প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ১লা মে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলে চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা আজ বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ৪টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেষ নুরুউল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, অবৈধ অগণতান্ত্রিক সরকার দেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করার জন্য সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে একের পর এক কালো আইন তৈরি করছে অবৈধ ক্ষমতা ঠিকিয়ে রাখার জন্য। শ্রমিকের অধিকার খর্ব করার আরো একটি অত্যাবশক পরিষেবা আইন, ২০২০ এমন একটি কালো আইন শ্রমিকের অধিকার নিয়ে কথা বলার আর কোন সুযোগ থাকবে না। প্রতিটি সেক্টরে এই কালো আইন ব্যবহার করে শ্রমিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে। এজন্য একটি গোপনে কালো আইন তৈরি করে অবৈধ সরকার অবৈধভাবে ২০২০ সালে করেছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, কিন্তু সংসদে ইতিমধ্যে আইনটি পাস করার জন্য ২০২৩ সালে উপস্থাপন করেন। যে আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাংবাদিকেরা একটি কালো আইনের শিকার হচ্ছে। কোন সাংবাদিক স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই। এই কালো আইনের কারণে নির্যাতিত হচ্ছে সাধারণ জনগণ। আজকে তারই পরিপ্রেক্ষিতে আইনটি সেবা নাম দিয়ে আরেকটি নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে সরকার তৈরি করছে। আমরা অবিলম্বে তা বাতিলের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, আমেরিকার সিকাগো শহরের একটি জুতা কারখানা শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমে যে লেলিহান শিখা ও দাবালন শুরু হয়েছে- সে সময় থেকে আজ অবধি মে দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে। বাংলাদেশেও অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুন:দ্ধারের জন্য যে সংগ্রাম চলছে এই শ্রমিক বিরোধি ও গণ বিরোধি আইন যদি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অবৈধ সংসদে পাস করা হয়, তাহলে শ্রমিকেরা এই আইনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ইতিহাসে স্থান করে নিবে।

সাধারণ সম্পাদক তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের দুর্নীতি-দুঃশাসনের কারণে আজ সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ দিশেহারা। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বারবার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি আর একদিকে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কালো আইন দিয়ে শ্রমিকদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার চুক্তিভিত্তিক প্রশাসন দিয়ে দুর্নীতির এক আখড়া তৈরি করেছে- যার কারণে আজ নগরবাসী তার পরিস্থিতির শিকার। ওয়াসা বার বার পানির মূল্য বৃদ্ধি করছে আবার নগরবাসীকেও সেবা দিতে পারছে না। এছাড়া প্রতিটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও দুর্নীতি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সকলকে গণতান্ত্রিক সংগ্রামে এগিয়ে আসতে হবে।

সভা শুরুতে অসুস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সভাপতি মো. ইদ্রিস মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম এ বাতেন, মো. সিদ্দিক সহ অসুস্থ শ্রমিক নেতাদের সুস্থতা কামনা করেন মহান আল্লাহর দরবারে মুনাজাত পরিচালনা করেন শ্রমিক দলের সদস্য মাওলানা মো. রেজাউল হক।

আগামীকাল বিকাল ৩টায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে পুনরায় যৌথ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানান নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি শফিকুর রহমান চেয়ারম্যান, আবদু শুক্কুর, শাহানেয়াজ চৌধুরী, মোতালেব চৌধুরী, গাজী আইয়ুব আলী, হারুন ডক, মোহাম্মদ আলী, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, এড. ইকবাল, হাসিবুর রহমান বিপ্লব, জান্নাতুল ফেরদৌস বিথি, ডা. মহসিন খান তরুন, অপু সিং, বাহার মিয়া, মো. জাবেদ, মনির, সরোয়ার, আব্দু হান্নান, মনির আহমদ, নুর আলম সুজন, মো. সিরাজ, জোহরা বেগম তানিয়া, ছাইফুল হক ছাদু, মহিন উদ্দীন মানিক, আবদু রউফ লিটন, শামসুল হক টুকু, রফিক উল্লাহ জসিম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ১লা মে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলে চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা আজ বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ৪টায় বীর মুক্তিযোদ্ধা চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেষ নুরুউল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, অবৈধ অগণতান্ত্রিক সরকার দেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করার জন্য সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে একের পর এক কালো আইন তৈরি করছে অবৈধ ক্ষমতা ঠিকিয়ে রাখার জন্য। শ্রমিকের অধিকার খর্ব করার আরো একটি অত্যাবশক পরিষেবা আইন, ২০২০ এমন একটি কালো আইন শ্রমিকের অধিকার নিয়ে কথা বলার আর কোন সুযোগ থাকবে না। প্রতিটি সেক্টরে এই কালো আইন ব্যবহার করে শ্রমিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে। এজন্য একটি গোপনে কালো আইন তৈরি করে অবৈধ সরকার অবৈধভাবে ২০২০ সালে করেছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, কিন্তু সংসদে ইতিমধ্যে আইনটি পাস করার জন্য ২০২৩ সালে উপস্থাপন করেন। যে আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাংবাদিকেরা একটি কালো আইনের শিকার হচ্ছে। কোন সাংবাদিক স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই। এই কালো আইনের কারণে নির্যাতিত হচ্ছে সাধারণ জনগণ। আজকে তারই পরিপ্রেক্ষিতে আইনটি সেবা নাম দিয়ে আরেকটি নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে সরকার তৈরি করছে। আমরা অবিলম্বে তা বাতিলের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, আমেরিকার সিকাগো শহরের একটি জুতা কারখানা শ্রমিকদের আন্দোলনের মাধ্যমে যে লেলিহান শিখা ও দাবালন শুরু হয়েছে- সে সময় থেকে আজ অবধি মে দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে সারা পৃথিবীতে। বাংলাদেশেও অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুন:দ্ধারের জন্য যে সংগ্রাম চলছে এই শ্রমিক বিরোধি ও গণ বিরোধি আইন যদি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অবৈধ সংসদে পাস করা হয়, তাহলে শ্রমিকেরা এই আইনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ইতিহাসে স্থান করে নিবে।

সাধারণ সম্পাদক তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের দুর্নীতি-দুঃশাসনের কারণে আজ সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ দিশেহারা। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বারবার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি আর একদিকে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কালো আইন দিয়ে শ্রমিকদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায় সরকার।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার চুক্তিভিত্তিক প্রশাসন দিয়ে দুর্নীতির এক আখড়া তৈরি করেছে- যার কারণে আজ নগরবাসী তার পরিস্থিতির শিকার। ওয়াসা বার বার পানির মূল্য বৃদ্ধি করছে আবার নগরবাসীকেও সেবা দিতে পারছে না। এছাড়া প্রতিটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানেও দুর্নীতি প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য সকলকে গণতান্ত্রিক সংগ্রামে এগিয়ে আসতে হবে।

সভা শুরুতে অসুস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সভাপতি মো. ইদ্রিস মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এম এ বাতেন, মো. সিদ্দিক সহ অসুস্থ শ্রমিক নেতাদের সুস্থতা কামনা করেন মহান আল্লাহর দরবারে মুনাজাত পরিচালনা করেন শ্রমিক দলের সদস্য মাওলানা মো. রেজাউল হক।

আগামীকাল বিকাল ৩টায় নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে পুনরায় যৌথ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানান নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি শফিকুর রহমান চেয়ারম্যান, আবদু শুক্কুর, শাহানেয়াজ চৌধুরী, মোতালেব চৌধুরী, গাজী আইয়ুব আলী, হারুন ডক, মোহাম্মদ আলী, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, এড. ইকবাল, হাসিবুর রহমান বিপ্লব, জান্নাতুল ফেরদৌস বিথি, ডা. মহসিন খান তরুন, অপু সিং, বাহার মিয়া, মো. জাবেদ, মনির, সরোয়ার, আব্দু হান্নান, মনির আহমদ, নুর আলম সুজন, মো. সিরাজ, জোহরা বেগম তানিয়া, ছাইফুল হক ছাদু, মহিন উদ্দীন মানিক, আবদু রউফ লিটন, শামসুল হক টুকু, রফিক উল্লাহ জসিম।