ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরব সাগরে মোতায়েন মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’-এ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র মজুত করা হচ্ছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, রণতরীটি পরিদর্শনের সময় সাংবাদিক শেলবি হলিডে সেখানে বিপুল অস্ত্র মজুত ও যুদ্ধবিমান পরিচালনার ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করেছেন। তিনি জানান, বিমানবাহী রণতরী এবং এর সঙ্গে থাকা গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের নাবিকরা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও বাঙ্কার-বাস্টার বোমাসহ বিপুল যুদ্ধাস্ত্র বোঝাই করছেন। এই বাঙ্কার-বাস্টার বোমাগুলো মূলত মাটির গভীরে থাকা বা শক্ত ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থাপনায় আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের সঙ্গে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই পরিস্থিতির জন্য দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যেই মার্কিন বাহিনী এই প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’-এ মাঝরাতে যুদ্ধবিমান ওঠানামা ও ফ্লাইট অপারেশন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী ইরানের ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু হতে পারে এবং সেই পরিস্থিতির জন্য রণতরীটি পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরে আরব সাগরে রণতরীটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষে ইরানে হামলা শুরু হতে পারে। এই পরিকল্পনায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে থাকা ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা নিয়ে সামরিক পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এছাড়া নতুন সামরিক অভিযানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী বোমা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ (এমওএবি) ব্যবহারের পরিকল্পনাও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক হামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরব সাগরে মোতায়েন মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’-এ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র মজুত করা হচ্ছে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, রণতরীটি পরিদর্শনের সময় সাংবাদিক শেলবি হলিডে সেখানে বিপুল অস্ত্র মজুত ও যুদ্ধবিমান পরিচালনার ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করেছেন। তিনি জানান, বিমানবাহী রণতরী এবং এর সঙ্গে থাকা গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারের নাবিকরা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও বাঙ্কার-বাস্টার বোমাসহ বিপুল যুদ্ধাস্ত্র বোঝাই করছেন। এই বাঙ্কার-বাস্টার বোমাগুলো মূলত মাটির গভীরে থাকা বা শক্ত ভূগর্ভস্থ সুরক্ষিত স্থাপনায় আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের সঙ্গে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই পরিস্থিতির জন্য দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যেই মার্কিন বাহিনী এই প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি ‘ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন’-এ মাঝরাতে যুদ্ধবিমান ওঠানামা ও ফ্লাইট অপারেশন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী ইরানের ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু হতে পারে এবং সেই পরিস্থিতির জন্য রণতরীটি পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরে আরব সাগরে রণতরীটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষে ইরানে হামলা শুরু হতে পারে। এই পরিকল্পনায় ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে থাকা ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনা নিয়ে সামরিক পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এছাড়া নতুন সামরিক অভিযানে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী বোমা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ (এমওএবি) ব্যবহারের পরিকল্পনাও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।