বিনোদন প্রতিবেদক: সারা বিছানায় রক্তের দাগ! এই ছবি দিয়েই নতুন বছরকে বরণ করলেন বাংলা সিনেমার নায়িকা পরীমণি। তার ফেসবুক পাতায় সেই ছবি দিতেই চোখ কপালে অনুরাগীদের। এভাবে প্রতিদিন শরীরে-মনে রক্তাক্ত হয়েছেন নায়িকা পরিমণি? তবু মুখ ফুটে কাউকে জানতে দেননি!

পরী মণি

“একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে, বাচ্চা নেয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনোই।
আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন, শত কোটি বার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নেই এটা রিতিমতো দারুন এক সাংসারিক সুত্র হয়ে দাঁড়ালো।
May be an image of 1 person, child, standing and indoor
আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু।
কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌছালে কোন সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকেনা। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়।
রাজ্যের দিকে তাকিয়ে বার বার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্যে পরে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না । একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে ও বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গল এর জন্যেই আলাদা হয়ে গেলাম।
রাজ এখন শুধু আমার প্রাক্তন’ই না,আমার ছেলের বাবাও। তাই রাজ্যের বাবার সন্মান রাখতে পাবলিকলি আর বাকি কিছু বলছি না আমি।
তবে আমার উপর তার আর তার পরিবারের কোন অসুস্থ আচরন
বা হার্মফুল কিছু করার চেষ্টা করলে আমি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো।
সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মী যারা রয়েছেন আপনারা নিশ্চই আমার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারবেন আশা করছি। আমাকে একটু সময় দিন। শারীরিক ভাবেও আমি বিধ্বস্ত
রাজ্য তার বাবা মাকে একসাথে নিয়ে বড় হতে পারলো না এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে”……!

অবশেষে ২০২৩-এর প্রথম দিনে বুঝি তাঁর ধৈর্যের সব বাঁধ ভেঙেছে। ছবির সঙ্গেই তিনি লিখেছেন, আগামীকাল ০২ জানুয়ারি তিনি সাংবাদিক বন্ধুদের ডেকে সব জানাবেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই নায়িকার অভিমানী কণ্ঠ, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু।’

বিনোদন প্রতিবেদক: সারা বিছানায় রক্তের দাগ! এই ছবি দিয়েই নতুন বছরকে বরণ করলেন বাংলা সিনেমার নায়িকা পরীমণি। তার ফেসবুক পাতায় সেই ছবি দিতেই চোখ কপালে অনুরাগীদের। এভাবে প্রতিদিন শরীরে-মনে রক্তাক্ত হয়েছেন নায়িকা পরিমণি? তবু মুখ ফুটে কাউকে জানতে দেননি!

পরী মণি

“একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে, বাচ্চা নেয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনোই।
আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন, শত কোটি বার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নেই এটা রিতিমতো দারুন এক সাংসারিক সুত্র হয়ে দাঁড়ালো।
May be an image of 1 person, child, standing and indoor
আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু।
কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌছালে কোন সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকেনা। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়।
রাজ্যের দিকে তাকিয়ে বার বার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্যে পরে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না । একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে ও বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গল এর জন্যেই আলাদা হয়ে গেলাম।
রাজ এখন শুধু আমার প্রাক্তন’ই না,আমার ছেলের বাবাও। তাই রাজ্যের বাবার সন্মান রাখতে পাবলিকলি আর বাকি কিছু বলছি না আমি।
তবে আমার উপর তার আর তার পরিবারের কোন অসুস্থ আচরন
বা হার্মফুল কিছু করার চেষ্টা করলে আমি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো।
সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মী যারা রয়েছেন আপনারা নিশ্চই আমার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারবেন আশা করছি। আমাকে একটু সময় দিন। শারীরিক ভাবেও আমি বিধ্বস্ত
রাজ্য তার বাবা মাকে একসাথে নিয়ে বড় হতে পারলো না এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে”……!

অবশেষে ২০২৩-এর প্রথম দিনে বুঝি তাঁর ধৈর্যের সব বাঁধ ভেঙেছে। ছবির সঙ্গেই তিনি লিখেছেন, আগামীকাল ০২ জানুয়ারি তিনি সাংবাদিক বন্ধুদের ডেকে সব জানাবেন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই নায়িকার অভিমানী কণ্ঠ, ‘আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু।’