ফিফা স্বীকৃত যেকোনো বিশ্বমঞ্চে অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশের ফুটবল। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফুটবল ফেস্টিভ্যালে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে ফিজিকে ৩-১ গোল ব্যবধানে পরাজিত করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আসরের প্রথম চার খেলায় জয়হীন থাকার পর এই স্মরণীয় জয়ে ফিফা স্বীকৃত বিশ্বকাপের যেকোনো সংস্করণে প্রথম জয়ের ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলাররা।

ম্যাচের শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম আক্রমণেই সাফল্য তুলে নেন বায়জিদ; মাঝমাঠ থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বল ডান প্রান্ত ধরে এগিয়ে নিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে প্রথম গোল এনে দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই, ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক ফাহিম। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক ফিজির গোলরক্ষক প্রথমে ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ফলে ম্যাচের প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় কোচ আকবর হোসেন রিদনের শিষ্যরা।

একপর্যায়ে দ্রুত দুই গোল হজম করে ম্যাচে ফিরতে বেশ মরিয়া হয়ে ওঠে ফিজি। তারা কয়েকবার আক্রমণের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে প্রথমার্ধেই লিড আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের ১৯ ও ২১ মিনিটে বাংলাদেশের দুটি জোরালো প্রচেষ্টা ফিজির গোলপোস্টের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের লিড বজায় রেখেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও নিজেদের আক্রমণের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিল বাংলাদেশ। তবে ২৮ মিনিটে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত আত্মঘাতী গোলের কারণে গোল হজম করতে হয় দলকে। ফিজির একটি আক্রমণ প্রতিহত করতে বাংলাদেশের গোলকিপার কিছুটা সামনে এগিয়ে এলে দলের এক ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন। এতে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করে ফিজি।

তবে গোল হজম করলেও বাংলাদেশকে বেশি সময় ব্যাকফুটে থাকতে হয়নি। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে এক দূরপাল্লার জোরালো শট নেন বায়জিদ। ফিজির গোলরক্ষক বলটি গ্রিপে নিতে ব্যর্থ হলে তার হাত গলে বল সোজা জালে আশ্রয় নেয়। এতে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে চালকের আসনে বসে লাল-সবুজের দল। খেলার বাকি সময় এই ব্যবধান ধরে রেখে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টে নিজেদের পথচলার শুরুটা বেশ কঠিন ছিল বাংলাদেশের জন্য। ইউরোপের শক্তিশালী দল ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে প্রতিযোগিতা শুরু করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হারে দলটি। তৃতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলেও চতুর্থ খেলায় বুরুন্ডির কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাস্ত হতে হয়েছিল তাদের। অবশেষে পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রত্যাশিত জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ।

ফিফা স্বীকৃত যেকোনো বিশ্বমঞ্চে অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশের ফুটবল। ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফুটবল ফেস্টিভ্যালে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে ফিজিকে ৩-১ গোল ব্যবধানে পরাজিত করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আসরের প্রথম চার খেলায় জয়হীন থাকার পর এই স্মরণীয় জয়ে ফিফা স্বীকৃত বিশ্বকাপের যেকোনো সংস্করণে প্রথম জয়ের ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলাররা।

ম্যাচের শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে খেলতে থাকে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম আক্রমণেই সাফল্য তুলে নেন বায়জিদ; মাঝমাঠ থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বল ডান প্রান্ত ধরে এগিয়ে নিয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে প্রথম গোল এনে দেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই, ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক ফাহিম। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক ফিজির গোলরক্ষক প্রথমে ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ফলে ম্যাচের প্রথম পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় কোচ আকবর হোসেন রিদনের শিষ্যরা।

একপর্যায়ে দ্রুত দুই গোল হজম করে ম্যাচে ফিরতে বেশ মরিয়া হয়ে ওঠে ফিজি। তারা কয়েকবার আক্রমণের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে প্রথমার্ধেই লিড আরও বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের ১৯ ও ২১ মিনিটে বাংলাদেশের দুটি জোরালো প্রচেষ্টা ফিজির গোলপোস্টের ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের লিড বজায় রেখেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও নিজেদের আক্রমণের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছিল বাংলাদেশ। তবে ২৮ মিনিটে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত আত্মঘাতী গোলের কারণে গোল হজম করতে হয় দলকে। ফিজির একটি আক্রমণ প্রতিহত করতে বাংলাদেশের গোলকিপার কিছুটা সামনে এগিয়ে এলে দলের এক ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন। এতে ব্যবধান কমিয়ে ২-১ করে ফিজি।

তবে গোল হজম করলেও বাংলাদেশকে বেশি সময় ব্যাকফুটে থাকতে হয়নি। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে এক দূরপাল্লার জোরালো শট নেন বায়জিদ। ফিজির গোলরক্ষক বলটি গ্রিপে নিতে ব্যর্থ হলে তার হাত গলে বল সোজা জালে আশ্রয় নেয়। এতে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে চালকের আসনে বসে লাল-সবুজের দল। খেলার বাকি সময় এই ব্যবধান ধরে রেখে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টে নিজেদের পথচলার শুরুটা বেশ কঠিন ছিল বাংলাদেশের জন্য। ইউরোপের শক্তিশালী দল ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে প্রতিযোগিতা শুরু করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হারে দলটি। তৃতীয় ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলেও চতুর্থ খেলায় বুরুন্ডির কাছে ২-০ ব্যবধানে পরাস্ত হতে হয়েছিল তাদের। অবশেষে পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রত্যাশিত জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ।