বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে নবনির্মিত কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং শম্ভুগঞ্জ ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। শুক্রবার পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি আনুষ্ঠানিকভাবে এই অবকাঠামো চালু করে। এর ফলে অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভোল্টেজ পরিস্থিতির উন্নতি এবং সঞ্চালনজনিত সীমাবদ্ধতা কমানোর নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পের আওতায় সঞ্চালন লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো চালুর ফলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা, নির্ভরযোগ্যতা ও গুণগত মান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।

নতুন সঞ্চালন লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র চালুর ফলে ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, ত্রিশাল এবং নেত্রকোনার একাংশে বিদ্যমান লো-ভোল্টেজ সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে সংশ্লিষ্ট ১৩২ কেভি নেটওয়ার্কে ভোল্টেজ সর্বনিম্ন ১০২ থেকে ১০৫ কেভিতে নেমে আসত, যা নতুন অবকাঠামো চালুর পর ১২০ থেকে ১২১ কেভিতে উন্নীত হয়েছে। গ্রীষ্ম মৌসুমে এ অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। নতুন সঞ্চালন অবকাঠামোর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর হয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ সক্ষমতা বেড়েছে।

নতুন এই অবকাঠামোর ফলে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি সিস্টেম লস হ্রাসেরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এর ফলে বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ সিস্টেম লস কমতে পারে। এছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ভিত্তি শক্তিশালী হওয়ায় শিল্পকারখানা ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাকশিল্প ও রাইস মিলের মতো বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এ অঞ্চলের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।

নতুন এই অবকাঠামো জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও পরিচালনগত নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করবে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই অবকাঠামো চালুর মাধ্যমে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ মানুষ মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে বলে আশা করছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে নবনির্মিত কালিয়াকৈর-শম্ভুগঞ্জ ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং শম্ভুগঞ্জ ৪০০/১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। শুক্রবার পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি আনুষ্ঠানিকভাবে এই অবকাঠামো চালু করে। এর ফলে অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভোল্টেজ পরিস্থিতির উন্নতি এবং সঞ্চালনজনিত সীমাবদ্ধতা কমানোর নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পের আওতায় সঞ্চালন লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো চালুর ফলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা, নির্ভরযোগ্যতা ও গুণগত মান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।

নতুন সঞ্চালন লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্র চালুর ফলে ময়মনসিংহ সদর, মুক্তাগাছা, ত্রিশাল এবং নেত্রকোনার একাংশে বিদ্যমান লো-ভোল্টেজ সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে সংশ্লিষ্ট ১৩২ কেভি নেটওয়ার্কে ভোল্টেজ সর্বনিম্ন ১০২ থেকে ১০৫ কেভিতে নেমে আসত, যা নতুন অবকাঠামো চালুর পর ১২০ থেকে ১২১ কেভিতে উন্নীত হয়েছে। গ্রীষ্ম মৌসুমে এ অঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। নতুন সঞ্চালন অবকাঠামোর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর হয়েছে এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ সক্ষমতা বেড়েছে।

নতুন এই অবকাঠামোর ফলে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি সিস্টেম লস হ্রাসেরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হিসাবে, এর ফলে বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ সিস্টেম লস কমতে পারে। এছাড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ভিত্তি শক্তিশালী হওয়ায় শিল্পকারখানা ও উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ বাড়বে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক অঞ্চল, তৈরি পোশাকশিল্প ও রাইস মিলের মতো বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এ অঞ্চলের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।

নতুন এই অবকাঠামো জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও পরিচালনগত নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করবে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই অবকাঠামো চালুর মাধ্যমে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ মানুষ মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে বলে আশা করছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।