খুলনা: নাগরিক আস্থা ছাড়া কোনো ডিজিটাল সেবা বা উদ্যোগ টেকসই হতে পারে না। নাগরিক সেবা দিতে গিয়ে যে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তা রক্ষা করা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি আমানত। দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত খুলনা জেলা প্রশাসন ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর সহযোগিতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শুক্রবার(১৬ জানুয়ারী) খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবএসব কথা বলেন।

মাঠপর্যায়ে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ উদ্যোগকে আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগের চার জেলার নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে ওরিয়েন্টেশন ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশেষ সহকারী আরো বলেন, সরকার চায় নাগরিকরা যেন সরকারি সেবার জন্য একের পর এক দপ্তরে ঘুরে হয়রানির শিকার না হন। এজন্য সব সরকারি সেবাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার মাধ্যমে একটি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সময়, খরচ ও শ্রমঘণ্টা সাশ্রয় করবে। ডিজিটাল রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে সরকার সাইবার সুরক্ষা, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করেছে, এসব আইন নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—তিন পক্ষের জন্যই নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গণভোট ও সংস্কার প্রসঙ্গে বিশেষ সহকারী বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হলে ভবিষ্যতে আবার স্বৈরতন্ত্রের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও উদ্যোক্তাবান্ধব নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে সংস্কারের পক্ষে সচেতন হতে হবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তারা নাগরিক সেবা কেন্দ্র পরিচালনা, সেবা প্রদানের মানদণ্ড অনুসরণ, নাগরিক সেবা দ্রুত ও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।

আলোচনা শেষে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

উল্লেখ্য, খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ এবং একসেবা ডিজিটাল সেন্টারের ৫০০ জন নির্বাচিত উদ্যোক্তা অংশ নেন।

খুলনা: নাগরিক আস্থা ছাড়া কোনো ডিজিটাল সেবা বা উদ্যোগ টেকসই হতে পারে না। নাগরিক সেবা দিতে গিয়ে যে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তা রক্ষা করা উদ্যোক্তাদের জন্য একটি আমানত। দায়িত্বশীল উদ্যোক্তাই গড়বে আস্থাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত খুলনা জেলা প্রশাসন ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)-এর সহযোগিতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

আজ শুক্রবার(১৬ জানুয়ারী) খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবএসব কথা বলেন।

মাঠপর্যায়ে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ উদ্যোগকে আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগের চার জেলার নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে ওরিয়েন্টেশন ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশেষ সহকারী আরো বলেন, সরকার চায় নাগরিকরা যেন সরকারি সেবার জন্য একের পর এক দপ্তরে ঘুরে হয়রানির শিকার না হন। এজন্য সব সরকারি সেবাকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার মাধ্যমে একটি ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা হচ্ছে, যা সময়, খরচ ও শ্রমঘণ্টা সাশ্রয় করবে। ডিজিটাল রূপান্তরের ভিত্তি হিসেবে সরকার সাইবার সুরক্ষা, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করেছে, এসব আইন নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র—তিন পক্ষের জন্যই নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গণভোট ও সংস্কার প্রসঙ্গে বিশেষ সহকারী বলেন, ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হলে ভবিষ্যতে আবার স্বৈরতন্ত্রের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও উদ্যোক্তাবান্ধব নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে সংস্কারের পক্ষে সচেতন হতে হবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তারা নাগরিক সেবা কেন্দ্র পরিচালনা, সেবা প্রদানের মানদণ্ড অনুসরণ, নাগরিক সেবা দ্রুত ও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।

আলোচনা শেষে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

উল্লেখ্য, খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ এবং একসেবা ডিজিটাল সেন্টারের ৫০০ জন নির্বাচিত উদ্যোক্তা অংশ নেন।