প্রেস বিজ্ঞপ্তি: শিশু কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, পজিটিভ প্যারেন্টিং গঠনসহ গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি ও গর্ভকালীন বিকাশ সাধন বিষয়ে সরকারের চলমান পলিসির পাশাপাশি ‘যোগাযোগ উপকরণ’ তৈরির লক্ষ্যে বিভাগীয় কনসাল্টেশন কর্মশালা আজ বুধবার ৩১ আগস্ট সকালে চট্টগ্রাম পিআইডির সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিসেফের সহযোগিতায় জেলা তথ্য অফিস এ ওয়ার্কশপের আয়োজন করে।
জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের উপপরিচালক মো. সাঈদ হাসানের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিসেফের প্যারেন্টিং কনসালটেন্ট কান্তা দেবী।
কর্মশালার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন ইউনিসেফ চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা সাফিনা নাজনিন।
ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে বক্তব্য তুলে ধরেন ইউনিসেফের সিবিসি বিশেষজ্ঞ তানিয়া সুলতানা, বিভাগীয় সিবিসি কর্মকর্তা গীতা রানি দাস।
উম্মুক্ত আলোচনায় অংশীজনরা কর্মশালার উদ্দেশ্য, কিশোর গ্যাং এর উৎপাত ও প্রতিকারের উপায়, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন এবং মূল্যবোধ মেনে চলা প্রভৃতি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেন। তারা গর্ভকালীন ও প্রসব পরবর্তী পিতা মাতার পজিটিভ ভূমিকা এবং এ ভূমিকা আরো কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, কি করা উচিত আর কি করা উচিত নয় – সেসব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। কর্মশালার দ্বিতীয় সেশনে অংশীজনরা বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এ বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রেরণের জন্য তাদের সুপারিশ তুলে ধরেন।
কর্মশালায় সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি, শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা, সিনিয়র তথ্য কর্মকতাসহ ব্র্যাক কারিতাস ইপসা প্রভৃতি এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।




