বিনোদন ডেস্ক: কিছুদিন আগে ‘গুলশানের চামেলি’ শিরোনামে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন পরিচালক মো. ইকবাল। তারপর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকরা আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে শিল্পীদের তালিকা। নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। আগামী ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে সিনেমাটির মহরত।

ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা—দুই মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন মধুমিতা। ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘কেয়ার করি না’সহ একাধিক জনপ্রিয় কাজের মাধ্যমে দুই বাংলার দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।

সিনেমাটিতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না। পুরো কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে একজন নারী। গল্পের বিভিন্ন মোড়ে একই চরিত্রের ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই দিকই তুলে ধরা হবে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি শক্তিশালী নারীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মিত হচ্ছে।

সিনেমায় মধুমিতা সরকারের অভিনয় প্রসঙ্গে নির্মাতা মো. ইকবাল বলেন, “এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কয়েক দিনের মধ্যেই সবকিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।” 

কিছুদিন আগে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মধুমিতা সরকার। গল্প ও চরিত্র সম্পর্কে জানার পরই কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেন। মধুমিতার ভাষায়, “গল্পটি অসাধারণ। চরিত্রটিও আমাকে ভীষণ টেনেছে। কলকাতায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু এতটা বহুমাত্রিক ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে আগে কখনো কাজ করার সুযোগ হয়নি।” 

সিনেমাটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত মধুমিতা সরকার বলেন, “এই কাজ নিয়ে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন কাজের সূত্রে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু নানা কারণে তা হয়ে ওঠেনি। এবার সেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।”

বিনোদন ডেস্ক: কিছুদিন আগে ‘গুলশানের চামেলি’ শিরোনামে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দেন পরিচালক মো. ইকবাল। তারপর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকরা আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে শিল্পীদের তালিকা। নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। আগামী ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে সিনেমাটির মহরত।

ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা—দুই মাধ্যমেই নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন মধুমিতা। ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘কেয়ার করি না’সহ একাধিক জনপ্রিয় কাজের মাধ্যমে দুই বাংলার দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।

সিনেমাটিতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না। পুরো কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে একজন নারী। গল্পের বিভিন্ন মোড়ে একই চরিত্রের ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই দিকই তুলে ধরা হবে। নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি শক্তিশালী নারীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মিত হচ্ছে।

সিনেমায় মধুমিতা সরকারের অভিনয় প্রসঙ্গে নির্মাতা মো. ইকবাল বলেন, “এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না। কয়েক দিনের মধ্যেই সবকিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।” 

কিছুদিন আগে সিনেমাটিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মধুমিতা সরকার। গল্প ও চরিত্র সম্পর্কে জানার পরই কাজটি করার সিদ্ধান্ত নেন। মধুমিতার ভাষায়, “গল্পটি অসাধারণ। চরিত্রটিও আমাকে ভীষণ টেনেছে। কলকাতায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু এতটা বহুমাত্রিক ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে আগে কখনো কাজ করার সুযোগ হয়নি।” 

সিনেমাটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত মধুমিতা সরকার বলেন, “এই কাজ নিয়ে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন কাজের সূত্রে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু নানা কারণে তা হয়ে ওঠেনি। এবার সেই দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।”