জাহিদ হাসান,বান্দরবান (লামা)প্রতিনিধি।। লামায় নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়ে চলছে। প্রকৃতির উত্তপ্ততার প্রভাব ফেলছে কিছু নিষ্ঠুর মানুষের অন্তরে। লামা উপজেলার রুপসিপাড়া ও পৌরসভায় দুই নারীর উপর সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই দুই নারীর একজন হল বিধবা কোহিনুর বেগম।সে উপজেলার রুপসিপাড়া ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার স্বামী আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম মো: শহিদ।

অপর নারী হল, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আহত দুই নারী লামা সরকারি হসপিটালে ভর্তি রয়েছেন।

ঘটনা বিবরণে প্রকাশ, রুপসিপাড়ার জামালপুর গ্রামের বিধবা কোহিনুর বেগম আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার দেবর মুজিবুর রহমানের নিকট জমিনে পানি দেয়ার মেশিন চাইতে গেলে তাকে বেদম প্রহার করে।

জানা গেছে, মেশিনটি ক’দিন আগে কোহিনুর বেগম থেকে তার দেবর ক্ষেতে পানি দেয়ার জন্য নিয়ে ছিল। ঘটনার দিন নিজের প্রয়োজনে দেবর মুজিবুরের কাছে বাড়ির পাশের একটি জায়গায় মেশিন ফেরৎ চায়। এ নিয়ে দেবর ভাবির মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দেবর মুজিবুর রহমান বিধবা কোহিনুর বেগমকে চুলের মুঠি ধরে কিল, ঘুষি ও এলোপাথাড়ি লাথি মেরে মারাত্বক আহত করে। খবর পেয়ে আত্মীয় স্বজনরা কোহিনুর বেগমকে তাৎক্ষণিক লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

কোহিনুর বেগমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কোহিনুর বেগমের স্বামী আওয়ালীগ নেতা মরহুম শহিদ এর বেশ ভূ সম্পত্তি আছে। কিন্ত তার কোন ছেলে সন্তান নেই, ৭ জন কণ্যা সন্তান রয়েছে। দেবর মুজিবুর বিধবা কোহিনুরের স্বামীর ভাই হিসেবে সম্পত্তি দাবী করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মূলত সে কারণে মুজিবুর ক্ষিপ্ত হয়ে কিছুদিন পর পর ঠুনকো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধবা কোহিনুরকে শারীরিক ও মানুসিকভাবে নির্যাতন করে চলছে।

হামলাকারী দেবর মুজিবুরকে তার মুঠো ফোনে কয়েক দফা কল করে, সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া যায়নি। এ ব্যাপারে হসপিটাল ব্যাডে মুমূর্ষু কোহিনুরের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি, তবে নির্যাতিত নারীর আত্মীয়রা এ ব্যাপারে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান।

এ ঘটনায় রুপসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মা জানান, “বড় ভাবি মানেইতো মা। সুতরাং মা সম একজন নারীকে মারা উচিৎ হয়নি। বিষয়টা আমরা দেখবো।” একইদিন পৌরসভার ৭ ওয়ার্ড মধুঝিরি গ্রামের এক নারীকে প্রতিবেশিরা পানিতে ফেলে প্রহার করে বলে জানাগেছে। সে নারীকেও হসপিটালে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।

জাহিদ হাসান,বান্দরবান (লামা)প্রতিনিধি।। লামায় নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়ে চলছে। প্রকৃতির উত্তপ্ততার প্রভাব ফেলছে কিছু নিষ্ঠুর মানুষের অন্তরে। লামা উপজেলার রুপসিপাড়া ও পৌরসভায় দুই নারীর উপর সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই দুই নারীর একজন হল বিধবা কোহিনুর বেগম।সে উপজেলার রুপসিপাড়া ইউপির ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার স্বামী আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম মো: শহিদ।

অপর নারী হল, পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আহত দুই নারী লামা সরকারি হসপিটালে ভর্তি রয়েছেন।

ঘটনা বিবরণে প্রকাশ, রুপসিপাড়ার জামালপুর গ্রামের বিধবা কোহিনুর বেগম আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার দেবর মুজিবুর রহমানের নিকট জমিনে পানি দেয়ার মেশিন চাইতে গেলে তাকে বেদম প্রহার করে।

জানা গেছে, মেশিনটি ক’দিন আগে কোহিনুর বেগম থেকে তার দেবর ক্ষেতে পানি দেয়ার জন্য নিয়ে ছিল। ঘটনার দিন নিজের প্রয়োজনে দেবর মুজিবুরের কাছে বাড়ির পাশের একটি জায়গায় মেশিন ফেরৎ চায়। এ নিয়ে দেবর ভাবির মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দেবর মুজিবুর রহমান বিধবা কোহিনুর বেগমকে চুলের মুঠি ধরে কিল, ঘুষি ও এলোপাথাড়ি লাথি মেরে মারাত্বক আহত করে। খবর পেয়ে আত্মীয় স্বজনরা কোহিনুর বেগমকে তাৎক্ষণিক লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

কোহিনুর বেগমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কোহিনুর বেগমের স্বামী আওয়ালীগ নেতা মরহুম শহিদ এর বেশ ভূ সম্পত্তি আছে। কিন্ত তার কোন ছেলে সন্তান নেই, ৭ জন কণ্যা সন্তান রয়েছে। দেবর মুজিবুর বিধবা কোহিনুরের স্বামীর ভাই হিসেবে সম্পত্তি দাবী করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। মূলত সে কারণে মুজিবুর ক্ষিপ্ত হয়ে কিছুদিন পর পর ঠুনকো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিধবা কোহিনুরকে শারীরিক ও মানুসিকভাবে নির্যাতন করে চলছে।

হামলাকারী দেবর মুজিবুরকে তার মুঠো ফোনে কয়েক দফা কল করে, সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া যায়নি। এ ব্যাপারে হসপিটাল ব্যাডে মুমূর্ষু কোহিনুরের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি, তবে নির্যাতিত নারীর আত্মীয়রা এ ব্যাপারে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান।

এ ঘটনায় রুপসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছাচিংপ্রু মার্মা জানান, “বড় ভাবি মানেইতো মা। সুতরাং মা সম একজন নারীকে মারা উচিৎ হয়নি। বিষয়টা আমরা দেখবো।” একইদিন পৌরসভার ৭ ওয়ার্ড মধুঝিরি গ্রামের এক নারীকে প্রতিবেশিরা পানিতে ফেলে প্রহার করে বলে জানাগেছে। সে নারীকেও হসপিটালে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।