সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও: একাধিক গণমাধ্যমে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়েছে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষের। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন হচ্ছেটা কি? কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় বিটিসিএলের জায়গায় অবৈধ ঘেরা ঘিরে গুনজন শিরোনামে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের ১ দিনপর ঐ স্থানে ফের সর্তকীকরন ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে সরকারি সম্পদ দাবী করে ময়লা আবর্জনা ফেলতে নিষেধ করেছেন কতৃপক্ষ।

এদিকে ব্যানার টাঙানো একধরনের আইওয়াশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা বলেছেন মুলতঃ টেলিযোগাযোগ সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড বিটিসিএলের কতিপয় কর্মকর্তার সাথে স্থানীয় একটি চক্রের আতাঁতের পরিকল্পিত নমুনা বা আইওয়াশ।

সম্প্রতি ঐ চক্র থেমে থেমে টিএনটির বাউন্ডারির উপরে টিনের ঘেরাবেড়া দেয়। এ নিয়ে ছবিসহ সংবাদ প্রকাশের একদিন পর ঈদগাঁও বিটিসিএল এক্সচেঞ্জ অফিসের কোটি টাকা মূল্যের জায়গা জবরদখলের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে দেওয়া টিনের ঘেরার ওপর ব্যানার টাঙিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্যানারে জায়গাটি বিটিসিএল ঈদগাঁও এক্সচেঞ্জের সরকারি সম্পদ উল্লেখ করে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলতে জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগ নেয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিটিসিএল কক্সবাজারের কনিষ্ঠ ব্যবস্থাপক স্বরূপ দে।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় একটি পক্ষ বিটিসিএল ঈদগাঁও এক্সচেঞ্জ অফিসের বাজারসংলগ্ন কোটি টাকা মূল্যের উত্তরাংশের কিছু জায়গা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। উক্ত জায়গার পশ্চিম পাশের পুরোনো সীমানা প্রাচীরের ওপর রহস্যজনকভাবে থেমে থেমে টিনের ঘেরা দেয়া হলেও এ বিষয়ে নীরব ছিল বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিটিসিএল কর্তৃপক্ষের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে স্থানীয় চক্রটি

ময়লা-আবর্জনা থেকে সরকারি সম্পদ রক্ষা’র অজুহাতে জায়গাটি জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও: একাধিক গণমাধ্যমে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে টনক নড়েছে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষের। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন হচ্ছেটা কি? কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় বিটিসিএলের জায়গায় অবৈধ ঘেরা ঘিরে গুনজন শিরোনামে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের ১ দিনপর ঐ স্থানে ফের সর্তকীকরন ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে সরকারি সম্পদ দাবী করে ময়লা আবর্জনা ফেলতে নিষেধ করেছেন কতৃপক্ষ।

এদিকে ব্যানার টাঙানো একধরনের আইওয়াশ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা বলেছেন মুলতঃ টেলিযোগাযোগ সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড বিটিসিএলের কতিপয় কর্মকর্তার সাথে স্থানীয় একটি চক্রের আতাঁতের পরিকল্পিত নমুনা বা আইওয়াশ।

সম্প্রতি ঐ চক্র থেমে থেমে টিএনটির বাউন্ডারির উপরে টিনের ঘেরাবেড়া দেয়। এ নিয়ে ছবিসহ সংবাদ প্রকাশের একদিন পর ঈদগাঁও বিটিসিএল এক্সচেঞ্জ অফিসের কোটি টাকা মূল্যের জায়গা জবরদখলের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে দেওয়া টিনের ঘেরার ওপর ব্যানার টাঙিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্যানারে জায়গাটি বিটিসিএল ঈদগাঁও এক্সচেঞ্জের সরকারি সম্পদ উল্লেখ করে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলতে জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগ নেয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিটিসিএল কক্সবাজারের কনিষ্ঠ ব্যবস্থাপক স্বরূপ দে।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় একটি পক্ষ বিটিসিএল ঈদগাঁও এক্সচেঞ্জ অফিসের বাজারসংলগ্ন কোটি টাকা মূল্যের উত্তরাংশের কিছু জায়গা নিজেদের বলে দাবি করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। উক্ত জায়গার পশ্চিম পাশের পুরোনো সীমানা প্রাচীরের ওপর রহস্যজনকভাবে থেমে থেমে টিনের ঘেরা দেয়া হলেও এ বিষয়ে নীরব ছিল বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, বিটিসিএল কর্তৃপক্ষের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে স্থানীয় চক্রটি

ময়লা-আবর্জনা থেকে সরকারি সম্পদ রক্ষা’র অজুহাতে জায়গাটি জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।