মেজবাউল হক, চকরিয়া প্রতিনিধি: সিএনজি গাড়ির ধাক্কায় আহত জান্নাতুল তানজিদ নিশকাত রূপাকে বাঁচানো গেল না।গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিশুটি। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান শত চেষ্ঠার পরও প্রাণে বাঁচানো গেল না রূপাকে।

মেয়র মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী এবি ছিদ্দিক বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটার দিকে চকরিয়া-পেকুয়া সড়কের বরইতলী এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ধাক্কা দেয় রূপাকে বহনকারী একটি টমটম গাড়িকে। এতে গুরুতর আহত হয় রূপা। গাড়ি দুটি পালিয়ে গেলেও ওইসময় আহত অবস্থায় রাস্তার মধ্যে পড়ে থাকে শিশুটি। ওইদিন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান পেকুয়া সদরে জনপ্রতিনিধিদের একটি মতবিনিময় সভা থেকে ফেরার পথে আহত শিশুকে দেখতে পান। এসময় তিনি নিজ গাড়ি থেকে নেমে ওই শিশুকে একটি সিএনজিতে তুলে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসময় শিশুর বাবার কাছে চিকিৎসার খরচ না থাকায় কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে নগদ ৫৫ হাজার টাকা তুলে দেন শিশুর বাবাকে। কিন্তু এদিকে চট্টগ্রামের নেওয়ার পথে রাত ১টার দিকে মারা যায় শিশুটি।

মেজবাউল হক, চকরিয়া প্রতিনিধি: সিএনজি গাড়ির ধাক্কায় আহত জান্নাতুল তানজিদ নিশকাত রূপাকে বাঁচানো গেল না।গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় শিশুটি। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান শত চেষ্ঠার পরও প্রাণে বাঁচানো গেল না রূপাকে।

মেয়র মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী এবি ছিদ্দিক বলেন, বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটার দিকে চকরিয়া-পেকুয়া সড়কের বরইতলী এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ধাক্কা দেয় রূপাকে বহনকারী একটি টমটম গাড়িকে। এতে গুরুতর আহত হয় রূপা। গাড়ি দুটি পালিয়ে গেলেও ওইসময় আহত অবস্থায় রাস্তার মধ্যে পড়ে থাকে শিশুটি। ওইদিন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান পেকুয়া সদরে জনপ্রতিনিধিদের একটি মতবিনিময় সভা থেকে ফেরার পথে আহত শিশুকে দেখতে পান। এসময় তিনি নিজ গাড়ি থেকে নেমে ওই শিশুকে একটি সিএনজিতে তুলে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

তিনি আরও বলেন, শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসময় শিশুর বাবার কাছে চিকিৎসার খরচ না থাকায় কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে নগদ ৫৫ হাজার টাকা তুলে দেন শিশুর বাবাকে। কিন্তু এদিকে চট্টগ্রামের নেওয়ার পথে রাত ১টার দিকে মারা যায় শিশুটি।