লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া: নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াত ও জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় মাদ্রাসার শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে স্বয়ং মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুচ্ছাফা বি.কম নিজেই।

অভিযোগে উল্লেখ করেন, কক্সাবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে। তিনি দীর্ঘদিন পূর্বে আলী আকবর ডেইল দাখিল মাদ্রাসা অফিস সহকারি হিসেবে নিয়োগ হয়ে চাকুরী করেন। তৎমধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানে সহকারি মৌলভীর পদটি শুন্য হওয়ায় সুকৌশলে অফিস সহকারীর পদ হতে সহকারি মৌলভী পদে নিয়োগ নিয়ে নেন। এরপর থেকে সে মাদ্রাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াত ও জঙ্গির প্রচার প্রচারনা চালিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পরিবেশ বিনষ্ট করে আসছে।

তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বিগত ২০১৩ সনে দেলোয়ার হোছাইন সাইদীর আদালত হতে প্রাপ্ত সাজাকে কেন্দ্র করে জঙ্গী বাহিনী নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে হামলা ও অগ্নিসংযোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।ঐ সময় আইনশৃংখলা বাহিনী কুতুবদিয়া থানায় পৃথক পৃথক দুইটি মামলা করে যার নং জি.আর ২৪/১৩ ও জি.আর ২৫/১৩। এ দুই মামলায় আসামী হয়ে কারা ভোগ করেন। অদ্যবদি পর্যন্ত আদালতে মামলা দু’টি চলমান রয়েছে। এছাড়াও ১৯৯১ সনে ভারতের বাবরি মসজিদ নিয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামার সময় এ মৌলভী নাছিরের বিরুদ্ধে পূর্ব আলী আকবর ডেইল জেলে পাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ৩০টি ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে এবং তার বিরুদ্ধে মালামাল লুটপাট, নারীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি এসব কাজে জড়িত থাকায় নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। যার ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় চরম ক্ষতি হচ্ছে। তার এহেন কার্যকলাপে সম্পূর্ণ মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বিধায় মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নিজেই তার বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সহকারি মৌলভী নাছির উদ্দিনের সাথে মুঠোফোন কথা হলে তিনি জানান,গত ১৯৯৭ সনে আলী আকবর ডেইল দাখিল মাদ্রাসায় অফিস সহকারী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৯৯ সন পর্যন্ত চাকুরী করেন। ১৯৯৯ সনে একই মাদ্রাসায় সহকারি মৌলভী পদে নিয়োগ দিলে নিয়োগ বোর্ডে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ২০০৫ সনে মাদ্রাসায় সহ সুপার পদ শুন্য হলে কতৃপক্ষ বিগত ১৫ বছর ধরে নিয়োগ দিচ্ছে না।শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের চাপের মুখে সহ-সুপার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলে সে ঐ পদে আবেদন করেন। কুতুবদিয়া থানার জি.আর মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী আছে বলে নিজে স্বীকার করেন।

লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া: নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াত ও জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় মাদ্রাসার শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে স্বয়ং মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুচ্ছাফা বি.কম নিজেই।

অভিযোগে উল্লেখ করেন, কক্সাবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল দাখিল মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে। তিনি দীর্ঘদিন পূর্বে আলী আকবর ডেইল দাখিল মাদ্রাসা অফিস সহকারি হিসেবে নিয়োগ হয়ে চাকুরী করেন। তৎমধ্যে অত্র প্রতিষ্ঠানে সহকারি মৌলভীর পদটি শুন্য হওয়ায় সুকৌশলে অফিস সহকারীর পদ হতে সহকারি মৌলভী পদে নিয়োগ নিয়ে নেন। এরপর থেকে সে মাদ্রাসায় নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াত ও জঙ্গির প্রচার প্রচারনা চালিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পরিবেশ বিনষ্ট করে আসছে।

তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বিগত ২০১৩ সনে দেলোয়ার হোছাইন সাইদীর আদালত হতে প্রাপ্ত সাজাকে কেন্দ্র করে জঙ্গী বাহিনী নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে হামলা ও অগ্নিসংযোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন।ঐ সময় আইনশৃংখলা বাহিনী কুতুবদিয়া থানায় পৃথক পৃথক দুইটি মামলা করে যার নং জি.আর ২৪/১৩ ও জি.আর ২৫/১৩। এ দুই মামলায় আসামী হয়ে কারা ভোগ করেন। অদ্যবদি পর্যন্ত আদালতে মামলা দু’টি চলমান রয়েছে। এছাড়াও ১৯৯১ সনে ভারতের বাবরি মসজিদ নিয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামার সময় এ মৌলভী নাছিরের বিরুদ্ধে পূর্ব আলী আকবর ডেইল জেলে পাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ৩০টি ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে এবং তার বিরুদ্ধে মালামাল লুটপাট, নারীর শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ রয়েছে। তিনি এসব কাজে জড়িত থাকায় নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। যার ফলে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় চরম ক্ষতি হচ্ছে। তার এহেন কার্যকলাপে সম্পূর্ণ মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে বিধায় মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নিজেই তার বিরুদ্ধে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সহকারি মৌলভী নাছির উদ্দিনের সাথে মুঠোফোন কথা হলে তিনি জানান,গত ১৯৯৭ সনে আলী আকবর ডেইল দাখিল মাদ্রাসায় অফিস সহকারী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৯৯ সন পর্যন্ত চাকুরী করেন। ১৯৯৯ সনে একই মাদ্রাসায় সহকারি মৌলভী পদে নিয়োগ দিলে নিয়োগ বোর্ডে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। ২০০৫ সনে মাদ্রাসায় সহ সুপার পদ শুন্য হলে কতৃপক্ষ বিগত ১৫ বছর ধরে নিয়োগ দিচ্ছে না।শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের চাপের মুখে সহ-সুপার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলে সে ঐ পদে আবেদন করেন। কুতুবদিয়া থানার জি.আর মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী আছে বলে নিজে স্বীকার করেন।