ফরিদপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি এবং ফরিদপুর সদরের কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো ঘটে।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আড়কান্দি সেতু-সংলগ্ন এলাকায়। মাগুরা থেকে ‘ভলেন্টিয়ার বাংলাদেশ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভায় যোগ দিতে আসা সাত শিক্ষার্থীর একটি দল অ্যাম্বুলেন্সে করে ফেরার পথে এই বিপত্তি ঘটে। এ সময় ঢাকাগামী কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সাতজনের দলের সদস্যরা হতাহত হন। এ ঘটনায় তিনজন নিহত এবং চারজন আহত হয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাব্বি (২১) নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে, বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছে। আহতদের মধ্যে সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১)-এর নাম প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে আহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এর ঠিক এক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় আরেকটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সেটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ সময় সামনে থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকটির নিচে চাপা পড়ে। এতে সুমি বেগম (৩২) ও তার সাত বছরের ছেলে শাওন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ (৩৮) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া সন্ধ্যার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ বালুর নিচ থেকে অজ্ঞাতনামা এক ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার করে।

ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় মোট ৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।

ফরিদপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি এবং ফরিদপুর সদরের কানাইপুরের তেঁতুলতলা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো ঘটে।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আড়কান্দি সেতু-সংলগ্ন এলাকায়। মাগুরা থেকে ‘ভলেন্টিয়ার বাংলাদেশ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভায় যোগ দিতে আসা সাত শিক্ষার্থীর একটি দল অ্যাম্বুলেন্সে করে ফেরার পথে এই বিপত্তি ঘটে। এ সময় ঢাকাগামী কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সাতজনের দলের সদস্যরা হতাহত হন। এ ঘটনায় তিনজন নিহত এবং চারজন আহত হয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাব্বি (২১) নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে, বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ চলছে। আহতদের মধ্যে সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১)-এর নাম প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে আহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এর ঠিক এক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় আরেকটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সেটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ সময় সামনে থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকটির নিচে চাপা পড়ে। এতে সুমি বেগম (৩২) ও তার সাত বছরের ছেলে শাওন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। একই ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ (৩৮) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া সন্ধ্যার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ বালুর নিচ থেকে অজ্ঞাতনামা এক ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার করে।

ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় মোট ৬ জন নিহত হয়েছেন এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।