দি ক্রাইম ডেস্ক: প্রায় ১৮ বছর ধরে টোল আদায় চললেও চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী উপজেলার সংযোগস্থল সাঙ্গু নদীর ওপর নির্মিত তৈলারদ্বীপ সেতুর টোল এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। সেতুর টোল আদায় ও ইজারা বাতিলের দাবি জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার পাঠিয়েছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অধীন সেতুগুলোতে নতুন করে টোল আদায়ের সিদ্ধান্তের আলোচনার মধ্যেই চিঠি পাঠান তিনি।

চিঠিতে মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সাঙ্গু নদীর ওপর নির্মিত পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী-টৈটং সড়কের তৈলারদ্বীপ সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। প্রতিদিন এ সেতু ব্যবহার করে হাজারো মানুষ কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে চলাচল করেন।

তিনি বলেন, প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী একটি সেতুর নির্মাণ ব্যয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টোলের মাধ্যমে উঠে আসার কথা। কিন্তু তৈলারদ্বীপ সেতুতে প্রায় ১৮ বছর ধরে টোল আদায় চলমান রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় জনগণ, যাত্রী ও পরিবহন মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয়ের পাশাপাশি নিত্যদিনের যানজট ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংসদ সদস্য বলেন, টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হওয়ায় মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবহন পরিচালনার ব্যয়ও বাড়ছে। এর প্রভাব পণ্য পরিবহন ব্যয় ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত খরচের ওপরও পড়ছে। তাই জনদুর্ভোগ কমানো, সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করা এবং পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৈলারদ্বীপ সেতুর টোল আদায় ও ইজারা বাতিল করা জরুরি।

ডিও লেটারে তিনি বিষয়টি মানবিক ও জনস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের পটিয়া, আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তৈলারদ্বীপ সেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। সেতুটি ব্যবহার করে প্রতিদিন দক্ষিণ চট্টগ্রামের হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির টোল আদায় নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

তাদের অভিযোগ, টোল আদায়ের কারণে একদিকে যাতায়াত ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে টোল প্লাজায় যানজট সৃষ্টি হয়ে সময় ও জ্বালানির অপচয় হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরেই সেতুটির টোল প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা।

দি ক্রাইম ডেস্ক: প্রায় ১৮ বছর ধরে টোল আদায় চললেও চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী উপজেলার সংযোগস্থল সাঙ্গু নদীর ওপর নির্মিত তৈলারদ্বীপ সেতুর টোল এখনো প্রত্যাহার করা হয়নি। সেতুর টোল আদায় ও ইজারা বাতিলের দাবি জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার পাঠিয়েছেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অধীন সেতুগুলোতে নতুন করে টোল আদায়ের সিদ্ধান্তের আলোচনার মধ্যেই চিঠি পাঠান তিনি।

চিঠিতে মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সাঙ্গু নদীর ওপর নির্মিত পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী-টৈটং সড়কের তৈলারদ্বীপ সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। প্রতিদিন এ সেতু ব্যবহার করে হাজারো মানুষ কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে চলাচল করেন।

তিনি বলেন, প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী একটি সেতুর নির্মাণ ব্যয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টোলের মাধ্যমে উঠে আসার কথা। কিন্তু তৈলারদ্বীপ সেতুতে প্রায় ১৮ বছর ধরে টোল আদায় চলমান রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় জনগণ, যাত্রী ও পরিবহন মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয়ের পাশাপাশি নিত্যদিনের যানজট ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

সংসদ সদস্য বলেন, টোল প্লাজায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হওয়ায় মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং পরিবহন পরিচালনার ব্যয়ও বাড়ছে। এর প্রভাব পণ্য পরিবহন ব্যয় ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত খরচের ওপরও পড়ছে। তাই জনদুর্ভোগ কমানো, সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল নিশ্চিত করা এবং পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৈলারদ্বীপ সেতুর টোল আদায় ও ইজারা বাতিল করা জরুরি।

ডিও লেটারে তিনি বিষয়টি মানবিক ও জনস্বার্থের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের পটিয়া, আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তৈলারদ্বীপ সেতু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। সেতুটি ব্যবহার করে প্রতিদিন দক্ষিণ চট্টগ্রামের হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটির টোল আদায় নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

তাদের অভিযোগ, টোল আদায়ের কারণে একদিকে যাতায়াত ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে টোল প্লাজায় যানজট সৃষ্টি হয়ে সময় ও জ্বালানির অপচয় হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরেই সেতুটির টোল প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়রা।