ডেক্স- রিপোর্টঃ নাটোর ৩ সিংড়া আসনের নব-নির্বাচিত এমপি অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপ-প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। নাটোর জেলা বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সদ্য -সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান পূর্ববর্তী ও পরবর্তী প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নাটোর সিংড়া ৩ আসনে বিএনপি মনোনীত নির্বাচিত প্রার্থী অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু আলোচনার শীর্ষে স্থান পায়।
নির্বাচন কেন্দ্রীক আঞ্চলিক,পরিবার ও ভোটার সংখার পরিস্থিতি বিবেচনায় জাতীয় রাজনীতির অংশ হিসাবে বিএনপি মধ্য পন্থার নেতৃত্ব খুঁজতে আঞ্চলিক জনমানুষের ভোট কাভারেজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার করণে সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ এর তারুণ্য দীপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু অভিজ্ঞ সংগঠকের প্রমাণ দেন। তবে ভাংগা- গড়ার আন্দোলন সফল উত্তর সারা দেশের ন্যায় নাটোর ৩ সিংড়া আসনে ভঙ্গুর জনপ্রশাসন পরিস্থিতি কাটিয়ে সঠিক নেতৃত্ব দানে বিএনপি’র সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত বলে প্রতিয়মান। সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ নামক সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সফল প্রশাসক হিসাবে সিংড়ার ঐ বিদ্যাপিঠ এমপি আনু কে রিট্রানমেন্ট উপহার স্বরুপ নির্বাচনে জনমনে নেরেটিভ প্রতিষ্ঠিত হতে ব্যাপক যুক্তিযুক্ত ।
উল্লেখ্য, সিংড়ার রাজনৈতিক,সামাজি ও আঞ্চলিক জনগোষ্ঠীর মাঝে উক্ত বিদ্যাপিঠ প্রতিবছর হাজার মেধাবী ছাত্র বের করেন। দীর্ঘদিনের অবহেলিত অঞ্চলটিতে শিক্ষাঙ্গনে “সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ” মেধা তালিকার দাপটে বিদ্যাপিঠ হওয়ায় বাৎসরিক শিক্ষা প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে সেখানকার অপরাপর বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের ছেলেমেয়ে শিক্ষা ব্যাবস্থায় পরিচিতি ও ভোটার সংখার সাথে “জোড়ামই শিকল” সংযোগ কাজ করে।
এহেন পরিস্থিতিতে ঐ নেতার বিরুদ্বে তার সুনামে কালিমা লেপন করতে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ করছে। অঞ্চলটির সামাজিক ও রাজনৈতিক মহল এনিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারই অংশ হিসাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীক সামাজিক সংগঠন রাবিঃ উত্তর এর একাধিক নেতৃবৃন্দ বিষয়টিতে নিন্দা জানায়।
এ বিষয়ে রাবিঃ প্রাক্তন ছাত্র ও বিশিষ্ট প্রবন্ধিক এইচ আর হাবিব বলেন, আনু ভাই এর কাছে সকলেই আসে তার সরলতা আছে কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি পরিছন্নতা ফিরিয়ে আনতে খুবই সচেতন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওমীলীগ কর্মীর ছবি পোস্ট যা বিগত দীর্ঘ দিনে রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভেসে বেড়ানো ছবি তার কোন কার্যক্রমকে প্রশ্ন বিদ্ধ করে না। তবে সিংড়ার একাধিক ছাত্রনেতা এর তীব্রনিন্দা জানিয়ে ঐ প্রতিবেদককে পরিস্থি অবহিত করে। তারা মনে করেন রাজনৈতিক অঙ্গন একটি পক্ষ হেরে গিয়ে এহেন প্রচারে লিপ্ত।
ছাত্রনেতা কাজল সরকার বলেন,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এই অপপ্রচার কাজে আসবে না।তৃণমুল পর্যায়ে সক্রিয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এমপি আনুর বিরুদ্ধে অপ্রচার বন্ধের আহবান জানান।
এবিষয়ে এমপি আনু দি ক্রাইমকে বলেন, ‘৯০ এর আন্দোলন সহ দেশের সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ডে বিএনপির কর্মী হিসাবে আমি কাজ করেছি। আমি দুরমূল্লিকা গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান।আমার পারিবারিক সম্পর্কে সংস্পৃক্ত আত্বীয় স্বজন আওয়ামী লীগ রাজনীতি বা দেশের বিভিন্ন সূচকে পেশাদারিত্ব করে। সেই সম্পর্ক আমার রাজনৈতিক নেতৃত্ব গুলিয়ে মিলিয়ে অপপ্রচার দীর্ঘ দিনের। আওয়ামী লীগ রেজিমে দীর্ঘসময় আমার সামাজিক রাজনৈতিক ও শিক্ষাঙ্গনের কার্যক্রম সহ সংগত নানা শ্রেনীর পেশার মানুষ আমার কাছে আসে। আমি ‘৮০ দশকের রাজনৈতিক কর্মী হলেও পেশাগত কারণে আমি শিক্ষক সমিতির নেতৃত্ব দিয়ে আসছি। এহেন ব্যাক্তিত্ব বহন করে আমি কাউকে ছবি তুলতে নিষেধ করতে পারিনা। সেই ক্ষেত্রে আওয়ামীলীগ সহ নানা সময় নানাবিদ সামাজিক ও প্রাতিষ্টানিক কাজে সাধারণত এসব ছবি উঠানো হয়েছে।
আমি সাংবাদিকদেরকে উৎসাহ দিতে চাই, আমার সঠিক সমালোচনা করে আমাকে সহযোগিতা করবেন। অপপ্রচার বন্ধে গঠন মূলক চিন্তা চেতনার দিকে ধাবিত হন। আমি সাংবাদিক সমাজ, শিক্ষক সমাজ, শ্রমিক সমাজ, ছাত্র সমাজ ও আমার রাজনৈতিক নেতাকর্মীর কাছে আমার দায়বদ্ধতা অনেক বেশি।




