নারায়ণগঞ্জ বন্দরে মাকসুদা বেগম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনায় আহত রাসেল ইসলামের যথাযথ চিকিৎসার দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিহতের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহতের ছেলে ও ঘটনায় আহত রাসেল ইসলাম, মো. জজ মিয়া, মেয়ে শারমিন আক্তার এবং বোন মোসা. নাসরিন সুলতানা, আনোয়ারা বেগম ও ছানোয়ারা বেগমসহ অন্যান্যরা।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর থানাধীন মাহমুদনগরে ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভাঙারি ব্যবসার লেনদেনসংক্রান্ত পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাকসুদা বেগমের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই বা পরবর্তী সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে তার ছেলে রাসেল ইসলামকেও মারধর করে আহত করা হয়।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাদ্দাম হোসেন, সামাউন হাবিব, তায়েম হাবিব, ওয়ালিদ মুন্সী, খোকন মিয়া ওরফে তুরগ আলী এবং মো. সিয়ামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুই থেকে চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে মাকসুদা বেগম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। এছাড়া নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনায় আহত রাসেল ইসলামের যথাযথ চিকিৎসার দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিহতের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহতের ছেলে ও ঘটনায় আহত রাসেল ইসলাম, মো. জজ মিয়া, মেয়ে শারমিন আক্তার এবং বোন মোসা. নাসরিন সুলতানা, আনোয়ারা বেগম ও ছানোয়ারা বেগমসহ অন্যান্যরা।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর থানাধীন মাহমুদনগরে ইনসি সিমেন্ট ফ্যাক্টরির সামনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভাঙারি ব্যবসার লেনদেনসংক্রান্ত পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাকসুদা বেগমের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই বা পরবর্তী সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে তার ছেলে রাসেল ইসলামকেও মারধর করে আহত করা হয়।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সাদ্দাম হোসেন, সামাউন হাবিব, তায়েম হাবিব, ওয়ালিদ মুন্সী, খোকন মিয়া ওরফে তুরগ আলী এবং মো. সিয়ামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুই থেকে চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।