নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সাবেক ব্যাংকার সঞ্জীব পালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। গত শুক্রবার (০২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক ব্যাংকার সঞ্জীব পাল। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সঞ্জীব পাল অভিযোগ করেন, আমার প্রতিবেশী ভূমিদস্যু চন্দন পাল, সুমন পাল, লিটন পাল, নিউটন পাল, শিমুল পাল, টিটু পাল ও নৃপতি পাল গণ একটি ফেইজবুক পেজের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় আমিও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছে সেই সাথে ভিডিওর কমেন্টে আমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের কাছে আমিও আমার পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চাই।

সঞ্জীব পাল আরো বলেন, একটি ভিডিও কনফারেন্সে সুমন পাল ও শিমুল পাল দাবি করেন অর্পিত সম্পত্তির মালিক সুরেশ চন্দ্র ও অমিয় চন্দ্র পালের ওয়ারিশ হিসেবে তাদের মাতা যথাক্রমে শ্যামলা বালা পাল, প্রকাশ জ্যোৎস্নাময়ী পাল,আশা রাণী পাল সুরেশ চন্দ্র ও অমিয় চন্দ্র পালের সম্পত্তির মালিক হবেন। কিন্তু তাদের মাতা অর্পিত সম্পত্তির মালিক সুরেশ চন্দ্র ও অমিয় চন্দ্র পালের চাচাতো কন্যা হলেও হিন্দু দায়ভাগ আইন অনুসারে ৫১ জন ওয়ারিশের মধ্যে তাহারা কোথাও ওয়ারিশ বিবেচিত না হওয়ায় তাহাদের অনুকূলে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ হ’তে আইনগত কোন সুযোগ না থাকায় একমাত্র ওয়ারিশ সূত্রে দাবিদার আমি ও আমার ভ্রাতা সুজিত পাল রায় ও বিক্রি মূলে উত্তরাধিকারী হিসাবে স্বত্ব দখলে নিয়ত আছি।

উল্লেখিত ব্যক্তিগণের মধ্যে সুমন পাল লীজ মূলে সম্পত্তির মালিক মর্মে দাবি করিলেও অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন অনুযায়ী ওয়ারিশ ক্রম অনুসারে প্রত্যার্পণ পাইবার অধিকারী বটে। নিজ মূলে সম্পত্তি প্রত্যার্পণ করার আইনগত কোন সুযোগ নাই।

নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সাবেক ব্যাংকার সঞ্জীব পালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। গত শুক্রবার (০২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক ব্যাংকার সঞ্জীব পাল। এ সময় তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে সঞ্জীব পাল অভিযোগ করেন, আমার প্রতিবেশী ভূমিদস্যু চন্দন পাল, সুমন পাল, লিটন পাল, নিউটন পাল, শিমুল পাল, টিটু পাল ও নৃপতি পাল গণ একটি ফেইজবুক পেজের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় আমিও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছে সেই সাথে ভিডিওর কমেন্টে আমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের কাছে আমিও আমার পরিবারের জীবনের নিরাপত্তা চাই।

সঞ্জীব পাল আরো বলেন, একটি ভিডিও কনফারেন্সে সুমন পাল ও শিমুল পাল দাবি করেন অর্পিত সম্পত্তির মালিক সুরেশ চন্দ্র ও অমিয় চন্দ্র পালের ওয়ারিশ হিসেবে তাদের মাতা যথাক্রমে শ্যামলা বালা পাল, প্রকাশ জ্যোৎস্নাময়ী পাল,আশা রাণী পাল সুরেশ চন্দ্র ও অমিয় চন্দ্র পালের সম্পত্তির মালিক হবেন। কিন্তু তাদের মাতা অর্পিত সম্পত্তির মালিক সুরেশ চন্দ্র ও অমিয় চন্দ্র পালের চাচাতো কন্যা হলেও হিন্দু দায়ভাগ আইন অনুসারে ৫১ জন ওয়ারিশের মধ্যে তাহারা কোথাও ওয়ারিশ বিবেচিত না হওয়ায় তাহাদের অনুকূলে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ হ’তে আইনগত কোন সুযোগ না থাকায় একমাত্র ওয়ারিশ সূত্রে দাবিদার আমি ও আমার ভ্রাতা সুজিত পাল রায় ও বিক্রি মূলে উত্তরাধিকারী হিসাবে স্বত্ব দখলে নিয়ত আছি।

উল্লেখিত ব্যক্তিগণের মধ্যে সুমন পাল লীজ মূলে সম্পত্তির মালিক মর্মে দাবি করিলেও অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন অনুযায়ী ওয়ারিশ ক্রম অনুসারে প্রত্যার্পণ পাইবার অধিকারী বটে। নিজ মূলে সম্পত্তি প্রত্যার্পণ করার আইনগত কোন সুযোগ নাই।