ক্রাইম প্রতিবেদক: সিএমপি কোতোয়ালি থানার অভিযানে কোটি টাকা আত্মসাৎকারীর সহযোগী স্ত্রী নুরজাহান বেগম (২৬) কে ৩২ লাখ, ৮৯ হাজার নগদ টাকাসহ আত্মসাৎকৃত ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। গতকাল (৩০ এপ্রিল) পাবনা সদর থানাধীন রাধানগর যোগীপাড়া মাঠপাড়া এলাকার আসামীর বসতবাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
কোতোয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ইং ১৬ এপ্রিল হতে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে কোতোয়ালী থানাধীন জুবিলী রোড আমতল শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন মার্কেট এর নিচতলাস্থ মেসার্স এস বি ইলেকট্রনিক্স নামক প্রতিষ্ঠানসহ নন্দনকানন, জুবিলী রোড এলাকার ইলেকট্রিক মার্কেটের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিকট মোঃ ফারুক হোসেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ড্রাষ্টিজ পিএলসি প্রতিষ্ঠানের এলইডি এক্সেসরিজ (ওয়ালটন সেইফ ইমার্জেন্সি বাল্ব, এল ই ডি বাল্ব, টেপ, নেট ফ্যান, সিলিং ফ্যান, চার্জার ফ্যান, ডিবি বক্স, সারফেস প্যানেল লাইট) বিক্রয় করার নামে নগদ ও চেকে এবং ওয়ালটন সেইফ আইপিএস বিক্রয়ের নামে সর্বমোট ১,৫১,০০,৮৫০ টাকার পণ্য গ্রহণ করে উহা প্রতিষ্ঠানকে ও দোকানদারদেরকে ফেরত না দিয়ে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে তার স্ত্রীর সহযোগিতায় অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে এবং স্ত্রী সহ পলাতক হয়।
এ সংক্রান্তে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ড্রাষ্টিজ পিএলসি প্রতিষ্ঠানের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার জনৈক মোহাম্মদ নবী আলম তার বিরুদ্ধে নগরীর কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মেহেদী হাসান গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে পাবনা সদর থানাধীন রাধানগর যোগীপাড়া মাঠপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ফারুক হোসেন এর স্ত্রী নুরজাহান বেগম (২৬) কে গ্রেফতার করেন।
ধৃত ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে আত্মসাৎকৃত টাকা তার বাসার মাটির নিচে লুকায়িত আছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার দেখানো মতে তার ঘরের মাটির নিচে লুকায়িত ২টি কলসি এবং ঘরের ভিতরে রক্ষিত ১টি মুড়ির টিনের কৌটার ভিতর হতে নগদ ৩২,৮৯,০০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ধৃত ব্যাক্তির হেফাজত হতে পলাতক মোঃ ফারুক হোসেনের আত্মসাৎকৃত ও কাজে ব্যবহৃত ১টি ল্যাপটপ, ১টি মোবাইল উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। ধৃত আসানীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
ক্রাইম প্রতিবেদক: সিএমপি কোতোয়ালি থানার অভিযানে কোটি টাকা আত্মসাৎকারীর সহযোগী স্ত্রী নুরজাহান বেগম (২৬) কে ৩২ লাখ, ৮৯ হাজার নগদ টাকাসহ আত্মসাৎকৃত ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। গতকাল (৩০ এপ্রিল) পাবনা সদর থানাধীন রাধানগর যোগীপাড়া মাঠপাড়া এলাকার আসামীর বসতবাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
কোতোয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ইং ১৬ এপ্রিল হতে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে কোতোয়ালী থানাধীন জুবিলী রোড আমতল শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন মার্কেট এর নিচতলাস্থ মেসার্স এস বি ইলেকট্রনিক্স নামক প্রতিষ্ঠানসহ নন্দনকানন, জুবিলী রোড এলাকার ইলেকট্রিক মার্কেটের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিকট মোঃ ফারুক হোসেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ড্রাষ্টিজ পিএলসি প্রতিষ্ঠানের এলইডি এক্সেসরিজ (ওয়ালটন সেইফ ইমার্জেন্সি বাল্ব, এল ই ডি বাল্ব, টেপ, নেট ফ্যান, সিলিং ফ্যান, চার্জার ফ্যান, ডিবি বক্স, সারফেস প্যানেল লাইট) বিক্রয় করার নামে নগদ ও চেকে এবং ওয়ালটন সেইফ আইপিএস বিক্রয়ের নামে সর্বমোট ১,৫১,০০,৮৫০ টাকার পণ্য গ্রহণ করে উহা প্রতিষ্ঠানকে ও দোকানদারদেরকে ফেরত না দিয়ে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে তার স্ত্রীর সহযোগিতায় অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে এবং স্ত্রী সহ পলাতক হয়।
এ সংক্রান্তে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ড্রাষ্টিজ পিএলসি প্রতিষ্ঠানের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার জনৈক মোহাম্মদ নবী আলম তার বিরুদ্ধে নগরীর কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মেহেদী হাসান গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে পাবনা সদর থানাধীন রাধানগর যোগীপাড়া মাঠপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ ফারুক হোসেন এর স্ত্রী নুরজাহান বেগম (২৬) কে গ্রেফতার করেন।
ধৃত ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে আত্মসাৎকৃত টাকা তার বাসার মাটির নিচে লুকায়িত আছে বলে স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার দেখানো মতে তার ঘরের মাটির নিচে লুকায়িত ২টি কলসি এবং ঘরের ভিতরে রক্ষিত ১টি মুড়ির টিনের কৌটার ভিতর হতে নগদ ৩২,৮৯,০০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
ধৃত ব্যাক্তির হেফাজত হতে পলাতক মোঃ ফারুক হোসেনের আত্মসাৎকৃত ও কাজে ব্যবহৃত ১টি ল্যাপটপ, ১টি মোবাইল উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। ধৃত আসানীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।