চন্দনাইশ প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট ও জনবল সংকটের কথা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর জনবল ও চিকিৎসক সংকটের কথা বাদ দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ক্ষিপ্ত হয়ে দোহাজারী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.আবু তৈয়বকে গত ১০ জানুয়ারি স্ট্র্যান্ড রিলিজ করে দেয়।

যার কারণে বর্তমানে হাসপাতালে কর্মরত আছেন মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ইছহাক ও দন্ত চিকিসক আসিকুল ইসলাম। চন্দনাইশ হাসপাতাল থেকে মাঝে মধ্যে ডেপুটেশনে একেক দিন এক এক জন ডাক্তার পাঠানো হয়। যার কারণে দূর-দুরান্ত থেকে আসা রোগীদেরকে স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে সরকার নিত্য নতুন যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার কারণে সাধারণ মানুষ সেই স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাবেক পটিয়া থানা বর্তমানে চন্দনাইশ থানায় সর্ব প্রথম ১৯৬৫ সালে নির্মিত হয় দোহাজারী হাসপাতাল। সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদারকির অভাব ও অনিয়মের কারণে বর্তমানে স্বাস্থ্য সেবায় বিঘœ ঘটছে। নামমাত্র ৩১শয্যা হাসপাতাল থাকলেও দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ১০ শয্যা হাসপাতালের কার্যক্রম চলছে।

কথায় বলে কাজীর গরু খেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। যুদ্ধাকালীন সময়ে কালুঘাট ব্রীজ এলাকায় পাক বাহিনীর সাথে ইপি-আর বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধে আহতদেরকে এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হতো। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ঘেঁষে দোহাজারী হাসপাতালে গড়ে উঠায় প্রতিদিন বহিঃবিভাগে প্রায় ৩০০শ রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। এছাড়া সড়ক দূৃর্ঘটনায় আহত লোকজনকে এ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎিসা সেবা দেয়া হয়।

গত ১৯ জানুয়ারি বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় দোহাজারী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় নারী পুরুষ রোগী দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় নেই কোন চিকিৎসক। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ভাবে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াছ চৌধুরীকে জানালে তিনি কয়েকদিনের মধ্যে চিকিৎসক পাঠাবেন বলে জানান।

দোহাজারী হাসপাতালটি বর্তমানে পাঠার বলিতে পরিণত হয়েছে। অবস্থা দৃষ্টে তেমনই মনে হচ্ছে। সাইনবোর্ড সরবর্র্স্ব ৩১ শয্যা বিশিষ্ট দোহাজারী হাসপাতালে ৭ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে উপরোক্ত দুইজন ডাক্তার ছাড়া আর কোন ডাক্তার নেই। নেই কোন আর এমও। একজনকে আরএমও’র দায়িত্ব দেওয়া হলেও একদিন এসে আর আসেনি।

মান্দাতা আমলের ১০০ এমএ এক্স-রে মেশিনটি দীর্ঘ চার বছর যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অথচ ২০০এমএ এক্স-রে মেশিন ব্যবহারের কথা। এক্স-রে মেশিন অপারেটরকেও অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে এক্স-রে রুমটি ষ্টোর রুম হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ্যাম্বুলেন্স থাকলেও ড্রাইভারের পদ নেই। আউট সোসিনে একজন ড্রাইভার নিয়োগ দেয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ড্রাইভার গত ২৪ অক্টোবর রোগী নিয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনার পর গ্যারেজে মেরামতের অভাবে পড়ে আছে এ্যাম্বুলেন্সটি।

এখন মূলত একজন ডাক্তার দিয়ে চলছে দোহাজারী ৩১ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। এছাড়া একজন মহিলা চিকিৎসক ও দুইজন সিনিয়র নার্সকেও অন্যত্র বদলি করা হয়। করোনা কালীন সময়ে দুইজন চিকিৎসককে ডেপুটেশনে চট্টগ্রাম নেওয়া হলেও তারা আজো ফিরে আসেনি। অথচ তারা এখনো দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা না দিয়ে বেতন তুলেন।

এ হাসপাতালে ডাক্তার, ফার্মাসিষ্ট, সিনিয়ার নার্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ এখনো শূন্য পড়ে রয়েছে। ৯ জন সিনিয়র নার্সের স্থলে আছে ৪ জন, ৪ জন জুনিয়র নার্স প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে নেই, তৃতীয় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীসহ জনবল সংকট রয়েছে।

চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহীন হাসান চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন দোহাজারী হাসপাতালের জন্য ৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা ২২ জানুয়ারি শনিবার থেকে কাজে যোগদান করবেন।

চন্দনাইশ প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট ও জনবল সংকটের কথা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর জনবল ও চিকিৎসক সংকটের কথা বাদ দিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ক্ষিপ্ত হয়ে দোহাজারী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা.আবু তৈয়বকে গত ১০ জানুয়ারি স্ট্র্যান্ড রিলিজ করে দেয়।

যার কারণে বর্তমানে হাসপাতালে কর্মরত আছেন মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ইছহাক ও দন্ত চিকিসক আসিকুল ইসলাম। চন্দনাইশ হাসপাতাল থেকে মাঝে মধ্যে ডেপুটেশনে একেক দিন এক এক জন ডাক্তার পাঠানো হয়। যার কারণে দূর-দুরান্ত থেকে আসা রোগীদেরকে স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে সরকার নিত্য নতুন যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার কারণে সাধারণ মানুষ সেই স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাবেক পটিয়া থানা বর্তমানে চন্দনাইশ থানায় সর্ব প্রথম ১৯৬৫ সালে নির্মিত হয় দোহাজারী হাসপাতাল। সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদারকির অভাব ও অনিয়মের কারণে বর্তমানে স্বাস্থ্য সেবায় বিঘœ ঘটছে। নামমাত্র ৩১শয্যা হাসপাতাল থাকলেও দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ১০ শয্যা হাসপাতালের কার্যক্রম চলছে।

কথায় বলে কাজীর গরু খেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। যুদ্ধাকালীন সময়ে কালুঘাট ব্রীজ এলাকায় পাক বাহিনীর সাথে ইপি-আর বাহিনীর সম্মুখ যুদ্ধে আহতদেরকে এ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হতো। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ঘেঁষে দোহাজারী হাসপাতালে গড়ে উঠায় প্রতিদিন বহিঃবিভাগে প্রায় ৩০০শ রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। এছাড়া সড়ক দূৃর্ঘটনায় আহত লোকজনকে এ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎিসা সেবা দেয়া হয়।

গত ১৯ জানুয়ারি বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় দোহাজারী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় নারী পুরুষ রোগী দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় নেই কোন চিকিৎসক। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ভাবে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াছ চৌধুরীকে জানালে তিনি কয়েকদিনের মধ্যে চিকিৎসক পাঠাবেন বলে জানান।

দোহাজারী হাসপাতালটি বর্তমানে পাঠার বলিতে পরিণত হয়েছে। অবস্থা দৃষ্টে তেমনই মনে হচ্ছে। সাইনবোর্ড সরবর্র্স্ব ৩১ শয্যা বিশিষ্ট দোহাজারী হাসপাতালে ৭ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে উপরোক্ত দুইজন ডাক্তার ছাড়া আর কোন ডাক্তার নেই। নেই কোন আর এমও। একজনকে আরএমও’র দায়িত্ব দেওয়া হলেও একদিন এসে আর আসেনি।

মান্দাতা আমলের ১০০ এমএ এক্স-রে মেশিনটি দীর্ঘ চার বছর যাবত অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অথচ ২০০এমএ এক্স-রে মেশিন ব্যবহারের কথা। এক্স-রে মেশিন অপারেটরকেও অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে এক্স-রে রুমটি ষ্টোর রুম হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ্যাম্বুলেন্স থাকলেও ড্রাইভারের পদ নেই। আউট সোসিনে একজন ড্রাইভার নিয়োগ দেয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত ড্রাইভার গত ২৪ অক্টোবর রোগী নিয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনার পর গ্যারেজে মেরামতের অভাবে পড়ে আছে এ্যাম্বুলেন্সটি।

এখন মূলত একজন ডাক্তার দিয়ে চলছে দোহাজারী ৩১ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। এছাড়া একজন মহিলা চিকিৎসক ও দুইজন সিনিয়র নার্সকেও অন্যত্র বদলি করা হয়। করোনা কালীন সময়ে দুইজন চিকিৎসককে ডেপুটেশনে চট্টগ্রাম নেওয়া হলেও তারা আজো ফিরে আসেনি। অথচ তারা এখনো দোহাজারী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা না দিয়ে বেতন তুলেন।

এ হাসপাতালে ডাক্তার, ফার্মাসিষ্ট, সিনিয়ার নার্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ এখনো শূন্য পড়ে রয়েছে। ৯ জন সিনিয়র নার্সের স্থলে আছে ৪ জন, ৪ জন জুনিয়র নার্স প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে নেই, তৃতীয় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীসহ জনবল সংকট রয়েছে।

চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহীন হাসান চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন দোহাজারী হাসপাতালের জন্য ৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা ২২ জানুয়ারি শনিবার থেকে কাজে যোগদান করবেন।