ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে বুধবার ভোরে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, ‘অতি প্রবল’ শ্রেণির এই ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। এটি নরসাপুর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পূর্বে, ইয়ানাম থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কাকিনাড়া থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং মাচিলিপত্তনম থেকে ৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি প্রায় একই স্থানে স্থির থাকলেও পরবর্তী দুই ঘণ্টা স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া চলমান থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে, যা দমকা হাওয়ার মাধ্যমে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। বিশাখাপত্তনমে ২৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ২৮ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে কালিঙ্গপত্তনমে ১৪৭ মিলিমিটার, কাকিনাড়ায় ১১৮ মিলিমিটার এবং মাচিলিপত্তনমে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া ওডিশার গঞ্জাম ও বালেশ্বর জেলাতেও ভারী বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুর্যোগের কারণে বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি গাছপালা উপড়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। কিছু এলাকায় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কয়েকটি ট্রেনের চলাচলও বাতিল করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশ বা ওডিশায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নামটি প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বিশ্ব আবহাওয়ার সংস্থা (ডব্লিউএমও) ও জাতিসংঘের এসকাপের প্যানেল কর্তৃক গৃহীত তালিকায় এই নামটি অন্তর্ভুক্ত হয়। উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় শনাক্তকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩টি দেশের দেওয়া ১৬৯টি নামের তালিকা থেকে এই নামকরণ করা হয়েছে। ‘অর্ণব’ শব্দটি মূলত সমুদ্র বা সাগরের প্রতীক।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে বুধবার ভোরে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, ‘অতি প্রবল’ শ্রেণির এই ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে। দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশার বিভিন্ন এলাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। এটি নরসাপুর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পূর্বে, ইয়ানাম থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কাকিনাড়া থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং মাচিলিপত্তনম থেকে ৯০ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তরপূর্বে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি প্রায় একই স্থানে স্থির থাকলেও পরবর্তী দুই ঘণ্টা স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া চলমান থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে, যা দমকা হাওয়ার মাধ্যমে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এছাড়া স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাসের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। বিশাখাপত্তনমে ২৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ২৮ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে কালিঙ্গপত্তনমে ১৪৭ মিলিমিটার, কাকিনাড়ায় ১১৮ মিলিমিটার এবং মাচিলিপত্তনমে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া ওডিশার গঞ্জাম ও বালেশ্বর জেলাতেও ভারী বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুর্যোগের কারণে বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি গাছপালা উপড়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। কিছু এলাকায় স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কয়েকটি ট্রেনের চলাচলও বাতিল করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশ বা ওডিশায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নামটি প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বিশ্ব আবহাওয়ার সংস্থা (ডব্লিউএমও) ও জাতিসংঘের এসকাপের প্যানেল কর্তৃক গৃহীত তালিকায় এই নামটি অন্তর্ভুক্ত হয়। উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় শনাক্তকরণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩টি দেশের দেওয়া ১৬৯টি নামের তালিকা থেকে এই নামকরণ করা হয়েছে। ‘অর্ণব’ শব্দটি মূলত সমুদ্র বা সাগরের প্রতীক।