নিজস্ব প্রতিনিধি : লোহাগাড়া উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ডলুখাল থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে সক্রিয় বালু লুটেরা একটি দল। ডলু খালের বিভিন্ন পয়েন্টে মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে উপজেলার পুটিবিলা ও চুনতি ইউনিয়ন সীমানায় স্থাপিত বেইলী ব্রীজের উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। এলাকাবাসীর মতে, যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা।
অভিজ্ঞ মহলের মতে, বেইলী ব্রীজের নিচ থেকে বালু উত্তোলন করা হয় মেশিন দিয়ে। ফলে বেইলী ব্রীজটি অবস্থা দূর্বল হয়ে গেছে। যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন বালু,মটি ও গাছ বোঝাই ট্রাক চলাচল করছে এ ব্রীজ দিয়ে। চলাচল করছে যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সাসহ অন্যান্য যানবাহন।
দেখা গেছে, উক্ত বেইলী ব্রীজের পিলারের গোড়ার মাটি সরে গিয়েছে। ব্রীজের লোহার পাটাতন ঢিলেঢালা হয়ে গেছে। গাড়ী চলাচল করতে ব্রীজটির কাপন ধরে। ১৯৯৬ সালে এই ব্রীজটি স্থাপন করা হয় পুটিবিলা এমচরহাটের দক্ষিণ পাশের ডলুখালের উপর। এ ব্রীজের উপর দিয়ে লোহাগাড়াসহ পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা ও আলীকদম উপজেলা পর্যন্ত যানবাহন চলাচল করে। এসব অঞ্চলে চলাচলের জন্য উক্ত ব্রীজটি অতিব গুরুত্বপূর্ণ। অসংখ্য মানুষ চলাচল করে এ ব্রীজ দিয়ে। কৃষিপণ্য বাজারজাত ও চাষীদের জন্য অন্যতম মাধ্যম এ ব্রীজ। ব্রীজটি যে কোন মুহুর্তে ধ্বসে পড়ার আশঙ্খা প্রকাশ করছে এলাকাবাসী। ব্রীজটি ধ্বসে পড়লে লোহাগাড়া লামা ও আলীকদম এলাকার লোকজনকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হবে। বিচ্ছন্ন হয়ে পড়বে পার্বত্য লামা ও আলীকদমের সাথে লোহাগাড়ার যোগাযোগ। ব্রীজের পটাতন ঢিলেঢালা হয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলের সময় কম্পন সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের মতে, ডলুবীজের নিকটসহ ডলুখালের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অন্যতায় ব্রীজটি ধ্বসে পড়লে ব্যাপক ক্ষতি হবে।




