নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরকে সাজানোর পুরোপুরি দায়িত্ব চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের। সেই হিসাব সবাই জানে। কারণ হাতকে আয়না দিয়ে দেখতে হয়না। যে সরিষা দিয়ে ভুত তাড়াবেন সেই সরিষার ভেতর যদি ভূত থাকে তাহলে ভূত তাড়াবে কি করে ? নগরীতে যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাব গড়ে উঠছে ভবন। দেখভাল করার দায়িত্বে যারা আছে তারা ইমারত নির্মাণ আইন নিয়ে রীতিমতো ব্যবসার দোকান খুলে বসেছে। ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র এখন ভবন মালিকদের জন্য সোনার হরিণ।

ছাড়পত্র ১৫ দিনের মধ্যে অনুমোদনের বাধ্যবাদকতা থাকলেও দুর্নীতিবাজ ও যোগ্যতাবিহীন এটিপি জয়নাল/ জান্নাতদের কারণে ছাড়পত্র অনুমোদন দিতে সময় ক্ষেপন হচ্ছে। এদেরকে মোটাংকের ঘুষ দিলে খাল, পুকুর, পাহাড়, ভবন কিংবা এলাইনমেন্ট থাকলেও ছাড়পত্রের অনুমোদন তড়িৎ গতিতে হয়। ঘুষ না দিলে নথি মাসের পর মাস ও বছরের পর বছর ঝুলে থাকবে। এই সিন্ডিকেটটি চট্টগ্রাম মহানগরকে ঘিজ্ঞি শহরে আখ্যায়িত করার রুপরেখা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। গত ১৫ বছরে তারা টাকা কামানোর জন্য ছলে বলে কলে কৌশলে তা কিছুটা বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু বিচক্ষন চেয়ারম্যান আলহ্বাজ জহিরুল আলম দোভাসের উপস্থিত কৌশলের কাছে শেষ পর্যন্ত ধরাশায়ী হল এই সিন্ডিকেটটি।

অযোগ্য লোকেরা যখন চেয়ারের ক্ষমতা পায় তখন তারা জনগনকে সেবা না দিয়ে টাকা কামানোর নেশায় মত্ত হয়। তদ্রুপ সিডিএতে একই হাল। বর্তমান প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ উল্লেখ্য, দুর্নীতিবাজ ও যোগ্যতাবিহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অফিসিয়াল ব্যবস্থা না নিলে এদের লাগাম ঠেনে ধরা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একটু সহজ সরল হওয়ায় তাকে ব্যবহার করে এই শাখাকে দুর্নীতির আতুর ঘরে পরিণত করেছিল।

তেমনি নগরীর হালিশহর থানাধীন ঈদগাঁ কাঁচা রাস্তার মোড়ে সরকারী খাস জায়গার উপর অবৈধভাবে ১৪ তালা ভবন নির্মাণ করছে জনৈক শাহাজান। ইতোমধ্যে উল্লেখিত এলাইন্টমেন্টকৃত জায়গার উপর ৪ তালা ভবন নির্মিত হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এহেন  নির্মাণ কাজ তড়িৎ গতিতে সম্পন্ন করছে ভবন মালিক শাহাজান ।

সূত্রে জানা গেছে, হালিশহর থানাধীন রামপূর মৌজার আর এস দাগ নং ২১৪৪(অংশ), ২১৪৫/ ২৫৫৩(অংশ) বি এস দাগ নং ২৩৭৪ এর তফশীলভুক্ত জায়গায় ৬০ ফুট হালিশহর রোড এলাইনমেন্ট এর ভিতরে চউক এর কথেক কর্মকর্তার সরাসরি ইন্ধনে ‘কর্নেল ভবন’ এর মতো সরকারী ক্ষতিপূরণ আত্মসাৎ করার কুমানসে তরিগড়ি করে ভবন নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যে ইমারত নির্মাণ কমিটি-২ এর সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান অবৈধভাবে নিমিত ভবন মালিক শাহাজানকে স্মারক নং অথঃ২/বিসিএন/০৩/২০২২/২৫ মূলে চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস প্রদান করেন। উচ্ছেদ  প্রক্রিয়া তড়িৎ গতিতে না করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে সরিষার ভূত। সময় ক্ষেপন করে ঢিমেতালে করার জন্য ইতোমধ্যে লবিস্ট নিয়োগ করেছে তারা।

সিডিএর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কথেক কর্মকর্তা দি ক্রাইমকে বলেন, নগরে এ ধরনের অভিযোগ ভুরি ভুরি। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা ঘুষ নিয়ে এ সমস্ত অভিযোগ দফারফা করে ফেলে। যদি দুদক এ বিষয়গুলোতে হস্তক্ষেপ করে তাহলে এহেন অপরাধমূলক কাজ থেকে ভবন নির্মাণকারীসহ সংশ্লিষ্ট জড়িত  কর্মকর্তারা বিরত থাকবে। তারা এ প্রতিষ্টানে সরাসরি ঘুষ আদায় থেকে পরিত্রানের জন্য দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সূত্রে আরো জানা গেছে, চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস দেয়ার পর ভবন মালিক প্রতিনিয়ত উল্লেখিত ব্যক্তিদের সাথে  বৈঠক করছে এবং সাবেক ইমারত পরিদর্শক তাকে নিয়মিত গাইডলাইন দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে সদ্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, ভবন মালিককে আগামী মে মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়সীমার মধ্যে যদি ভবন মালিক নিজ উদ্যোগে ভবনটি ভেংগে অপসারণ না করে তাহলে অত্র কর্তৃপক্ষ ইমারত নিমাণ বিধির ৭(১) ধারা অনুযায়ী ভবনটি ভেঙ্গে অপসারণ করার ব্যবস্থা নিবে।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈশা আনচারীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, সম্প্রতি অথরাইজড অফিসার অবৈধ ভবন মালিককে চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস দিয়েছে। সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট সেবামূলক প্রতিষ্টান যেমন গ্যাস,পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। আশাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানগুলো যথাযত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগরকে সাজানোর পুরোপুরি দায়িত্ব চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের। সেই হিসাব সবাই জানে। কারণ হাতকে আয়না দিয়ে দেখতে হয়না। যে সরিষা দিয়ে ভুত তাড়াবেন সেই সরিষার ভেতর যদি ভূত থাকে তাহলে ভূত তাড়াবে কি করে ? নগরীতে যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাব গড়ে উঠছে ভবন। দেখভাল করার দায়িত্বে যারা আছে তারা ইমারত নির্মাণ আইন নিয়ে রীতিমতো ব্যবসার দোকান খুলে বসেছে। ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র এখন ভবন মালিকদের জন্য সোনার হরিণ।

ছাড়পত্র ১৫ দিনের মধ্যে অনুমোদনের বাধ্যবাদকতা থাকলেও দুর্নীতিবাজ ও যোগ্যতাবিহীন এটিপি জয়নাল/ জান্নাতদের কারণে ছাড়পত্র অনুমোদন দিতে সময় ক্ষেপন হচ্ছে। এদেরকে মোটাংকের ঘুষ দিলে খাল, পুকুর, পাহাড়, ভবন কিংবা এলাইনমেন্ট থাকলেও ছাড়পত্রের অনুমোদন তড়িৎ গতিতে হয়। ঘুষ না দিলে নথি মাসের পর মাস ও বছরের পর বছর ঝুলে থাকবে। এই সিন্ডিকেটটি চট্টগ্রাম মহানগরকে ঘিজ্ঞি শহরে আখ্যায়িত করার রুপরেখা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। গত ১৫ বছরে তারা টাকা কামানোর জন্য ছলে বলে কলে কৌশলে তা কিছুটা বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু বিচক্ষন চেয়ারম্যান আলহ্বাজ জহিরুল আলম দোভাসের উপস্থিত কৌশলের কাছে শেষ পর্যন্ত ধরাশায়ী হল এই সিন্ডিকেটটি।

অযোগ্য লোকেরা যখন চেয়ারের ক্ষমতা পায় তখন তারা জনগনকে সেবা না দিয়ে টাকা কামানোর নেশায় মত্ত হয়। তদ্রুপ সিডিএতে একই হাল। বর্তমান প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ উল্লেখ্য, দুর্নীতিবাজ ও যোগ্যতাবিহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অফিসিয়াল ব্যবস্থা না নিলে এদের লাগাম ঠেনে ধরা কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একটু সহজ সরল হওয়ায় তাকে ব্যবহার করে এই শাখাকে দুর্নীতির আতুর ঘরে পরিণত করেছিল।

তেমনি নগরীর হালিশহর থানাধীন ঈদগাঁ কাঁচা রাস্তার মোড়ে সরকারী খাস জায়গার উপর অবৈধভাবে ১৪ তালা ভবন নির্মাণ করছে জনৈক শাহাজান। ইতোমধ্যে উল্লেখিত এলাইন্টমেন্টকৃত জায়গার উপর ৪ তালা ভবন নির্মিত হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে এহেন  নির্মাণ কাজ তড়িৎ গতিতে সম্পন্ন করছে ভবন মালিক শাহাজান ।

সূত্রে জানা গেছে, হালিশহর থানাধীন রামপূর মৌজার আর এস দাগ নং ২১৪৪(অংশ), ২১৪৫/ ২৫৫৩(অংশ) বি এস দাগ নং ২৩৭৪ এর তফশীলভুক্ত জায়গায় ৬০ ফুট হালিশহর রোড এলাইনমেন্ট এর ভিতরে চউক এর কথেক কর্মকর্তার সরাসরি ইন্ধনে ‘কর্নেল ভবন’ এর মতো সরকারী ক্ষতিপূরণ আত্মসাৎ করার কুমানসে তরিগড়ি করে ভবন নির্মাণ করছে। ইতোমধ্যে ইমারত নির্মাণ কমিটি-২ এর সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান অবৈধভাবে নিমিত ভবন মালিক শাহাজানকে স্মারক নং অথঃ২/বিসিএন/০৩/২০২২/২৫ মূলে চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস প্রদান করেন। উচ্ছেদ  প্রক্রিয়া তড়িৎ গতিতে না করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে সরিষার ভূত। সময় ক্ষেপন করে ঢিমেতালে করার জন্য ইতোমধ্যে লবিস্ট নিয়োগ করেছে তারা।

সিডিএর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কথেক কর্মকর্তা দি ক্রাইমকে বলেন, নগরে এ ধরনের অভিযোগ ভুরি ভুরি। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা ঘুষ নিয়ে এ সমস্ত অভিযোগ দফারফা করে ফেলে। যদি দুদক এ বিষয়গুলোতে হস্তক্ষেপ করে তাহলে এহেন অপরাধমূলক কাজ থেকে ভবন নির্মাণকারীসহ সংশ্লিষ্ট জড়িত  কর্মকর্তারা বিরত থাকবে। তারা এ প্রতিষ্টানে সরাসরি ঘুষ আদায় থেকে পরিত্রানের জন্য দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সূত্রে আরো জানা গেছে, চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস দেয়ার পর ভবন মালিক প্রতিনিয়ত উল্লেখিত ব্যক্তিদের সাথে  বৈঠক করছে এবং সাবেক ইমারত পরিদর্শক তাকে নিয়মিত গাইডলাইন দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে সদ্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, ভবন মালিককে আগামী মে মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়সীমার মধ্যে যদি ভবন মালিক নিজ উদ্যোগে ভবনটি ভেংগে অপসারণ না করে তাহলে অত্র কর্তৃপক্ষ ইমারত নিমাণ বিধির ৭(১) ধারা অনুযায়ী ভবনটি ভেঙ্গে অপসারণ করার ব্যবস্থা নিবে।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈশা আনচারীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, সম্প্রতি অথরাইজড অফিসার অবৈধ ভবন মালিককে চুড়ান্ত উচ্ছেদ নোটিস দিয়েছে। সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট সেবামূলক প্রতিষ্টান যেমন গ্যাস,পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। আশাকরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানগুলো যথাযত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।