যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পাম বিচ কাউন্টিতে বাহামাগামী একটি লিয়ারজেট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। রোববার বিকেলের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা নয়জনের সবাই নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মার্কিন বার্তাসংস্থা সিএনএনের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর মিলিটারি ট্রেইল এলাকার ক্রেস্টহেভেন বুলেভার্ড ও টেনথ অ্যাভিনিউ নর্থের মধ্যবর্তী স্থানে উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই এলাকার একটি মোবাইল হোম পার্কে প্রবেশের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৬০০ বাসিন্দার জন্য আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তা জোয়েল ফ্লোরেস জানিয়েছেন, দুর্গতদের কাউন্টির দুটি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার ফলে ওই সড়কের একাংশ বেঁকে গেছে এবং বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, লিয়ারজেট ৬০ মডেলের উড়োজাহাজটি টেক্সাসের অস্টিন-বার্গস্ট্রম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাহামার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। এটি ডেলাওয়্যারের একটি সীমিত দায় কোম্পানির নামে নিবন্ধিত এবং চার্টার ফ্লাইটের জন্য ভাড়ার তালিকায় ছিল। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট এডিএস-বি এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি মাত্র এক মিনিটে প্রায় ২৭ হাজার ফুট উচ্চতা হারিয়েছিল।

পাইলট ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের কথোপকথনের রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনার কয়েক মিনিট আগে বিমানে বরফ জমার কথা জানিয়েছিলেন পাইলট। সে সময় বাইরের তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাইলট জানান, উড়োজাহাজে হালকা স্বচ্ছ বরফ জমেছে এবং মাঝারি মাত্রার বায়ু-ঝাঁকুনির কারণে বিমানটি ওঠানামা করছিল। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এনটিএসবি এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় জানিয়েছিল, উড্ডয়ন অবস্থায় বরফ জমলে উড়োজাহাজের গতি ও চলাচলের পথ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক উচ্চতায় উড়তে ব্যর্থ হতে পারে। এর কিছুক্ষণ পর জরুরি পরিস্থিতির ঘোষণা দিয়ে পাইলট জানান, বিমানটি দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে এবং এক পর্যায়ে তিনি বলেন, এটি মাটিতে আছড়ে পড়তে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ও ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্ল্যাক বক্স বা ফ্লাইট রেকর্ডার খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন, যা দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বিস্ফোরণে রেকর্ডারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে এটি দ্বিতীয় প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনা। এর আগে জুন মাসে মিসৌরির বাটলারে একটি স্কাইডাইভিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১২ জন নিহত হয়েছিলেন। বিমান চলাচল রেকর্ড অনুযায়ী, লিয়ারজেট ৬০ মডেলের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।

এর আগে ২০০৮ সালে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার কলম্বিয়া থেকে উড্ডয়নের সময় লস অ্যাঞ্জেলেসগামী একটি লিয়ারজেট ৬০ বিধ্বস্ত হয়ে চারজন নিহত হয়েছিলেন।দুর্ঘটনার আগে বিমানে বরফ জমার তথ্য দেন পাইলটবিমান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ডিং অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কয়েক মিনিট আগে উড়োজাহাজটির গায়ে বরফ জমার কথা জানিয়েছিলেন পাইলট।

পাশাপাশি মাঝারি মাত্রার বায়ু-ঝাঁকুনির কারণে উড়োজাহাজটি প্রায় ৭০০ ফুট পর্যন্ত ওঠানামা করছিল।পাইলট মায়ামি এয়ার রুট ট্রাফিক কন্ট্রোল সেন্টারকে জানান, উড়োজাহাজে হালকা মাত্রার স্বচ্ছ বরফ জমেছে, যা তখনো নিয়ন্ত্রণযোগ্য ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পাম বিচ কাউন্টিতে বাহামাগামী একটি লিয়ারজেট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। রোববার বিকেলের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা নয়জনের সবাই নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মার্কিন বার্তাসংস্থা সিএনএনের প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর মিলিটারি ট্রেইল এলাকার ক্রেস্টহেভেন বুলেভার্ড ও টেনথ অ্যাভিনিউ নর্থের মধ্যবর্তী স্থানে উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে ওই এলাকার একটি মোবাইল হোম পার্কে প্রবেশের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৬০০ বাসিন্দার জন্য আবাসন সংকট তৈরি হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তা জোয়েল ফ্লোরেস জানিয়েছেন, দুর্গতদের কাউন্টির দুটি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার ফলে ওই সড়কের একাংশ বেঁকে গেছে এবং বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, লিয়ারজেট ৬০ মডেলের উড়োজাহাজটি টেক্সাসের অস্টিন-বার্গস্ট্রম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাহামার উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। এটি ডেলাওয়্যারের একটি সীমিত দায় কোম্পানির নামে নিবন্ধিত এবং চার্টার ফ্লাইটের জন্য ভাড়ার তালিকায় ছিল। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট এডিএস-বি এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি মাত্র এক মিনিটে প্রায় ২৭ হাজার ফুট উচ্চতা হারিয়েছিল।

পাইলট ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের কথোপকথনের রেকর্ডিং থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনার কয়েক মিনিট আগে বিমানে বরফ জমার কথা জানিয়েছিলেন পাইলট। সে সময় বাইরের তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাইলট জানান, উড়োজাহাজে হালকা স্বচ্ছ বরফ জমেছে এবং মাঝারি মাত্রার বায়ু-ঝাঁকুনির কারণে বিমানটি ওঠানামা করছিল। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এনটিএসবি এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় জানিয়েছিল, উড্ডয়ন অবস্থায় বরফ জমলে উড়োজাহাজের গতি ও চলাচলের পথ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক উচ্চতায় উড়তে ব্যর্থ হতে পারে। এর কিছুক্ষণ পর জরুরি পরিস্থিতির ঘোষণা দিয়ে পাইলট জানান, বিমানটি দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে এবং এক পর্যায়ে তিনি বলেন, এটি মাটিতে আছড়ে পড়তে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) ও ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে যৌথ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্ল্যাক বক্স বা ফ্লাইট রেকর্ডার খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন, যা দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বিস্ফোরণে রেকর্ডারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে এটি দ্বিতীয় প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনা। এর আগে জুন মাসে মিসৌরির বাটলারে একটি স্কাইডাইভিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ১২ জন নিহত হয়েছিলেন। বিমান চলাচল রেকর্ড অনুযায়ী, লিয়ারজেট ৬০ মডেলের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা।

এর আগে ২০০৮ সালে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার কলম্বিয়া থেকে উড্ডয়নের সময় লস অ্যাঞ্জেলেসগামী একটি লিয়ারজেট ৬০ বিধ্বস্ত হয়ে চারজন নিহত হয়েছিলেন।দুর্ঘটনার আগে বিমানে বরফ জমার তথ্য দেন পাইলটবিমান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের সঙ্গে পাইলটের কথোপকথনের রেকর্ডিং অনুযায়ী, দুর্ঘটনার কয়েক মিনিট আগে উড়োজাহাজটির গায়ে বরফ জমার কথা জানিয়েছিলেন পাইলট।

পাশাপাশি মাঝারি মাত্রার বায়ু-ঝাঁকুনির কারণে উড়োজাহাজটি প্রায় ৭০০ ফুট পর্যন্ত ওঠানামা করছিল।পাইলট মায়ামি এয়ার রুট ট্রাফিক কন্ট্রোল সেন্টারকে জানান, উড়োজাহাজে হালকা মাত্রার স্বচ্ছ বরফ জমেছে, যা তখনো নিয়ন্ত্রণযোগ্য ছিল।