ঢাকা ব্যুরো: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েখ ম্যাক্রোঁ। গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। আজ মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জি- ২০ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উন্নয়ন যাত্রায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাশিয়ার সাথে সমঝোতা চুক্তি থাকলেও প্রথম স্যাটিলাইটে ভালো সেবা মিলেছে বলে দ্বিতীয়টি করতে একই উৎস বেছে নেয়া হলো। জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলেছে ফ্রান্সের কাছে।

তিনি বলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষতি মোকাবিলায় ১০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কবে দেবে সেটি আমাদের ওপর নির্ভর করছে। তিনি সুন্দরবনে যথেষ্ট উৎসাহ দেখিয়েছেন।’

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। কারণ, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তারা আগামীতে বাংলাদেশসহ অন্যান্য ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলোর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক করতে চান।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে খুব ভালো করছে এবং এটি হচ্ছে ১৭ কোটি মানুষের বাজার। ফ্রান্স এ কারণে আমাদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চাইছে।

তিনি জানান, জি-২০তে এ বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স সোলাইমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদেশের পথ চলায় সব সময় সাহায্য-সহযোগিতা করবে তার দেশ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দ্বি পাক্ষিক বৈকঠকে অন্যান্য ইস্যুর মতই তিস্তা ইস্যু আলাপ হয়েছে। এ সংকটও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাধান হবে বলে জানান ডক্টর মোমেন।

নির্বাচন নিয়ে সরকার কখনও চাপে ছিল না। বরং গণমাধ্যম নিজেরা চাপ মনে করে, মাঝে মাঝে দেশকে ঝুঁকিতে ফেলছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তেত্রিশ বছর পর বাংলাদেশ সফর শেষ করলেন কোন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সফরে বঙ্গবন্ধু-টু আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং নগর সুশাসন ও অবকাঠামো বিষয়ে দুটি চুক্তি সই হয়েছে।

ঢাকা ব্যুরো: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েখ ম্যাক্রোঁ। গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এসব জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। আজ মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জি- ২০ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উন্নয়ন যাত্রায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাশিয়ার সাথে সমঝোতা চুক্তি থাকলেও প্রথম স্যাটিলাইটে ভালো সেবা মিলেছে বলে দ্বিতীয়টি করতে একই উৎস বেছে নেয়া হলো। জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি মিলেছে ফ্রান্সের কাছে।

তিনি বলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষতি মোকাবিলায় ১০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কবে দেবে সেটি আমাদের ওপর নির্ভর করছে। তিনি সুন্দরবনে যথেষ্ট উৎসাহ দেখিয়েছেন।’

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। কারণ, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তারা আগামীতে বাংলাদেশসহ অন্যান্য ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলোর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক করতে চান।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে খুব ভালো করছে এবং এটি হচ্ছে ১৭ কোটি মানুষের বাজার। ফ্রান্স এ কারণে আমাদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে চাইছে।

তিনি জানান, জি-২০তে এ বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স সোলাইমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এদেশের পথ চলায় সব সময় সাহায্য-সহযোগিতা করবে তার দেশ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দ্বি পাক্ষিক বৈকঠকে অন্যান্য ইস্যুর মতই তিস্তা ইস্যু আলাপ হয়েছে। এ সংকটও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাধান হবে বলে জানান ডক্টর মোমেন।

নির্বাচন নিয়ে সরকার কখনও চাপে ছিল না। বরং গণমাধ্যম নিজেরা চাপ মনে করে, মাঝে মাঝে দেশকে ঝুঁকিতে ফেলছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তেত্রিশ বছর পর বাংলাদেশ সফর শেষ করলেন কোন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সফরে বঙ্গবন্ধু-টু আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং নগর সুশাসন ও অবকাঠামো বিষয়ে দুটি চুক্তি সই হয়েছে।