নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম দীর্ঘদিন ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। আজ রোববার (০৪ অক্টোবর) রাত ২টায় শিক্ষার্থী মহুয়ার মৃত্যুর বিষয়টি সহপাঠীদের নিশ্চিত করেছেন তার বোন। মহুয়ার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে। তারা ঢাকার সাভার উপজেলায় থাকতেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার আগে থেকেই ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এই শিক্ষার্থী। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

ইসরাফিল হোসেন মানিক বলেন, মহুয়া গত আগস্টের ১৪ তারিখ আমাকে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে বলেছিল, ভাইয়া, সাভার এনাম মেডিক্যালে জরুরি ঙ+ রক্ত লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য রক্ত লাগবে? তখন বলল, ‘ভাইয়া, আমার জন্যই। আমার রক্তের প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে, তাই প্লাটিলেট দেওয়া প্রয়োজন।
এরপর রক্তের ব্যবস্থা করার জন্য প্রায়-৭/৮ জনকে নেওয়া হলেও কারও সাথেই গ্রুপের মিল ছিল না। পরে একজনের সাথে মিল পাওয়া গেলে ওই রাতেই তাকে প্ল্যাটিলেট দেওয়া হয়’।

তিনি আরও বলেন, ‘লিউকেমিয়ার চিকিৎসা চলছিল ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে। কিছুদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে মাত্র একদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার কথা ছিল তার’।

নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম দীর্ঘদিন ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। আজ রোববার (০৪ অক্টোবর) রাত ২টায় শিক্ষার্থী মহুয়ার মৃত্যুর বিষয়টি সহপাঠীদের নিশ্চিত করেছেন তার বোন। মহুয়ার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে। তারা ঢাকার সাভার উপজেলায় থাকতেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার আগে থেকেই ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এই শিক্ষার্থী। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী।

ইসরাফিল হোসেন মানিক বলেন, মহুয়া গত আগস্টের ১৪ তারিখ আমাকে ভয়েস ম্যাসেজ পাঠিয়ে বলেছিল, ভাইয়া, সাভার এনাম মেডিক্যালে জরুরি ঙ+ রক্ত লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য রক্ত লাগবে? তখন বলল, ‘ভাইয়া, আমার জন্যই। আমার রক্তের প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে, তাই প্লাটিলেট দেওয়া প্রয়োজন।
এরপর রক্তের ব্যবস্থা করার জন্য প্রায়-৭/৮ জনকে নেওয়া হলেও কারও সাথেই গ্রুপের মিল ছিল না। পরে একজনের সাথে মিল পাওয়া গেলে ওই রাতেই তাকে প্ল্যাটিলেট দেওয়া হয়’।

তিনি আরও বলেন, ‘লিউকেমিয়ার চিকিৎসা চলছিল ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে। কিছুদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে মাত্র একদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার কথা ছিল তার’।