নগর প্রতিবেদক: ভুয়া তথ্যে ‘অনিয়মের’ গল্প,সিডিএ কর্মকর্তার চরিত্রহননের ঘৃণ্য অপচেষ্টা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর অসঙ্গতি- সরকারি e-GP বলছে এক কথা, সংবাদে দেখানো ফটোকার্ড বলছে আরেক কথা। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের একটি টেন্ডার নিয়ে প্রকাশিত তথাকথিত ‘অনিয়মের’ অভিযোগের নেপথ্যে পাওয়া গেছে বিভ্রান্তিকর তথ্য, তৃতীয় পক্ষের হিসাব এবং সরকারি e-GP রেকর্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নথি।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সরকারি নথি যাচাই না করেই এসব তথ্যের ভিত্তিতে একজন সরকারি কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টরা পরিকল্পিত অপপ্রচার ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছিল, কম দর দেওয়া প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বেশি দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি e-GP-এর Finalized Evaluation Status বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট দরপত্রে চারটি প্রতিষ্ঠানই Technically Non-Responsive ছিল। অর্থাৎ শুধু দর কম হওয়াকে সামনে এনে তাদের ‘সর্বনিম্ন দরদাতা’ হিসেবে কাজ পাওয়ার যোগ্য দেখানোর চেষ্টা প্রকৃত মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকেই আড়াল করেছে। আরও বিস্ময়কর তথ্য হলো, অভিযোগের পক্ষে ব্যবহার করা eTenderBD-এর SLT Calculation সরকারি e-GP-এর কোনো মূল্যায়ন নয়। প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব Disclaimer-এই জানিয়েছে, তাদের হিসাব কোনো নির্দিষ্ট সরকারি টেন্ডারের চূড়ান্ত মূল্যায়ন বা Award Decision হিসেবে বিবেচ্য নয়।

অনুসন্ধানে কথিত Notification of Award (NOA)-তেও গুরুতর অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। সেখানে প্রকল্পের নাম দেখানো হয়েছে “Preparation of Chattogram Metropolitan Master Plan (2020-2041)”, অথচ সরকারি e-GP-তে প্রকল্পের প্রকৃত নাম “Preparation of Chattogram Metropolitan Master Plan Project”। একইভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পদবিও কথিত নথিতে সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মেলেনি।

সরকারি e-GP-এর আসল Letter of Acceptance-এর format, electronic signature, tender information ও সংশ্লিষ্ট system record-এর সঙ্গেও প্রচারিত কথিত NOA-এর মিল পাওয়া যায়নি। তুলনামূলক পর্যালোচনায় নথিগুলোকে সরকারি e-GP-এর authenticated document হিসেবে গ্রহণের সুযোগ নেই বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈছা আনচারী দি ক্রাইমকে বলেন, সরকারি e-GP রেকর্ড হাতের নাগালে থাকা সত্ত্বেও সেটি যাচাই না করে অসামঞ্জস্যপূর্ণ screenshot third-party calculation-এর ওপর দাঁড়িয়ে একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তোলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি শুধু ভুল তথ্য পরিবেশন নয়; বরং একজন সরকারি কর্মকর্তার পেশাগত সম্মান, সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি ন্যক্কারজনক অপচেষ্টা।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কখনোই ভুয়া নথি দিয়ে কাউকে হেয় করা কিংবা চরিত্রহননের লাইসেন্স হতে পারে না। সরকারি e-GP-এর প্রকৃত রেকর্ডই শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট করে দিয়েছে-‘অনিয়মের’ যে গল্প প্রচার করা হয়েছে, তার ভিত্তিটাই প্রশ্নবিদ্ধ।

নগর প্রতিবেদক: ভুয়া তথ্যে ‘অনিয়মের’ গল্প,সিডিএ কর্মকর্তার চরিত্রহননের ঘৃণ্য অপচেষ্টা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর অসঙ্গতি- সরকারি e-GP বলছে এক কথা, সংবাদে দেখানো ফটোকার্ড বলছে আরেক কথা। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের একটি টেন্ডার নিয়ে প্রকাশিত তথাকথিত ‘অনিয়মের’ অভিযোগের নেপথ্যে পাওয়া গেছে বিভ্রান্তিকর তথ্য, তৃতীয় পক্ষের হিসাব এবং সরকারি e-GP রেকর্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নথি।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সরকারি নথি যাচাই না করেই এসব তথ্যের ভিত্তিতে একজন সরকারি কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা সংশ্লিষ্টরা পরিকল্পিত অপপ্রচার ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছিল, কম দর দেওয়া প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বেশি দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি e-GP-এর Finalized Evaluation Status বলছে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট দরপত্রে চারটি প্রতিষ্ঠানই Technically Non-Responsive ছিল। অর্থাৎ শুধু দর কম হওয়াকে সামনে এনে তাদের ‘সর্বনিম্ন দরদাতা’ হিসেবে কাজ পাওয়ার যোগ্য দেখানোর চেষ্টা প্রকৃত মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকেই আড়াল করেছে। আরও বিস্ময়কর তথ্য হলো, অভিযোগের পক্ষে ব্যবহার করা eTenderBD-এর SLT Calculation সরকারি e-GP-এর কোনো মূল্যায়ন নয়। প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব Disclaimer-এই জানিয়েছে, তাদের হিসাব কোনো নির্দিষ্ট সরকারি টেন্ডারের চূড়ান্ত মূল্যায়ন বা Award Decision হিসেবে বিবেচ্য নয়।

অনুসন্ধানে কথিত Notification of Award (NOA)-তেও গুরুতর অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। সেখানে প্রকল্পের নাম দেখানো হয়েছে “Preparation of Chattogram Metropolitan Master Plan (2020-2041)”, অথচ সরকারি e-GP-তে প্রকল্পের প্রকৃত নাম “Preparation of Chattogram Metropolitan Master Plan Project”। একইভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পদবিও কথিত নথিতে সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মেলেনি।

সরকারি e-GP-এর আসল Letter of Acceptance-এর format, electronic signature, tender information ও সংশ্লিষ্ট system record-এর সঙ্গেও প্রচারিত কথিত NOA-এর মিল পাওয়া যায়নি। তুলনামূলক পর্যালোচনায় নথিগুলোকে সরকারি e-GP-এর authenticated document হিসেবে গ্রহণের সুযোগ নেই বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈছা আনচারী দি ক্রাইমকে বলেন, সরকারি e-GP রেকর্ড হাতের নাগালে থাকা সত্ত্বেও সেটি যাচাই না করে অসামঞ্জস্যপূর্ণ screenshot third-party calculation-এর ওপর দাঁড়িয়ে একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তোলা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি শুধু ভুল তথ্য পরিবেশন নয়; বরং একজন সরকারি কর্মকর্তার পেশাগত সম্মান, সামাজিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার একটি ন্যক্কারজনক অপচেষ্টা।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কখনোই ভুয়া নথি দিয়ে কাউকে হেয় করা কিংবা চরিত্রহননের লাইসেন্স হতে পারে না। সরকারি e-GP-এর প্রকৃত রেকর্ডই শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট করে দিয়েছে-‘অনিয়মের’ যে গল্প প্রচার করা হয়েছে, তার ভিত্তিটাই প্রশ্নবিদ্ধ।