প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-বাপসা পটিয়া উপজেলার শাখার উদ্যোগে আজ শনিবার (০৮ জুলাই) বেলা ১২টায় বৃক্ষ প্রেমীদের সমাবেশ ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পটিয়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন পটিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সমাজসেবক মো. ইদ্রিস মিয়া।এতে সভাপতিত্ব করেন বায়তুস শরফ কমপ্লেক্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান সওদাগর।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশবাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাপসার কেন্দ্রীয় সভাপতি এম. এ হাশেম রাজু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাপসা চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ সালাউদ্দিন।

আরো বক্তব্য রাখেন বাপসা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ওসমান গণি, বাপসার কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদ কাদের মঈনউদ্দীন উদয়, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু তালেব।

সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবেশবিদ গবেষক প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বলেন, চট্টগ্রাম জেলায় শত শত পাহাড় আজ বিলুপ্তির পথে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার এলাকার পাহাড়ের মাটি নাই, গাছপালা নাই। বন উজাড় হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এভাবে দিন দিন পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় কেটে কংক্রিটের বিল্ডিং, হোটেল, মোটেলসহ বাণিজ্যিক এলাকা গড়ে তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে লুটেরা মাফিয়া চক্র কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ে নদী দখল করে হাজার রকমের পরিবেশ দূষণে লিপ্ত কল-কারখানা গড়ে তুলেছে। এক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনও নীরব ভূমিকা পালন করছে। বায়ু দূষণের কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্মসহ মায়ের গর্ভে থাকা শিশুও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই বৃক্ষ নিধন বন্ধ করতে হবে। বৃহত্তর চট্টগ্রামকে সবুজায়ন করতে বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-বাপসা পটিয়া উপজেলার শাখার উদ্যোগে আজ শনিবার (০৮ জুলাই) বেলা ১২টায় বৃক্ষ প্রেমীদের সমাবেশ ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পটিয়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন পটিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সমাজসেবক মো. ইদ্রিস মিয়া।এতে সভাপতিত্ব করেন বায়তুস শরফ কমপ্লেক্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান সওদাগর।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশবাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাপসার কেন্দ্রীয় সভাপতি এম. এ হাশেম রাজু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাপসা চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ সালাউদ্দিন।

আরো বক্তব্য রাখেন বাপসা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার সমন্বয়কারী মুহাম্মদ ওসমান গণি, বাপসার কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদ কাদের মঈনউদ্দীন উদয়, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু তালেব।

সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবেশবিদ গবেষক প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী বলেন, চট্টগ্রাম জেলায় শত শত পাহাড় আজ বিলুপ্তির পথে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার এলাকার পাহাড়ের মাটি নাই, গাছপালা নাই। বন উজাড় হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এভাবে দিন দিন পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে যাচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় কেটে কংক্রিটের বিল্ডিং, হোটেল, মোটেলসহ বাণিজ্যিক এলাকা গড়ে তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে লুটেরা মাফিয়া চক্র কর্ণফুলী নদীর দুই পাড়ে নদী দখল করে হাজার রকমের পরিবেশ দূষণে লিপ্ত কল-কারখানা গড়ে তুলেছে। এক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনও নীরব ভূমিকা পালন করছে। বায়ু দূষণের কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্মসহ মায়ের গর্ভে থাকা শিশুও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই বৃক্ষ নিধন বন্ধ করতে হবে। বৃহত্তর চট্টগ্রামকে সবুজায়ন করতে বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই।