প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আগামীকালের সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে জাতীয়তবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকাল ৪টায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেষ নুরুউল্লাহ বাহার।
সভাপতি তার বক্তব্য বলেন, বর্তমান কুটনৈতিক শিষ্ঠাচারে প্রমাণ করে বাংলাদেশের রাষ্ট্র শূন্যের উপর চলছে। রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্বর সংকট। অবৈধ অগণতানন্তিক বিনাভোটে সরকার জনগণের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই। যার কারণে শ্রমিক সমাজ আজকে আতঙ্কিত আছে। বাংলাদেশে শ্রমিকেরা বহির্বিশ্বে বিপদগ্রস্ত হিসেবে অবস্থান করছে। যে কোন মুহুর্তে বিদেশী কুটনৈতিক অবস্থার সংকটের কারণে শ্রমিকরা বিপদগ্রস্ত হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের শ্রমিকেরা বিদেশ থেকে অর্থ উপার্জন করে পাঠায় । দেশে অর্থনীতি সাবলম্বী করে থাকে। আর বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিকেরা শ্রম দিয়ে বিদেশী পণ্য রপ্তানী করে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করে। কিন্তু আজ তারাই সবচেয়ে বড় বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার জনগণের না হওয়ার কারণে জনগণকে একরে পর এক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আজকের এই শ্রমিকেরা বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সম্পূর্ণ দায় বর্তমান এই অবৈধ সরকার। সাধারণ সম্পাদক তার বক্তব্যে বলেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে শ্রমজীবী মানুষকে সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, ইতিপূর্বে তেলের দাম, বিদ্যুতের দাম, পানির দাম, সারের দামসহ কৃষিপণ্যের দাম ও নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে দিয়েছে। তার মধ্যে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করার স্বত্ত্বেও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপদগ্রস্ত করেছেন। তাই এ সরকারকে জনগণ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। দশ দফার আলোকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্র পুন:দ্ধার ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য আগামীকালের সমাবেশকে সফল করার চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
বক্তব্য রাখেন শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক স ম জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, হারুন ডক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক এড. ইকবাল হোসেন, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল সরকার, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ড. মহসিন খান তরুন, বিভাগীয় শ্রমিক দলের মহিলা সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য মো. রবিউল, মো. আতিকুর রহমান, মো. দেলোয়ার, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক দলের সভাপতি আবু হেনা চৌধুরী, হোটেল শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ছাইদুল হক ছাদু, ডক শ্রমিক দলের শামসুল হক টুকু, রিক্সা শ্রমিক দলের হারুণ রশিদ, ফলমন্ডী লোডিং আনলোডিং-এর সভাপতি মো. আবু ছালেহ, ডবলমুরিং শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হান্নান, দর্জি শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হাসেম, আব্দুর রউফ লিটন, রফিক উল্লাহ জসিম, প্রমুখ।




