প্রেস বিজ্ঞপ্তি: হযরত শাহ সূফি আমানত খান (রহ) দরবার শরীফ ও খানকায়ে আমানতীয়া বেলায়েতীয়া শরীফ এর ব্যবস্থাপনায় ১২ দিনব্যাপী দো-জাহানের কামলিওয়ালা নবী রহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (দ.) পৃথিবীতে শুভাগমন উপলক্ষে ১ম বারের মতো পবিত্র জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) মাহফিল গত ২৬ আগস্ট বুধবার আওলাদে কুতুবুল আকতাব, হযরত শাহসুফি আমানত খান (রহ.) ও খানকায়ে আমানতীয়া বেলায়েতীয়া শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ আল- আমানতীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় জশনে জুলুসে অংশগ্রহণ করেন হযরত শাহ সুফি আমানত খান (রহ.) ফাউন্ডেশন মহানগরের সেক্রেটারি মুহাম্মদ মশিউর রহমান খাদেম জনি, আতাউল গনি রকি ও সাইফুদ্দিন আহমেদ, আওলাদে পাক শাজ্জাদানশীন শাহজাদা ইজাজ উদ্দিন মুহাম্মদ আজীম খান, মো জোবাইর ইউছুপ, দরগাহ শরিফ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ তবারক আলী, মুহাম্মদ রানা, মুহাম্মদ আবু মুছা কাদেরী আল চিশতী, সায়ের মনির উদ্দিন আল কাদেরী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এতে বণার্ঢ্য র্যালী নগরীর বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে হজরত শাহ সূফি আমানত খান(র) দরবার শরীফে এসে শেষ হয়। সকল কার্যক্রম শেষে উপস্থিত গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ, বাবাজান কেবলার আশেক, ভক্ত ও আগত মুসল্লিদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।
জশনে জুলুসে শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ খান মারুফ শাহ আল-আমানতী বলেন, সূরা আম্বিয়া ১০৭ নং আয়াতে আল্লাহ পাক এরশাদ করেন, সমগ্র সৃষ্টি জগতের জন্য প্রিয় রাসূল (দ.) কে রহমত স্বরুপ প্রেরন করেছেন, আমাদের উচিত প্রিয় নবী করিম (দ.) এর সুন্নত, আদর্শ মেনে নিজেদের জীবনকে সাজানো। সূরা ইউনুসে ৫৮ নং আয়াতে আল্লাহ পাক বলেন, হে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি বলে দিন, আল্লাহর রহমত প্রাপ্তি ও অনুগ্রহ হিসেবে মুমিন মুসলমানগনের খুশি উদযাপন করা উচিত এবং এটা তাদের অর্জিত সকল কর্মফলের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। ইসলামি আকীদা ও শরীয়তের দৃষ্টিতে আহলে বায়াতে রাসুল (দ.) এবং আসহাবে রাসুল বা সাহাবায়ে কেরাম (দ.) উভয় দলেরই মর্যাদা অত্যন্ত উঁচুতে।
মুসলিম জীবনে উভয়ের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও শ্রদ্ধা পোষণ করা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আহলে বায়াতে রাসুল (দ.)-এর রক্ত ও বংশগত আমানতের প্রতীক, আর সাহাবায়ে কেরাম হলেন তাঁর নবুয়তের শিক্ষা, আদর্শ ও দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়ার বিশ্বস্ত ধারক ও বাহক। তাই আমাদের জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁদের আদর্শকে ধারন ও অনুকরন করা ঈমানী দায়িত্ব।




