নগর প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে আগস্টের শুরু থেকেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ নিয়ে নগর ও জেলার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জনই চট্টগ্রাম জেলার বাসিন্দা। অর্থাৎ বিভাগের মোট মৃত্যুর ৮১ শতাংশই হয়েছে এই জেলায়। একই সময়ে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮ জন, যা বিভাগে মোট আক্রান্তের ৩৬ শতাংশ।বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে এসব জানা গেছে।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে চট্টগ্রাম জেলা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৫ জন। বিভাগের অন্যান্য জেলায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৯০ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছর আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের পুরো সেপ্টেম্বরকে ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত য়েছিলেন ২ হাজার ৫১৪ জন। মারা গিয়েছিলেন চারজন। চলতি বছরের প্রথম ১৪ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৯৮ জন। এ সময়ে মারা গেছেন নয়জন।

গত বছর চট্টগ্রাম বিভাগে মোট ১৫ হাজার ৬৩৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মারা যান ৩১ জন। এর আগে ২০২৩ সালে বিভাগে ডেঙ্গুর সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়। ওই বছর ৪৪ হাজার ৫১৫ জন আক্রান্তের বিপরীতে মারা যান ১২৬ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১৫ হাজার ৪৫০ জন। মারা যান ৫৫ জন।

জানা গেছে, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর দিক থেকে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি।বিভাগের মৃত ১৬ জনের মধ্যে ১২ জন নারী ও চারজন পুরুষ। মৃতদের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম তাসমিম (৪)। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ডেথ রিভিউ প্রতিবেদন শেষে গত মঙ্গলবার তালিকায় শিশুটির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী জানিয়েছেন, নারী ও শিশুদের জ্বর বা শারীরিক সমস্যাকে অবহেলা করার প্রবণতা রয়েছে। ফলে অনেকেই দেরিতে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যান। এ কারণে তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি।

চলতি বছর চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮ হাজার ৪৮২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী চট্টগ্রাম জেলায়। এরপর কক্সবাজারে ১ হাজার ২৯০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এ জেলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

কুমিল্লায় চমেক হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ৭৫ জন। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে বান্দরবানে। সেখানে ৮৬৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। মারা গেছেন দুজন। আক্রান্তের সংখ্যায় বিভাগের মধ্যে বান্দরবান চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। সবচেয়ে কম ১১২ জন রোগী পাওয়া গেছে রাঙামাটিতে।

নগর প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে আগস্টের শুরু থেকেই ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ নিয়ে নগর ও জেলার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৩ জনই চট্টগ্রাম জেলার বাসিন্দা। অর্থাৎ বিভাগের মোট মৃত্যুর ৮১ শতাংশই হয়েছে এই জেলায়। একই সময়ে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮ জন, যা বিভাগে মোট আক্রান্তের ৩৬ শতাংশ।বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে এসব জানা গেছে।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে চট্টগ্রাম জেলা সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৮৫ জন। বিভাগের অন্যান্য জেলায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৯০ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছর আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের পুরো সেপ্টেম্বরকে ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত য়েছিলেন ২ হাজার ৫১৪ জন। মারা গিয়েছিলেন চারজন। চলতি বছরের প্রথম ১৪ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮৯৮ জন। এ সময়ে মারা গেছেন নয়জন।

গত বছর চট্টগ্রাম বিভাগে মোট ১৫ হাজার ৬৩৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মারা যান ৩১ জন। এর আগে ২০২৩ সালে বিভাগে ডেঙ্গুর সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়। ওই বছর ৪৪ হাজার ৫১৫ জন আক্রান্তের বিপরীতে মারা যান ১২৬ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১৫ হাজার ৪৫০ জন। মারা যান ৫৫ জন।

জানা গেছে, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর দিক থেকে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি।বিভাগের মৃত ১৬ জনের মধ্যে ১২ জন নারী ও চারজন পুরুষ। মৃতদের মধ্যে চার শিশুও রয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম তাসমিম (৪)। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ডেথ রিভিউ প্রতিবেদন শেষে গত মঙ্গলবার তালিকায় শিশুটির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী জানিয়েছেন, নারী ও শিশুদের জ্বর বা শারীরিক সমস্যাকে অবহেলা করার প্রবণতা রয়েছে। ফলে অনেকেই দেরিতে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যান। এ কারণে তাদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি।

চলতি বছর চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮ হাজার ৪৮২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী চট্টগ্রাম জেলায়। এরপর কক্সবাজারে ১ হাজার ২৯০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এ জেলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

কুমিল্লায় চমেক হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসা নিয়েছেন ১ হাজার ৭৫ জন। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী পাওয়া গেছে বান্দরবানে। সেখানে ৮৬৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। মারা গেছেন দুজন। আক্রান্তের সংখ্যায় বিভাগের মধ্যে বান্দরবান চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। সবচেয়ে কম ১১২ জন রোগী পাওয়া গেছে রাঙামাটিতে।