দক্ষিণখান সংবাদদাতা: রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ী রেলগেইট এলাকার ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ এর মালিক বারবার চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের সাথে চরম অন্যায়-অবিচার করে যাচ্ছে। প্রতিমাসে বেতন নিয়ে তালবাহানার কারণে বাড়ীওয়ালা, বাকীর দোকান, সন্তানদের স্কুলে সর্বত্রই অপমানিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন শ্রমিকরা। জুলাই মাসের বেতন এখনো পাননি তারা।
শ্রমিক নেতারা জানান, সর্বশেষ শ্রম ভবনে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে লিখিত চুক্তি সম্পাদনের পর গত ২৮ জুলাই ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিঃ এর এমডি ইলিয়াস পাটোয়ারী কারখানায় এসে গার্মেন্ট শ্রমিক টিইউসি’র কার্যকরী সভাপতি কাজী রুহুল আমিন ও ডাইফির ডিআইজি সালাউদ্দিন আহমেদ এর উপস্থিতিতে শ্রমিকদের কাছ থেকে আর তিন মাস সময় নেন। অর্থাৎ অক্টোবর মাস পর্যন্ত বেতন দিতে বিলম্ব হবে। এর মধ্যে যদি এ অবস্থার পরিবর্তন না হয় তাহলে তিনি শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ করে কারখানা বন্ধ করে দিবেন। শ্রমিকরা সবাই তা মেনে নেয়। যদিও এর আগে ইলিয়াস পাটোয়ারী অসংখ্যবার চুক্তি ভঙ্গ করেছেন।
জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী গত জুলাই মাসের বেতন আগস্ট মাসের ৩০ তারিখ। আগস্ট মাসের বেতন সেপ্টেম্বরের ২৫ তারিখ ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন অক্টোবর মাসের ২০ তারিখ দেওয়ায় কথা। তবে ৩০ আগস্ট পেরিয়ে আজ ৩ সেপ্টেম্বর শ্রমিকদের এখনো জুলাই মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। ধার দেনা করে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন শ্রমিকরা। এমন অবস্থায় শ্রমিকরা কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রব্য মূল্যের অস্থিরতার এই বাজারে বেতন পেয়েই চলতে কষ্ট হচ্ছে আর যদি বেতন না দেয় তাহলে আত্মহত্যা করে মরণ ছাড়া উপায় নেই।
গত ঈদুল আজহার আগেও লাগাতার আন্দোলনের পর মালিকপক্ষকে বাধ্য করে আংশিক পাওনা নিয়ে ঈদ করে ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিমিটেড ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা। ঈদের আগে শ্রমিক, মালিক ও সরকারের প্রতিনিধি মিলিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর গত ৮ জুলাই শ্রমিকদেরকে জুন মাসের বকেয়া বেতন ও বোনাস এবং যারা বোনাস পাওয়ার যোগ্য নন তাদেরকে নগদ ২ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে বলে এক শ্রমিক নেতা জানিয়েছেন। ত্রিপক্ষীয় ওই বৈঠকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
ফিনিশিং কোয়ালিটি সায়মা আক্তার বলেন, প্রোডাকশন তো কম দেইনা, তাহলে বেতনের বেলায় প্রতিমাসে আমাদের রাস্তায় নামতে হবে কেন?
প্রোডাকশন ম্যানেজার সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিঃ এ আগস্ট মাসে প্রোডাকশন হয়েছে ৬৩,৩০০ পিছ।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ প্রতিষ্ঠানের মালিকের কারণে প্রতিমাসেই শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে উত্তরা এলাকার পরিবেশ অশান্ত করে। ভাঙচুর, অবরোধে ক্ষতির মুখে পড়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রা উক্ত কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন।
দক্ষিণখান সংবাদদাতা: রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ী রেলগেইট এলাকার ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ এর মালিক বারবার চুক্তি ভঙ্গ করে শ্রমিকদের সাথে চরম অন্যায়-অবিচার করে যাচ্ছে। প্রতিমাসে বেতন নিয়ে তালবাহানার কারণে বাড়ীওয়ালা, বাকীর দোকান, সন্তানদের স্কুলে সর্বত্রই অপমানিত ও লাঞ্ছিত হচ্ছেন শ্রমিকরা। জুলাই মাসের বেতন এখনো পাননি তারা।
শ্রমিক নেতারা জানান, সর্বশেষ শ্রম ভবনে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে লিখিত চুক্তি সম্পাদনের পর গত ২৮ জুলাই ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিঃ এর এমডি ইলিয়াস পাটোয়ারী কারখানায় এসে গার্মেন্ট শ্রমিক টিইউসি’র কার্যকরী সভাপতি কাজী রুহুল আমিন ও ডাইফির ডিআইজি সালাউদ্দিন আহমেদ এর উপস্থিতিতে শ্রমিকদের কাছ থেকে আর তিন মাস সময় নেন। অর্থাৎ অক্টোবর মাস পর্যন্ত বেতন দিতে বিলম্ব হবে। এর মধ্যে যদি এ অবস্থার পরিবর্তন না হয় তাহলে তিনি শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধ করে কারখানা বন্ধ করে দিবেন। শ্রমিকরা সবাই তা মেনে নেয়। যদিও এর আগে ইলিয়াস পাটোয়ারী অসংখ্যবার চুক্তি ভঙ্গ করেছেন।
জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী গত জুলাই মাসের বেতন আগস্ট মাসের ৩০ তারিখ। আগস্ট মাসের বেতন সেপ্টেম্বরের ২৫ তারিখ ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন অক্টোবর মাসের ২০ তারিখ দেওয়ায় কথা। তবে ৩০ আগস্ট পেরিয়ে আজ ৩ সেপ্টেম্বর শ্রমিকদের এখনো জুলাই মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। ধার দেনা করে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন শ্রমিকরা। এমন অবস্থায় শ্রমিকরা কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রব্য মূল্যের অস্থিরতার এই বাজারে বেতন পেয়েই চলতে কষ্ট হচ্ছে আর যদি বেতন না দেয় তাহলে আত্মহত্যা করে মরণ ছাড়া উপায় নেই।
গত ঈদুল আজহার আগেও লাগাতার আন্দোলনের পর মালিকপক্ষকে বাধ্য করে আংশিক পাওনা নিয়ে ঈদ করে ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিমিটেড ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা। ঈদের আগে শ্রমিক, মালিক ও সরকারের প্রতিনিধি মিলিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর গত ৮ জুলাই শ্রমিকদেরকে জুন মাসের বকেয়া বেতন ও বোনাস এবং যারা বোনাস পাওয়ার যোগ্য নন তাদেরকে নগদ ২ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে বলে এক শ্রমিক নেতা জানিয়েছেন। ত্রিপক্ষীয় ওই বৈঠকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
ফিনিশিং কোয়ালিটি সায়মা আক্তার বলেন, প্রোডাকশন তো কম দেইনা, তাহলে বেতনের বেলায় প্রতিমাসে আমাদের রাস্তায় নামতে হবে কেন?
প্রোডাকশন ম্যানেজার সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিঃ এ আগস্ট মাসে প্রোডাকশন হয়েছে ৬৩,৩০০ পিছ।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইন্ট্রাকো ডিজাইন ও ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিঃ প্রতিষ্ঠানের মালিকের কারণে প্রতিমাসেই শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে উত্তরা এলাকার পরিবেশ অশান্ত করে। ভাঙচুর, অবরোধে ক্ষতির মুখে পড়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রা উক্ত কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন।