেশের একটি প্রথম শ্রেণির পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

গত মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাতে ওই প্রভাবশালী আ’লীগ নেতার ইন্ধনে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাসা হতে এলিট ফোর্স তাকে গ্রেফতার করে সাতকানীয়া পুলিশের নিকট সোপার্দ করে। সাতকানীয়া পুলিশ পরের দিন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের নিকট তাকে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে আছে।

সুত্রে জানা গেছে, সাতকানিয়ায় অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে সহিংস ঘটনা চলাকালে নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান তাপস দত্তের ভাড়াট্যা সন্ত্রাসী আব্দুর শুক্কুর স্টোক করে বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পিছনের রাস্তায় মৃত্যুবরণ করেন। যা চমেক হাসপাতালের ফরেনসিক রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনায় তৎসময়ে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক, বাজালিয়ার গণমানুষের নেতা জননেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ চৌধুরীকে ১নং বিবাদী করে আরো সরকারী কর্মচারীসহ ১০/১৫ জন স্থানীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে জনৈক প্রভাবশালী আ’লীগ নেতার প্ররোচনায় সাতকানিয়া থানায় মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই সময়ে অপরাপর নেতাকর্মী নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেলেও জননেতা মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ্ চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পন করেনি।

সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী লায়ন শহিদুল্লাহ চৌধুরীর সাংবাদিক সম্মেলন

আরো পড়ুনঃ https://thecrimebd.net/news/5920/

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন স্বাধীনতা পরবর্তী শহিদুল্লাহ চৌধুরীর পিতা বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৮৭ সালে শহীদুল্লাহ চৌধুরী বাজালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম।

বিক্ষোভ মিছিলে বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, ইউপি সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি মো.ইসহাক, ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোলেমান বাঁশি, আওয়ামীলীগ নেতা নুর মোহাম্মদ যুবলীগ নেতা মো. হেলাল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের গণ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদ হোসেন শাব্বির, বাজালিয়া কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, মো. সাকিব, আরাফাত হোসেনসহ বাজালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।