পেকুয়া প্রতিনিধি: কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাঠে নামতে শুরু করেছেন লবণচাষিরা। প্রখর সূর্যের তাপের মধ্যেও শত শত লবণচাষি মাঠে কাজ করছেন। এবার লবণের দাম ভালো থাকায় তারা উৎসাহ ও আগ্রহ নিয়ে মাঠে নেমেছেন। সরেজমিনে রাজাখালী ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া গ্রামে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এ সময় তারা লবণ আমদানি না করার দাবি জানান।

জানা যায়, পেকুয়ায় চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন করার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে উজানটিয়া, মগনামা, রাজাখালী ও পেকুয়া সদরের কিছু অংশ উত্পাদন করে থাকে প্রায় ৭ হাজার লবণচাষি। ঐ লবণচাষিরা ইতিমধ্যে মাঠ পরিচর্যার কাজ শুরু করে দিয়েছে। রাজাখালী ইউনিয়নের লবণচাষি আনোয়ার হোসাইন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে নতুন লবণ উৎপাদিত হবে। লবণচাষি জহির উদ্দিন জানান, উপজেলায় দুই পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদিত হয়ে থাকে। এরই মধ্যে একটি সনাতন পদ্ধতি, অন্যটি পলিথিনের মাধ্যমে সাদা লবণ উৎপাদন।

বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ৪৫০-৫০০ টাকা মণ দরে লবণ বিক্রি করা হচ্ছে। পেকুয়া উপজেলা লবণচাষি সমিতির সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা জানান, চাষিদের পলিথিন পদ্ধতিতে লবণ চাষ করার জন্য আরো উৎসাহিত করতে পারলে আগামী লবণ মৌসুমে উৎপাদনের মাত্রা বেড়ে যাবে। দেশে লবণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। তিনি বিদেশ থেকে লবণ আমদানি না করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। বিসিক সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আবহাওয়া ও পরিবেশ ভালো থাকলে এ টার্গেট আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

পেকুয়া প্রতিনিধি: কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাঠে নামতে শুরু করেছেন লবণচাষিরা। প্রখর সূর্যের তাপের মধ্যেও শত শত লবণচাষি মাঠে কাজ করছেন। এবার লবণের দাম ভালো থাকায় তারা উৎসাহ ও আগ্রহ নিয়ে মাঠে নেমেছেন। সরেজমিনে রাজাখালী ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া গ্রামে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। এ সময় তারা লবণ আমদানি না করার দাবি জানান।

জানা যায়, পেকুয়ায় চলতি মৌসুমে প্রায় ১২ হাজার একর জমিতে লবণ উৎপাদন করার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে উজানটিয়া, মগনামা, রাজাখালী ও পেকুয়া সদরের কিছু অংশ উত্পাদন করে থাকে প্রায় ৭ হাজার লবণচাষি। ঐ লবণচাষিরা ইতিমধ্যে মাঠ পরিচর্যার কাজ শুরু করে দিয়েছে। রাজাখালী ইউনিয়নের লবণচাষি আনোয়ার হোসাইন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে নতুন লবণ উৎপাদিত হবে। লবণচাষি জহির উদ্দিন জানান, উপজেলায় দুই পদ্ধতিতে লবণ উৎপাদিত হয়ে থাকে। এরই মধ্যে একটি সনাতন পদ্ধতি, অন্যটি পলিথিনের মাধ্যমে সাদা লবণ উৎপাদন।

বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ৪৫০-৫০০ টাকা মণ দরে লবণ বিক্রি করা হচ্ছে। পেকুয়া উপজেলা লবণচাষি সমিতির সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা জানান, চাষিদের পলিথিন পদ্ধতিতে লবণ চাষ করার জন্য আরো উৎসাহিত করতে পারলে আগামী লবণ মৌসুমে উৎপাদনের মাত্রা বেড়ে যাবে। দেশে লবণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। তিনি বিদেশ থেকে লবণ আমদানি না করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। বিসিক সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আবহাওয়া ও পরিবেশ ভালো থাকলে এ টার্গেট আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।