জাহিদ হাসান, লামা প্রতিনিধি।। বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভূমি সন্ত্রাসী, মিথ্যা মামলাবাজ আলুগোলা কুতুবী বাহিনীর তিন সন্ত্রাসী আটক হয়েছে পুলিশের হাতে।বাগান লুটতরাজ করার সময় আজ মঙ্গলবার(০৫ এপ্রিল) দুপুরে লামা কুমারী ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যরা এই তিন সন্ত্রাসীকে আটক করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কুতু্বী আলুগোলার নেতৃত্বে মহেশখালীর একদল সন্ত্রাসী ভূমিহীন পরিচয়ে; ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ত্রাস সৃষ্টি করে চলছে। মোহাম্মদীয়া প্লান্টেশনসহ এই চক্রটি বিভিন্ন জনের জমি ও স্থাপনা দখল, গাছগাছালী লুটতরাজে ইদানিং বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।এদের সাথে যুক্ত হয় স্থানীয় সালাউদ্দিন নামের একজন। তারা প্রকাশ্যে দিবালোকে জুলুম চালাচ্ছে। মানুষের সৃজিত ছোট ছোট গাছগুলো কেটে গাড়ি ভরে নিয়ে যাচ্ছে।

গত ৪ এপ্রিল কুমারী ছনখোলায় মোহাম্মদীয়া শরীফের বাগানে প্রবেশ করে; সন্ত্রাসী মিথ্যা মামলাবাজ কুতুবী বাহিনী প্রথমে প্রকাশ্যে শত শত বৃক্ষ কেটে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে একজনকে আটক করেন। তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি শান্ত হয়। এদিকে রহস্য জনক কারনে ধৃত সন্ত্রাসী ছাড়া পেয়ে যায়(৪ এপ্রিল২০২২ইং) বিকেলে। কুতুবীসহ তার লুটেরা বাহিনী ২য় বার ওই বাগানে প্রবেশ করে। তাদের সশস্ত্র অবস্থায় বাগান কেয়ার টেকারসহ আশে পাশের লোকজন আতংকিত হয়।এর পর গাড়ি ভরে কর্তিত গাছ নিয়ে চকরিয়া চলে যায় সন্ত্রাসীরা।আজ (৫ এপ্রিল) পুনরায় আলুগোলা কুতুবী বাহিনী আবারো বাগানে প্রবেশ করে। এ সময় বাগান মালিক মোহাম্মদীয়া প্লান্ট এর কেয়ার টেকারগন বাধা দিলে; কুতুবী বাহিনী কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে বলে স্থানীয়া জানান। এই ঘটনায় ফাঁসিয়াখালী ইউপির ছনখোলা গ্রামের মানুষ আতংকিত।

বিগত কয়েকমাস আগে আলুগোলা কুতুবীর নেতৃত্বে ভূমি সন্ত্রাসীরা বনপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অস্থায়ী চৌকি দখল করে নেয়। পরে অবশ্য ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ের একটি ষড়যন্ত্রকারী মহলের দ্বারা পরিচালিত মহেশখাইল্যা কুতুবী ভূমি জবর দখল করে করে ক্রমে দক্ষিন থেকে উত্তর দিকে এগুচ্ছে। আলুগুলা কুতুবী বর্তমানে শারীরিকভাবে খোঁড়া। তার পরও প্রতিটি ঘটনাস্থলে লাঠিভর করে তার বাহিনীর সাথে তাকে দেখা যায়।মিথ্যা মামলাবাজ কুতু্বীর বিষয়টি প্রশাসন ভালভাবে জানা দরকার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহেশখালীর নিরীহ কিছু ভূমিহীন পরিবার থেকে, আলুগোলা কুতুবী পার্বত্য এলাকায় সরকারের খাস ভূমি বরাদ্দ করিয়ে দেয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেয়।খাস ভূমি না থাকায় কুতুবী তার দলবল নিয়ে বেপরোয়াভাবে যত্রতত্র জবর দখল করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকায়, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতেছে।বিষয়টি সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী নজর না দিলে পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যাবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

জাহিদ হাসান, লামা প্রতিনিধি।। বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ভূমি সন্ত্রাসী, মিথ্যা মামলাবাজ আলুগোলা কুতুবী বাহিনীর তিন সন্ত্রাসী আটক হয়েছে পুলিশের হাতে।বাগান লুটতরাজ করার সময় আজ মঙ্গলবার(০৫ এপ্রিল) দুপুরে লামা কুমারী ফাঁড়ি পুলিশ সদস্যরা এই তিন সন্ত্রাসীকে আটক করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কুতু্বী আলুগোলার নেতৃত্বে মহেশখালীর একদল সন্ত্রাসী ভূমিহীন পরিচয়ে; ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ত্রাস সৃষ্টি করে চলছে। মোহাম্মদীয়া প্লান্টেশনসহ এই চক্রটি বিভিন্ন জনের জমি ও স্থাপনা দখল, গাছগাছালী লুটতরাজে ইদানিং বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।এদের সাথে যুক্ত হয় স্থানীয় সালাউদ্দিন নামের একজন। তারা প্রকাশ্যে দিবালোকে জুলুম চালাচ্ছে। মানুষের সৃজিত ছোট ছোট গাছগুলো কেটে গাড়ি ভরে নিয়ে যাচ্ছে।

গত ৪ এপ্রিল কুমারী ছনখোলায় মোহাম্মদীয়া শরীফের বাগানে প্রবেশ করে; সন্ত্রাসী মিথ্যা মামলাবাজ কুতুবী বাহিনী প্রথমে প্রকাশ্যে শত শত বৃক্ষ কেটে ফেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে একজনকে আটক করেন। তাৎক্ষনিক পরিস্থিতি শান্ত হয়। এদিকে রহস্য জনক কারনে ধৃত সন্ত্রাসী ছাড়া পেয়ে যায়(৪ এপ্রিল২০২২ইং) বিকেলে। কুতুবীসহ তার লুটেরা বাহিনী ২য় বার ওই বাগানে প্রবেশ করে। তাদের সশস্ত্র অবস্থায় বাগান কেয়ার টেকারসহ আশে পাশের লোকজন আতংকিত হয়।এর পর গাড়ি ভরে কর্তিত গাছ নিয়ে চকরিয়া চলে যায় সন্ত্রাসীরা।আজ (৫ এপ্রিল) পুনরায় আলুগোলা কুতুবী বাহিনী আবারো বাগানে প্রবেশ করে। এ সময় বাগান মালিক মোহাম্মদীয়া প্লান্ট এর কেয়ার টেকারগন বাধা দিলে; কুতুবী বাহিনী কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে বলে স্থানীয়া জানান। এই ঘটনায় ফাঁসিয়াখালী ইউপির ছনখোলা গ্রামের মানুষ আতংকিত।

বিগত কয়েকমাস আগে আলুগোলা কুতুবীর নেতৃত্বে ভূমি সন্ত্রাসীরা বনপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অস্থায়ী চৌকি দখল করে নেয়। পরে অবশ্য ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ের একটি ষড়যন্ত্রকারী মহলের দ্বারা পরিচালিত মহেশখাইল্যা কুতুবী ভূমি জবর দখল করে করে ক্রমে দক্ষিন থেকে উত্তর দিকে এগুচ্ছে। আলুগুলা কুতুবী বর্তমানে শারীরিকভাবে খোঁড়া। তার পরও প্রতিটি ঘটনাস্থলে লাঠিভর করে তার বাহিনীর সাথে তাকে দেখা যায়।মিথ্যা মামলাবাজ কুতু্বীর বিষয়টি প্রশাসন ভালভাবে জানা দরকার।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহেশখালীর নিরীহ কিছু ভূমিহীন পরিবার থেকে, আলুগোলা কুতুবী পার্বত্য এলাকায় সরকারের খাস ভূমি বরাদ্দ করিয়ে দেয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেয়।খাস ভূমি না থাকায় কুতুবী তার দলবল নিয়ে বেপরোয়াভাবে যত্রতত্র জবর দখল করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকায়, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতেছে।বিষয়টি সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী নজর না দিলে পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যাবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।