কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে এবার প্রায় ৬৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে ভিড়েছে বড় একটি জাহাজ ‘জিসিএল প্যারাদ্বীপ’। মাতারবাড়ীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই কয়লা আনা হয়েছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। জাহাজটি ভিড়েছে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মিত জেটিতে।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের প্রকল্প ব্যবস্থাপক (চট্টগ্রাম বন্দর) ক্যাপ্টেন আতাউল হাকিম সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইরানের তারাহান বন্দর থেকে ৫ জুন রওনা দিয়ে জাহাজটি গত মঙ্গলবার বহির্নোঙরে ভেড়ে। আর বুধবার কয়লাবাহী জাহাজটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা জেটিতে ভিড়েছে। এটা কয়লা নিয়ে আসা চতুর্থ বড় জাহাজ। সবগুলো জাহাজের গভীরতা বা ড্রাফট এবং দৈর্ঘ্য একই ধরনের।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি মাসে তিন থেকে চারটি কয়লাবোঝাই জাহাজ আসার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী জাহাজ আসা এবং ভেড়ার সব প্রস্তুতি চট্টগ্রাম বন্দরের আছে।’

মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা এখন কেন্দ্রের কমিশনিং কাজ চালাচ্ছি। ডিসেম্বর নাগাদ উৎপাদনে আসার পরিকল্পনা আছে। তার আগ পর্যন্ত কয়লার জাহাজ আসবে।

তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে ৬০ দিনের কয়লা রাখার সক্ষমতা আছে। এই কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০ হাজার টন কয়লা প্রয়োজন হবে; যা থেকে উৎপাদন হবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর সেটি জাতীয় গ্রিডে যোগ করার জন্য লাইন নির্মাণ সম্পন্ন।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের মাতারবাড়ীতে এবার প্রায় ৬৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে ভিড়েছে বড় একটি জাহাজ ‘জিসিএল প্যারাদ্বীপ’। মাতারবাড়ীতে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই কয়লা আনা হয়েছে ইন্দোনেশিয়া থেকে। জাহাজটি ভিড়েছে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মিত জেটিতে।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের প্রকল্প ব্যবস্থাপক (চট্টগ্রাম বন্দর) ক্যাপ্টেন আতাউল হাকিম সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ইরানের তারাহান বন্দর থেকে ৫ জুন রওনা দিয়ে জাহাজটি গত মঙ্গলবার বহির্নোঙরে ভেড়ে। আর বুধবার কয়লাবাহী জাহাজটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা জেটিতে ভিড়েছে। এটা কয়লা নিয়ে আসা চতুর্থ বড় জাহাজ। সবগুলো জাহাজের গভীরতা বা ড্রাফট এবং দৈর্ঘ্য একই ধরনের।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি মাসে তিন থেকে চারটি কয়লাবোঝাই জাহাজ আসার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী জাহাজ আসা এবং ভেড়ার সব প্রস্তুতি চট্টগ্রাম বন্দরের আছে।’

মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমরা এখন কেন্দ্রের কমিশনিং কাজ চালাচ্ছি। ডিসেম্বর নাগাদ উৎপাদনে আসার পরিকল্পনা আছে। তার আগ পর্যন্ত কয়লার জাহাজ আসবে।

তিনি বলেন, এই কেন্দ্রে ৬০ দিনের কয়লা রাখার সক্ষমতা আছে। এই কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০ হাজার টন কয়লা প্রয়োজন হবে; যা থেকে উৎপাদন হবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আর সেটি জাতীয় গ্রিডে যোগ করার জন্য লাইন নির্মাণ সম্পন্ন।