নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(সিডিএ)তে ইন্টেরিম সরকারের দায়িত্বকালীন সময়ে বিতর্কিত নিয়োগে ১৮ জন ইমারত পরিদর্শক নিয়োগ করা সত্বেও দীর্ঘদিন যাবৎ ইমারত পরিদর্শক পদে চাকুরীরত বেশ কয়েকজনকে উপসহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেওয়া সত্বেও তারা ইমারত পরিদর্শক পদে বহাল তবিয়তে রয়েছে। পদোন্নতি প্রাপ্তদের স্ব পদে নিয়ে নতুন ইমারত পরিদর্শকদের বহাল করে অথরাইজড শাখাকে কালিমা মুক্ত করা বাঞ্চনীয়।
সুত্রে জানা গেছে, যাদের উপসহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি হয়েছে তারা বেতনভাতাসহ সরকারী বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায় করলেও তাদেরকে রহস্যজনক কারণে তাদের প্রাপ্য পদে পোস্টিং করছেনা। পদোন্নতি প্রাপ্ত উপসহকারী প্রকৌশলীরা হলেন-আবদুর রশীদ,কামরুল ইসলাম চৌধূরী, তোফাইল আহাম্মদ, স্বদেশ বড়ুয়া,বিমান বড়ুয়া,সৈকত পাল ও মিজান চৌধূরী। অতি সম্প্রতি মিজান চৌধূরীকে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসাবে রংপুরে বদলী করা হয়েছে।
সুত্রটি আরো জানান, উল্লেখিত উপসহকারী প্রকৌশলীরা দীর্ঘ ১৬/১৭ বছর যাবৎ একই পদে চাকুরী করার কারণে তারা মাঠ পর্যায়ে নকশা রিপোর্ট প্রদানে নয়ছয় করাসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত রয়েছে। একই সাথে অথরাইজড অফিসার ও সহকারী অথরাইজড অফিসাদের দালালিকৃত নকশাগুলো তারা সঠিকভাবে সাইট ভিজিট না করে যেনতেনভাবে মাঠ পর্যায়ের রিপোর্ট দিচ্ছে। এমনকি তাদের ফরমাইস মতো রিপোর্ট না দিলে তাদেরকে হুমকি ধামকিসহ সাইট থেকে বদলি করে অন্য সাইটে দেওয়া হচ্ছে।
মূলত অপরিকল্পিত নগরায়নের জন্য এরাই দায়ী বলে সংশ্লিষ্ঠরা মনে করেন। এ হেন অপকর্মে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ঠরা এ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নিতে পরিলক্ষিত হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নকশানুমোদনে মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ বা তদরকি করে তারা যদি অর্থের মোহে না পরে সঠিক তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করে তাহলে লাঘামহীন দুর্ণীতি অনেকাংশ কমে যাবে। এছাড়াও এ পদগুলোতে যারা চাকুরী করে তাদেরকে ৬ মাস অন্তর পরিবর্তন করলে দুর্ণীতির শিকর উপড়ে ফেলা সম্ভব।
ধারাবাহিক পর্ব-১




