বশির আহমেদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: বান্দরবানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোট শুরু এখন ভোটারদের অপেক্ষা।আজ বৃহস্পতিবার(১২ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহন শুরু হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। একই সঙ্গে হবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোট। গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। চারজন প্রার্থীর আসনের নির্বাচন শুরু হয়।

গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বান্দরবান জেলা গুলোতে নির্বাচন মনিটরিং অফিসার সংবাদ তথ্যা দিয়ে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন নির্বাচন অফিসার। তিনি ভোটারসহ সবাইকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ‘অতি প্রতীক্ষিত’ নির্বাচন সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

এদিকে বিএনপির দলের প্রার্থী রাজ পুত্র সাচিং প্রু জেরি সকাল সাড়ে ৭টার সময় বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিতে আসেন।

তিনি বলছেন, আমার ভোট আমি নিজেই উপস্থিত থেকে ভোট দিয়েছি আমি কারও থেকে ভোট চাইবো না জনগণ যাকে ভালোবাসবে তাকে ভোট দিবেন এই প্রত্যাশায় আছি।

হাত পাখা মার্কার আবুল কালাম আজাদ বান্দরবান সদর থানার সামনে শহর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ৮টার সময় ভোট দেন।

তিনি বলছেন, বান্দরবান একটি সম্প্রীতির বান্দরবান। আমি একজন প্রার্থী হয়েছি বলে সবার আমাকে ভোট দিতে হবে তা এমন কথা না যে আমাকে পছন্দ করবে সেই তার ভোট দিবে।

নির্বাচন অফিসার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নির্বাচন সন্তুষ্ট। যে কেন ধরনের ঘটনাগুলো না ঘটলে ভালো হতো। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমরা ভলো অবস্থায় আছি।’

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় দলটির কর্মী–সমর্থকদের সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। অবশ্য গতকাল ইসি বলেছে, তারা আশা করছে, ভোটার টার্ন আউট (ভোট পড়ার হার) ভালো হবে।

আগে আইনে সুযোগ থাকলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট তেমন কার্যকর ছিল না। এবার প্রবাসী, সরকারি কর্মচারী, ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ও কারাগারে থাকা ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আগামীকাল বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে যেসব পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাবে, সেগুলো গণনা করা হবে। এরপর আসা ব্যালটগুলো বাতিল বলে গণ্য হবে।

নির্বাচন অপিসার মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে । এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫০টি দল। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৪জন আসনে মোট প্রার্থী আছেন।

রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং নির্বাচন অফিসার জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি নিশ্চিত করার জন্য ৯০ ভাগের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ যথেষ্ট আছে। এবারের নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিচারক মাজিস্ট্রেটগণ দায়িত্ব পালন করছেন।

ভোট গণনার বিষয়ে নির্বাচন অফিসার বলেন, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রে গণনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথমে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট যুগপৎভাবে একই সময়ে গণনা করা হবে। দু’টি ভোটের ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। ভোটকেন্দ্রে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন অফিসার বলেন, বেশির ভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ভোটের দিন মাঝরাতের মধ্যে চলে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন। পরদিন সকালে সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল একীভূত করে ফরম–১৮–তে লিপিবদ্ধ করে প্রার্থী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সই করবেন। এটার ভিত্তিতে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচনে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে এত ফোর্স, এত ক্যাপাসিটি ডেপ্লয় কখনোই করা হয়নি। তাই নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। এরপরও যদি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে, সেটার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’

বশির আহমেদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: বান্দরবানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ভোট শুরু এখন ভোটারদের অপেক্ষা।আজ বৃহস্পতিবার(১২ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহন শুরু হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। একই সঙ্গে হবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান–সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোট। গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। চারজন প্রার্থীর আসনের নির্বাচন শুরু হয়।

গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বান্দরবান জেলা গুলোতে নির্বাচন মনিটরিং অফিসার সংবাদ তথ্যা দিয়ে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন নির্বাচন অফিসার। তিনি ভোটারসহ সবাইকে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ‘অতি প্রতীক্ষিত’ নির্বাচন সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

এদিকে বিএনপির দলের প্রার্থী রাজ পুত্র সাচিং প্রু জেরি সকাল সাড়ে ৭টার সময় বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিতে আসেন।

তিনি বলছেন, আমার ভোট আমি নিজেই উপস্থিত থেকে ভোট দিয়েছি আমি কারও থেকে ভোট চাইবো না জনগণ যাকে ভালোবাসবে তাকে ভোট দিবেন এই প্রত্যাশায় আছি।

হাত পাখা মার্কার আবুল কালাম আজাদ বান্দরবান সদর থানার সামনে শহর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ৮টার সময় ভোট দেন।

তিনি বলছেন, বান্দরবান একটি সম্প্রীতির বান্দরবান। আমি একজন প্রার্থী হয়েছি বলে সবার আমাকে ভোট দিতে হবে তা এমন কথা না যে আমাকে পছন্দ করবে সেই তার ভোট দিবে।

নির্বাচন অফিসার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নির্বাচন সন্তুষ্ট। যে কেন ধরনের ঘটনাগুলো না ঘটলে ভালো হতো। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমরা ভলো অবস্থায় আছি।’

সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মানুষের মধ্যে উৎসাহ রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় দলটির কর্মী–সমর্থকদের সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। অবশ্য গতকাল ইসি বলেছে, তারা আশা করছে, ভোটার টার্ন আউট (ভোট পড়ার হার) ভালো হবে।

আগে আইনে সুযোগ থাকলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট তেমন কার্যকর ছিল না। এবার প্রবাসী, সরকারি কর্মচারী, ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ও কারাগারে থাকা ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আগামীকাল বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে যেসব পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাবে, সেগুলো গণনা করা হবে। এরপর আসা ব্যালটগুলো বাতিল বলে গণ্য হবে।

নির্বাচন অপিসার মোট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে । এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত আছে। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫০টি দল। ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৪জন আসনে মোট প্রার্থী আছেন।

রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং নির্বাচন অফিসার জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি নিশ্চিত করার জন্য ৯০ ভাগের বেশি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ যথেষ্ট আছে। এবারের নির্বাচনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বিচারক মাজিস্ট্রেটগণ দায়িত্ব পালন করছেন।

ভোট গণনার বিষয়ে নির্বাচন অফিসার বলেন, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রে গণনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রথমে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হবে। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট যুগপৎভাবে একই সময়ে গণনা করা হবে। দু’টি ভোটের ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। ভোটকেন্দ্রে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচন অফিসার বলেন, বেশির ভাগ কেন্দ্রের ফলাফল ভোটের দিন মাঝরাতের মধ্যে চলে আসবে বলে তাঁরা আশা করছেন। পরদিন সকালে সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল একীভূত করে ফরম–১৮–তে লিপিবদ্ধ করে প্রার্থী বা এজেন্টের উপস্থিতিতে রিটার্নিং কর্মকর্তারা সই করবেন। এটার ভিত্তিতে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচনে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে এত ফোর্স, এত ক্যাপাসিটি ডেপ্লয় কখনোই করা হয়নি। তাই নির্বাচনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। এরপরও যদি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে, সেটার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’