মাদকবিরোধী অভিযানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের পিস্তল প্রদর্শনের বিষয়টি আইনগতভাবে সম্পূর্ণ বিতর্কিত এবং নীতিমালার পরিপন্থী। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যে কোনো সাধারণ নাগরিক অপরাধীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে পারেন। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে স্বউদ্যোগে পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতো “অভিযান” বা “অ্যাকশন” চালানোর আইনি এখতিয়ার কোনো জনপ্রতিনিধি বা প্রতিমন্ত্রীর নেই।

একজন সংসদ সদস্য বা আইনপ্রণেতার মূল কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, নিজে আইন অমান্য করা বা বিতর্কিত আচরণ না করা। সরকারের নীতি নির্ধারণ করা মন্ত্রীদের কাজ, আর মাঠে আইন প্রয়োগ করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ।

প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন, তাঁর হাতের পিস্তলটি বৈধ ও লাইসেন্সকৃত এবং তিনি আত্মরক্ষার্থে এটি বের করেছিলেন। তবে বাংলাদেশের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ বা লাইসেন্স প্রাপ্ত অস্ত্রও অন্যের মনে ভীতি বা বিরক্তি সৃষ্টি করে এমনভাবে জনসমক্ষে প্রদর্শন বা তাক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। লাইসেন্সকৃত ব্যক্তিগত অস্ত্র কেবল তখনই ব্যবহার বা প্রদর্শন করা যায়, যখন নিজের জীবন বা সম্পদের ওপর তাৎক্ষণিক ও প্রত্যক্ষভাবে বড় কোনো আক্রমণ বা বিপদের আশঙ্কা থাকে । কাউকে তাড়া করার জন্য বা অপরাধী ধরার উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত অস্ত্র উঁচিয়ে অভিযান চালানো এই নীতিমালার স্পষ্ট পরিপন্থী এবং আইনত দণ্ডনীয়।

একজন প্রতিমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য সরকারি পুলিশ ফোর্স নিয়োজিত থাকে। ফলে এই ধরনের অভিযানে নিজের ব্যক্তিগত অস্ত্র প্রদর্শনের কোনো আইনি বা বাস্তব প্রয়োজনীয়তার সুযোগ থাকে না। প্রতিমন্ত্রীর এই আচরণে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তারা এটাও বলছে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার জন্য স্থানীয় থানার পুলিশের সহায়তা নিতে পারতেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তারা সক্রিয় থাকলে হয়তো বা প্রতিমন্ত্রীকে এই কাজ করতে হতো না।

মাদকবিরোধী অভিযানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের পিস্তল প্রদর্শনের বিষয়টি আইনগতভাবে সম্পূর্ণ বিতর্কিত এবং নীতিমালার পরিপন্থী। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যে কোনো সাধারণ নাগরিক অপরাধীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে পারেন। কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে স্বউদ্যোগে পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতো “অভিযান” বা “অ্যাকশন” চালানোর আইনি এখতিয়ার কোনো জনপ্রতিনিধি বা প্রতিমন্ত্রীর নেই।

একজন সংসদ সদস্য বা আইনপ্রণেতার মূল কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, নিজে আইন অমান্য করা বা বিতর্কিত আচরণ না করা। সরকারের নীতি নির্ধারণ করা মন্ত্রীদের কাজ, আর মাঠে আইন প্রয়োগ করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ।

প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন, তাঁর হাতের পিস্তলটি বৈধ ও লাইসেন্সকৃত এবং তিনি আত্মরক্ষার্থে এটি বের করেছিলেন। তবে বাংলাদেশের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ বা লাইসেন্স প্রাপ্ত অস্ত্রও অন্যের মনে ভীতি বা বিরক্তি সৃষ্টি করে এমনভাবে জনসমক্ষে প্রদর্শন বা তাক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। লাইসেন্সকৃত ব্যক্তিগত অস্ত্র কেবল তখনই ব্যবহার বা প্রদর্শন করা যায়, যখন নিজের জীবন বা সম্পদের ওপর তাৎক্ষণিক ও প্রত্যক্ষভাবে বড় কোনো আক্রমণ বা বিপদের আশঙ্কা থাকে । কাউকে তাড়া করার জন্য বা অপরাধী ধরার উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত অস্ত্র উঁচিয়ে অভিযান চালানো এই নীতিমালার স্পষ্ট পরিপন্থী এবং আইনত দণ্ডনীয়।

একজন প্রতিমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য সরকারি পুলিশ ফোর্স নিয়োজিত থাকে। ফলে এই ধরনের অভিযানে নিজের ব্যক্তিগত অস্ত্র প্রদর্শনের কোনো আইনি বা বাস্তব প্রয়োজনীয়তার সুযোগ থাকে না। প্রতিমন্ত্রীর এই আচরণে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তারা এটাও বলছে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করার জন্য স্থানীয় থানার পুলিশের সহায়তা নিতে পারতেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তারা সক্রিয় থাকলে হয়তো বা প্রতিমন্ত্রীকে এই কাজ করতে হতো না।