প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি (বি.অপটম) কোর্সের ১৩ তম ব্যাচের নবীন বরণ আজ বৃহস্পতিবার ২৫ আগস্ট সকালে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইমরান সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলোজি (আইসিও)’র উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী মঈন উদ্দিন খানের কোরআন তেলাওয়াত ও সনি দাশের গীতা পাঠের মাধ্যমে সূচনা হয়। আইসিও’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আইসিও’র অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী।
বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র্র ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান. দৈনিক আজাদী’র সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত গুনীজন এম.এ.মালেক, সিএমইউ এর ডিন অধ্যাপক মনোয়ারুল হক শামীম, চমেক হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. তনুজা তানজিন, আইসিও এর অধ্যাপক ডা.জেসমিন আহমেদ। এছাড়া অভিভাবকদের পক্ষে আবদুল আলী, শিক্ষার্থীদের পক্ষে উন্মে জাহিদা মিসমা বক্তব্য রাখেন।

উপস্থিত ছিলেন, আইসিও’র প্রভাষক জুয়েল দাশ গুপ্ত, কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমানসহ বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা। আইসিও এর রিসার্চ অফিসার তানজিলা মোহনা ও প্রভাষক শেখ তামিমা হাসানের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্সের নবীণ ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে বরণের পাশাপাশি বিগত শিক্ষা বর্ষে ১ম, ২য় ও ৩য় বর্ষের সমাপনী পরিক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রাখা ১৪ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও শিক্ষা সনদ প্রদান করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে আইসিও এর অধ্যাপক ডা. জেসমিন আহমেদ পদোন্নতি পাওয়ায় তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত গুনীজন এম.এ.মালেক বলেন, দু অক্ষরের ছোট্ট শব্দ চোখ। চোখের গঠন বেশ জটিল। চোখের কোন ক্ষতি হলে সারাতে দক্ষ লোক ছাড়া হয় না। আমাদের দেশে একেক জন একেক পেশায় যোগ দিতে পছন্দ করেন। এর মধ্যে অনেকেই মানবিক সেবায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চান। বিশেষ করে ডাক্তারি পেশায়। এ ধরনের পেশায় যেসব শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আছে তারা চক্ষু চিকিৎসার ওপর পড়াশোনা করছে। তিনি বলেন, মানুষ এ পৃথিবীতে পরাজিত হওয়ার জন্য পাঠায়নি। তোমরা ভালোভাবে অধ্যায়ন করে দেশ সেবার কল্যানে ভূমিকা রাখবে এটাই আমার বিশ্বাস।
সিএমইউ এর ডিন অধ্যাপক মনোয়ারুল হক শামীম বলেন, বিশ্বে অপটোমেট্রি কোর্চ প্রচলিত নাম। এ কোর্সে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসার সবকিছু হাতেকলমে শেখানো হয়। এ কোর্সে ভর্তি হলে একজন রোগীর চোখ পরীক্ষার প্রাথমিক প্রক্রিয়া, রোগীকে চশমা দেয়ার নিয়ম থেকে শুরু করে চক্ষু চিকিৎসার মৌলিক সব বিষয়ে পারদর্শী হওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের দিক নির্দেশনামূলক উপদেশের পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যত ক্যারিয়ার গঠনের উপর বিশদ আলোচনা করেন।
আইসিও’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, এদেশে যে পরিমাণ চক্ষু চিকিৎসক রয়েছে সেই তুলনায় অপটোমেট্রিস্ট নেই বললেই চলে। চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র্র ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই হাসপাতালে ২০১০ সাল থেকে বি.এস.সি ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু হয়েছে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের পরিচিতির পাশাপাশি পেশাগত উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন। তিনি এখান থেকে উন্নত শিক্ষার মাধ্যমে অপটোমেট্রিস্টরা যাতে সারাদেশে এমনকী বহিবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আইসিও’র অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়ালেখায় মনোযোগী হয়ে নিজেকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি (বি.অপটম) কোর্সের ১৩ তম ব্যাচের নবীন বরণ আজ বৃহস্পতিবার ২৫ আগস্ট সকালে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইমরান সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলোজি (আইসিও)’র উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠান শিক্ষার্থী মঈন উদ্দিন খানের কোরআন তেলাওয়াত ও সনি দাশের গীতা পাঠের মাধ্যমে সূচনা হয়। আইসিও’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, আইসিও’র অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী।
বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র্র ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান. দৈনিক আজাদী’র সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত গুনীজন এম.এ.মালেক, সিএমইউ এর ডিন অধ্যাপক মনোয়ারুল হক শামীম, চমেক হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. তনুজা তানজিন, আইসিও এর অধ্যাপক ডা.জেসমিন আহমেদ। এছাড়া অভিভাবকদের পক্ষে আবদুল আলী, শিক্ষার্থীদের পক্ষে উন্মে জাহিদা মিসমা বক্তব্য রাখেন।

উপস্থিত ছিলেন, আইসিও’র প্রভাষক জুয়েল দাশ গুপ্ত, কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমানসহ বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা। আইসিও এর রিসার্চ অফিসার তানজিলা মোহনা ও প্রভাষক শেখ তামিমা হাসানের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্সের নবীণ ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে বরণের পাশাপাশি বিগত শিক্ষা বর্ষে ১ম, ২য় ও ৩য় বর্ষের সমাপনী পরিক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রাখা ১৪ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও শিক্ষা সনদ প্রদান করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে আইসিও এর অধ্যাপক ডা. জেসমিন আহমেদ পদোন্নতি পাওয়ায় তাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত গুনীজন এম.এ.মালেক বলেন, দু অক্ষরের ছোট্ট শব্দ চোখ। চোখের গঠন বেশ জটিল। চোখের কোন ক্ষতি হলে সারাতে দক্ষ লোক ছাড়া হয় না। আমাদের দেশে একেক জন একেক পেশায় যোগ দিতে পছন্দ করেন। এর মধ্যে অনেকেই মানবিক সেবায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে চান। বিশেষ করে ডাক্তারি পেশায়। এ ধরনের পেশায় যেসব শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আছে তারা চক্ষু চিকিৎসার ওপর পড়াশোনা করছে। তিনি বলেন, মানুষ এ পৃথিবীতে পরাজিত হওয়ার জন্য পাঠায়নি। তোমরা ভালোভাবে অধ্যায়ন করে দেশ সেবার কল্যানে ভূমিকা রাখবে এটাই আমার বিশ্বাস।
সিএমইউ এর ডিন অধ্যাপক মনোয়ারুল হক শামীম বলেন, বিশ্বে অপটোমেট্রি কোর্চ প্রচলিত নাম। এ কোর্সে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসার সবকিছু হাতেকলমে শেখানো হয়। এ কোর্সে ভর্তি হলে একজন রোগীর চোখ পরীক্ষার প্রাথমিক প্রক্রিয়া, রোগীকে চশমা দেয়ার নিয়ম থেকে শুরু করে চক্ষু চিকিৎসার মৌলিক সব বিষয়ে পারদর্শী হওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের দিক নির্দেশনামূলক উপদেশের পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যত ক্যারিয়ার গঠনের উপর বিশদ আলোচনা করেন।
আইসিও’র পরিচালক অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, এদেশে যে পরিমাণ চক্ষু চিকিৎসক রয়েছে সেই তুলনায় অপটোমেট্রিস্ট নেই বললেই চলে। চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র্র ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই হাসপাতালে ২০১০ সাল থেকে বি.এস.সি ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু হয়েছে। তিনি নবাগত শিক্ষার্থীদের পরিচিতির পাশাপাশি পেশাগত উৎকর্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন। তিনি এখান থেকে উন্নত শিক্ষার মাধ্যমে অপটোমেট্রিস্টরা যাতে সারাদেশে এমনকী বহিবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আইসিও’র অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পড়ালেখায় মনোযোগী হয়ে নিজেকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ অপটোমেট্রিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।