সড়কে মোটরসাইকেল চলাচলের অনিয়ম শনাক্ত করতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সরকার মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক ফলোআপ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বিআরটিএর সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেল ও স্কুটারের সামনের নম্বরপ্লেটের জন্য নির্দিষ্ট মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুটারের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্যান্য মোটরসাইকেলের জন্য দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। নম্বরপ্লেটগুলো অবশ্যই স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের হতে হবে এবং এর পটভূমি সাদা ও অক্ষর বা সংখ্যা কালো রঙের বাংলা হরফে লিখতে হবে। অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে এবং এতে কোনো প্রকার অতিরিক্ত সাজসজ্জা রাখা যাবে না।

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত প্রায় ৫১ লাখ মোটরসাইকেল রয়েছে। বিআরটিএ বর্তমানে পেছনের নম্বরপ্লেটের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে ২ হাজার ২৬০ টাকা ফি নিচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর বাড়তি খরচের বোঝা তৈরি হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, এটি কেবল সরকারি কেনাকাটা বাড়াবে এবং গ্রাহকের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করবে। তিনি আরএফআইডি ট্যাগ কেন কার্যকর হলো না, তা নিয়ে সরকারের জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলেছেন।

মোটরসাইকেল মালিকদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক মালিক বলছেন, ঢাকার বাইরে অনেক এলাকাতেই এআই ক্যামেরা নেই, ফলে সেখানে এই নম্বরপ্লেট বসানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব সুবিধা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিআরটিএ। মোটরযানে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহারের ব্যবস্থা চালু হয় ২০১২ সালে। এছাড়া, ঘন কুয়াশা বা অন্ধকারে ক্যামেরা নম্বরপ্লেট পড়তে পারবে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। অনেক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় মালিকেরা দড়ি দিয়ে নম্বরপ্লেট ঝুলিয়ে প্রতিবাদও জানিয়েছেন।

সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৩৬ (১০) অনুযায়ী এতদিন সামনে নম্বরপ্লেট প্রদর্শন থেকে অব্যাহতি ছিল। তবে কমিটির প্রতিবেদনের পর মন্ত্রণালয় বিধিমালায় পরিবর্তন এনেছে। বিআরটিএর এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে মোটরসাইকেল মালিকরা নিজেরাই নম্বরপ্লেট লাগিয়ে নেবেন বলে জানানো হলেও, ভবিষ্যতে বিআরটিএ থেকেই এই সেবা প্রদানের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন যে দরে পেছনের নম্বরপ্লেট লাগিয়ে দিচ্ছে বিআরটিএ, একই দরে সামনে নম্বরপ্লেট লাগালে প্রায় ৫১ লাখ মোটরসাইকেলের মালিকদের বাড়তি খরচ হবে ১ হাজার ১৫২ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া, প্রতিদিন গড়ে ৮০০ নতুন মোটরসাইকেল নিবন্ধন নেওয়ায় সামনের নম্বরপ্লেট বসানোর বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা।

সড়কে মোটরসাইকেল চলাচলের অনিয়ম শনাক্ত করতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সরকার মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ১৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এক ফলোআপ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বিআরটিএর সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেল ও স্কুটারের সামনের নম্বরপ্লেটের জন্য নির্দিষ্ট মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুটারের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্যান্য মোটরসাইকেলের জন্য দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। নম্বরপ্লেটগুলো অবশ্যই স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের হতে হবে এবং এর পটভূমি সাদা ও অক্ষর বা সংখ্যা কালো রঙের বাংলা হরফে লিখতে হবে। অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে এবং এতে কোনো প্রকার অতিরিক্ত সাজসজ্জা রাখা যাবে না।

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত প্রায় ৫১ লাখ মোটরসাইকেল রয়েছে। বিআরটিএ বর্তমানে পেছনের নম্বরপ্লেটের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে ২ হাজার ২৬০ টাকা ফি নিচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর বাড়তি খরচের বোঝা তৈরি হবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, এটি কেবল সরকারি কেনাকাটা বাড়াবে এবং গ্রাহকের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করবে। তিনি আরএফআইডি ট্যাগ কেন কার্যকর হলো না, তা নিয়ে সরকারের জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলেছেন।

মোটরসাইকেল মালিকদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক মালিক বলছেন, ঢাকার বাইরে অনেক এলাকাতেই এআই ক্যামেরা নেই, ফলে সেখানে এই নম্বরপ্লেট বসানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব সুবিধা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিআরটিএ। মোটরযানে ডিজিটাল নম্বরপ্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ ব্যবহারের ব্যবস্থা চালু হয় ২০১২ সালে। এছাড়া, ঘন কুয়াশা বা অন্ধকারে ক্যামেরা নম্বরপ্লেট পড়তে পারবে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। অনেক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় মালিকেরা দড়ি দিয়ে নম্বরপ্লেট ঝুলিয়ে প্রতিবাদও জানিয়েছেন।

সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৩৬ (১০) অনুযায়ী এতদিন সামনে নম্বরপ্লেট প্রদর্শন থেকে অব্যাহতি ছিল। তবে কমিটির প্রতিবেদনের পর মন্ত্রণালয় বিধিমালায় পরিবর্তন এনেছে। বিআরটিএর এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমানে মোটরসাইকেল মালিকরা নিজেরাই নম্বরপ্লেট লাগিয়ে নেবেন বলে জানানো হলেও, ভবিষ্যতে বিআরটিএ থেকেই এই সেবা প্রদানের সম্ভাবনা রয়েছে। এখন যে দরে পেছনের নম্বরপ্লেট লাগিয়ে দিচ্ছে বিআরটিএ, একই দরে সামনে নম্বরপ্লেট লাগালে প্রায় ৫১ লাখ মোটরসাইকেলের মালিকদের বাড়তি খরচ হবে ১ হাজার ১৫২ কোটি টাকার বেশি। এছাড়া, প্রতিদিন গড়ে ৮০০ নতুন মোটরসাইকেল নিবন্ধন নেওয়ায় সামনের নম্বরপ্লেট বসানোর বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা।