নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে। ঢাকার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। গুলশানেরই অন্য একটি স্কুলে ভোট দিয়েছেন বিএনপি-র চেয়ারম্যান তারেক রহমানও। আজ বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারী) সকালে স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে ভোট দেন তিনি।
দেশের সর্বত্রই গোলযোগ, বোমা ফাঁটানো ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে নির্বাচন চলছে। কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অধিকাংশ ভোট কেন্দ্র ভোটার বিহীন দেখা গেছে। তবে নির্বাচনের দিন ভোট বয়কট করেছে শেখ হাসিনার জন্মভূমি গোপালগঞ্জবাসী। ‘প্রথম আলো’ ছাড়াও দেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, গোপালগঞ্জে ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক ভাবে বেশ কম।
প্রসঙ্গত, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বাড়িতে হাসিনার জন্ম। এই এলাকা আওয়ামী লীগের ‘শক্ত ঘাঁটি’ হিসাবেই পরিচিত। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সালের নির্বাচন পর্যন্ত হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। প্রত্যেক বারই তিনি বিজয়ী হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার(১২ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টা নাগাদ ভোট দেন নোবেল লরিয়েন্ট ড. ইউনূস।
ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, “আমার জীবনের মহা আনন্দের দিন এবং বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান, নতুন স্বপ্নের শুরু। সেটাই হল আজকেই এই প্রক্রিয়া। সবাইকে ঈদ মোবারক জানাচ্ছি।”
এছাড়াও আজ বৃহস্পতিবার সকালে সোস্যাল মাধ্যমে একটি পোস্ট করে সকলকে ভোট দেওয়ার আর্জি জানান বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
তিনি লেখেন, “জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ভালবাসায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি-র বিজয় সুনিশ্চিত। আসুন, আমরা সবাই মিলে দেশটাকে গড়ে তুলি”।
আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে,দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত একেবারেই নগন্য। তা সত্বেও নবীন ভোটারগন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে না পারায় তারা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। তবে কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রে উৎসমুখর পরিবেশে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা গেছে। অনেক ভোটার জাল ভোটের কারণে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতেও পারেনি।
ভোটের আগের দিন সন্ধ্যার পর থেকে দেশের অনেক কেন্দ্রে দিনের ভোট রাতে সম্পন্ন হয়েছে।




